Penn State বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিজ্ঞান কলেজ ও কলম্বিয়ার কৃষি গবেষণা সংস্থা AGROSAVIA-র গবেষকরা এমন জিনগত পার্থক্য চিহ্নিত করেছেন, যা ব্যাখ্যা করে কেন কিছু কাকাও গাছ বীজে ক্যাডমিয়াম ঢুকতে দেয় না আর কিছু গাছ দেয়। গবেষণাটি Plant and Soil সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
ক্যাডমিয়াম বহু মাটিতে প্রাকৃতিকভাবে থাকা একটি বিষাক্ত ধাতু; লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের যেসব এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতি কোকোর ওপর দাঁড়িয়ে, সেখানেও আছে। কড়া আমদানি মানদণ্ডের কারণে বেশি-ক্যাডমিয়াম বীজ বিক্রি করা কঠিন হয়ে পড়েছে; তাই কোন গাছ কম ধাতু জমায়, প্রশ্নটি স্বাস্থ্যের যতটা, বাজারেরও ততটাই।
Francisco Menendez-Burns, Paola Delgadillo-Duran, Siela Maximova, Roxana Yockteng, Mark Guiltinan ও Albert Istvan-এর নেতৃত্বে দলটি দুটি জিনগতভাবে আলাদা জাত নিয়ে কাজ করে: একটি কম ক্যাডমিয়াম জমানোর জন্য পরিচিত, অন্যটি বেশি। গ্রিনহাউসে অল্প মাত্রার ক্যাডমিয়াম দিয়ে মাসের পর মাস তারা চারার বৃদ্ধি, চাপ, পানি ব্যবহার, সালোকসংশ্লেষণ ও জিনের সক্রিয়তা মেপেছে।
দুই জাতই ক্যাডমিয়াম শুষেছে, কিন্তু কম-জমানো জাতটি গাছের ভেতরে ধাতুর চলাচল সীমিত রেখেছে এবং বিষমুক্তকরণ ও চাপ-ব্যবস্থাপনার জিন চালু করেছে; বেশি-জমানো জাতে এমন জিন সক্রিয় ছিল যা ধাতুকে আরও সহজে সরায় বলে মনে হয়। পার্থক্যগুলো জড়ো হয়েছে ধাতু পরিবহন, হরমোন সংকেত, চাপ-সাড়া ও বিষমুক্তকরণের জিনে।
গবেষক Siela Maximova (সিয়েলা ম্যাক্সিমোভা) বলেন, জড়িত জিন ও পথগুলো চিহ্নিত হওয়ায় প্রজননবিদরা এমন কাকাও জাত তৈরির নতুন হাতিয়ার পাবেন, যা কম ক্যাডমিয়াম জমাবে অথচ চাষি ও ভোক্তার কাঙ্ক্ষিত গুণ বজায় রাখবে। পরবর্তী কাজে ফলন, রোগ প্রতিরোধ বা বীজের মান না হারিয়ে ধাতু শোষণ কমানোর প্রজনন ও জৈবপ্রযুক্তি পথ খোঁজা হবে।
ছবি: Keith Weller, USDA ARS / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)