জোগান কমে আসায় এবং চাষিদের জন্য প্রিমিয়াম আকর্ষণীয় হওয়ায় কানাডার জিনগতভাবে অপরিবর্তিত (নন-জিএমও) সয়াবিনের চাহিদা বাড়ছে। ফার্মস ডটকমের ২০২৬ গ্রেট অন্টারিও ইয়েল্ড ট্যুর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন প্রতিষ্ঠান সেরেসকোর ফসল উপদেষ্টা Andrew Hodges (অ্যান্ড্রু হজেস)। ফার্মস ডটকম ২৯ অক্টোবর এ খবর দিয়েছে।
আশির দশকের শুরু থেকে কাজ করা কানাডীয় প্রতিষ্ঠান Ceresco (সেরেসকো) দেশি ও রপ্তানি বাজারের জন্য নন-জিএমও সয়াবিনে বিশেষায়িত। অন্টারিওর সেন্ট অ্যালবার্টে তাদের প্রধান পরিষ্কারকরণ কেন্দ্রে প্রায় ৬০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করা হচ্ছে, তাতে সক্ষমতা ঘণ্টায় ৯ টন থেকে বেড়ে ২০ টন হবে। সঙ্গে বাড়ছে গুদাম, বড় হচ্ছে খালাসের গর্ত, উন্নত হচ্ছে শস্য পরিবহন যন্ত্র, বসছে নিরবচ্ছিন্ন শুকানোর যন্ত্র। কেন্দ্রটি রপ্তানির জন্য নানা মোড়কে সয়াবিন প্রস্তুত করতে পারে।
হজেস জানান, প্রতিষ্ঠানটি বছরে প্রায় ৮৫ হাজার একরের সয়াবিন কেনে, যার ৬০ হাজার একরের বেশি অন্টারিও ও কুইবেকের। কেনা ২০২৫ সালে ১৫ শতাংশ এবং ২০২৬ সালে আরও ২০ শতাংশ বেড়েছে। কিছু সয়াবিন ইউরোপের জন্য সয়া গ্রিটে পরিণত হয়, আর টফু ও নাত্তোর বিশেষ জাত যায় মূলত জাপানে। ছোট দানার নাত্তো সয়াবিনে ফলন কিছুটা কম হলেও ভালো প্রিমিয়াম মেলে; টফুর সয়াবিনের কদর আমিষ, রং ও স্বাদের জন্য; আর বেশি ফলনের নন-জিএমও জাত যায় ইউরোপে তেল নিষ্কাশন ও পশুখাদ্যে।
আলাদাভাবে চিহ্নিত সয়াবিনে যেতে চাওয়া চাষিদের আগাছামুক্ত জমি দিয়ে শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ আগাছা ফলন কমিয়ে চুক্তির প্রিমিয়ামের সুফল খেয়ে ফেলে। জাত বাছাই করতে হবে জমির অবস্থা, প্রত্যাশিত ফলন ও প্রিমিয়াম দেখে। টেকসই উৎপাদনের সনদ ইউরোপের ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে সেরেসকোকে সাহায্য করেছে, যাঁরা ক্রমেই এমন নথি চাইছেন। নতুন জাতে রোগ ও কৃমি প্রতিরোধও ভালো।
ছবি: Mykola Swarnyk / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)