সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

কমছে মরিচের দাম, ডিমের ডজন উঠেছে ১৬০ টাকায়

রাজধানীর খুচরা বাজারে গেলো সপ্তাহের তুলনায় কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমতির দিকে। তবে সবজি, ডিমসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনো চড়া। ফলে মরিচের দামে কিছুটা কমলেও বাজারে গিয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা।

রাজধানীর খুচরা বাজারে গেলো সপ্তাহের তুলনায় কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমতির দিকে। তবে সবজি, ডিমসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনো চড়া। ফলে মরিচের দামে কিছুটা কমলেও বাজারে গিয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ৪০০ টাকায় উঠেছিল। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি দরে।

খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মরিচের দাম কমেছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা।

কারওয়ান বাজারের এক বিক্রেতা সুমন হাওলাদার বলেন, ভারত থেকে মরিচ আসতে শুরু করায় সরবরাহ বেড়েছে। সে কারণেই দাম কমেছে। তবে বিভিন্ন এলাকায় বন্যার কারণে দেশে উৎপাদিত অন্য অনেক পণ্যের সরবরাহ ও পাইকারি দাম বেশি থাকায় খুচরা পর্যায়েও দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে একই বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মরিচের দাম কিছুটা কমেছে, এটা ভালো খবর। কিন্তু ডিম, সবজি ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম এখনো বেশি। এক-দুটি পণ্যের দাম কমলেও মোট বাজার খরচে তেমন কোনো প্রভাব পড়ছে না।

বাজারে টানা দুই সপ্তাহ ধরে বেড়েছে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম। দুই সপ্তাহ আগে পাড়া-মহল্লার দোকানে বাদামি রঙের এক ডজন ডিম ১৪০ টাকায় বিক্রি হলেও গত সপ্তাহে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫০ টাকায়। চলতি সপ্তাহের শেষে এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা পর্যন্ত। তবে বড় বাজারগুলোতে প্রতি ডজন ১৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

সবজির বাজারেও কিছু পণ্যের দামে সামান্য কমতির আভাস মিলছে। লম্বা বেগুন, যা গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছিল, এখন মান ও বাজারভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে গোল বেগুনের দাম এখনো কেজিপ্রতি প্রায় ১৫০ টাকা।

শসার দামও কিছুটা কমে মানভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকায় নেমেছে। কাঁচা পেঁপে আগের মতোই ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে ধুন্দল, ঝিঙা ও চিচিঙা বাজারভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পটোল ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং করলা ৯০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে প্রতি পিস চাল কুমড়া ৫০ থেকে ৭০ টাকা এবং দেশি লাউ ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এদিকে, পেঁয়াজের বাজার উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। তবে আলুর দাম অপরিবর্তিত থেকে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে।

ডিমের দাম বাড়লেও গত এক সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দামে তেমন পরিবর্তন হয়নি, যদিও দুই সপ্তাহ আগে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছিল। বর্তমানে বাজারভেদে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

ওজন কমানোর ওষুধে বদলাচ্ছে মার্কিন বাজার, চাহিদা বাড়ছে মুরগি আর অল্প পরিমাণ ভালো গরুর মাংসে

কোব্যাংকের অর্থনীতিবিদ ব্রায়ান আর্নেস্ট বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চার পরিবারের একটিতে জিএলপি-১ ওষুধ সেবনকারী আছেন; তাঁরা আমিষবহুল মুরগি আর ছোট পরিমাণের ভালো মানের গরুর মাংস বেশি কিনছেন।

মিশিগান এজি টুডে৩১ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বন্যার আগেই সহায়তা: দক্ষিণ সুদানে এফএও ও ডব্লিউএফপিকে ২১ লাখ পাউন্ড দিল যুক্তরাজ্য

এল নিনোর সম্ভাব্য বন্যা ও খরার আগে জঙ্গলেই, ইউনিটি ও আপার নাইলে আগাম সতর্কতা, নগদ সহায়তা, জীবিকা সুরক্ষা ও ত্রাণসামগ্রী মজুতে এই অর্থ খরচ হবে ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত।

ডব্লিউএফপি৩১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০০-র বেশি কাউন্টিতে বড় পশুর চিকিৎসকের সংকট

মন্টানায় এক তথ্যচিত্রের প্রদর্শনীতে পশুচিকিৎসকেরা বলেছেন, শিক্ষাঋণ, চেম্বার খোলার খরচ আর দিনরাত জরুরি ডাকের চাপে নতুন চিকিৎসকেরা গ্রামে যেতে চান না; একজন বাড়তি চিকিৎসকেই বদলেছে একটি ক্লিনিকের চিত্র।

নর্দার্ন এজি নেটওয়ার্ক৩১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)