কার্পেটের দাগ তুলতে সব সময় ভারী যন্ত্রের দরকার হয় না; এসব যন্ত্রের উচ্চ তাপ ও রাসায়নিক বারবার ব্যবহারে তন্তু নষ্ট হতে পারে। জাগো নিউজের লাইফস্টাইল ডেস্ক দ্য স্প্রুসের বরাতে জানিয়েছে, ঘরের দুই উপকরণ বেকিং সোডা ও হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডেই অনেক দাগ ওঠে।
স্পেকলেস ক্লিনিংয়ের কার্যক্রম ব্যবস্থাপক কারিনা টোনারের ব্যাখ্যা, হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড জারক পদার্থ, দাগের রং তৈরি করা রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে দেয় এবং সামান্য ফেনা তুলে তন্তু থেকে ময়লা বের করে আনে। বেকিং সোডা আর্দ্রতা ও তেল শোষণ করে, দুর্গন্ধ দূর করে, হালকা ঘষায় ময়লা তোলে; পার-অক্সাইডের কাজ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং কার্পেট বেশি ভিজে যাওয়ার ঝুঁকি কমায়।
নিয়ম: আগে ভ্যাকুয়াম ক্লিনারে ধুলা ও আলগা ময়লা তুলুন। কার্পেটের আড়ালের ছোট অংশে পার-অক্সাইড লাগিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট পর সাদা কাপড়ে মুছে দেখুন; রং ফিকে বা তন্তু নষ্ট হলে ব্যবহার করবেন না। এরপর স্প্রে বোতলে ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ বেকিং সোডা, ১ কাপ হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড ও ২ কাপ পানি মিশিয়ে আলতো ঝাঁকিয়ে দাগে স্প্রে করুন, ভিজিয়ে ফেলবেন না।
৫ থেকে ১০ মিনিট পর পরিষ্কার সাদা কাপড় দাগের ওপর চেপে মুছুন; ঘষবেন না, এতে দাগ আরও গভীরে যায় ও তন্তু নষ্ট হয়। শেষে ভেজা কাপড়ে বেকিং সোডার অবশিষ্টাংশ মুছে কার্পেট শুকালে আবার ভ্যাকুয়াম করুন। দাগ না উঠলে একই পদ্ধতি কয়েকবার আলতোভাবে করুন, তবে বেশি ঘনত্বের পার-অক্সাইড নয়; জেদি দাগে মিশ্রণে এক ফোঁটা বাসন ধোয়ার তরল দেওয়া যায়, পরে পরিষ্কার পানিতে সাবান মুছে ফেলতে হবে, নইলে সাবান ময়লা টানে।
সতর্কতা: নাইলন, পলিয়েস্টার ও ওলেফিনের মতো কৃত্রিম তন্তুর কার্পেটে এ মিশ্রণ চলে, কিন্তু উল, রেশম, তুলা, পাট বা সিসালের কার্পেটে এড়িয়ে চলতে হবে; পুরোনো ও নাজুক কার্পেটেও সাবধান। শুধু বেকিং সোডা এক থেকে তিন মাস পরপর ব্যবহার করা যায়, কিন্তু পার-অক্সাইডের মিশ্রণ কেবল দরকার হলে, কারণ বারবার ব্যবহারে রং ফিকে ও তন্তু দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
ছবি: Ingolfson / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)