সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ২ কিমি/ঘ

১১০ দিনে বিনা-১৭ ধানের বাম্পার ফলন

ময়মনসিংহ অঞ্চলে চলতি আমন মৌসুমে চাষ করা স্থানীয় জাতের ধানের এখনো থোর বের হয়নি অথচ বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউ (বিনা) উদ্ভাবিত আগাম জাতের বিনাধান-১৭ এর কর্তন শুরু হয়েছ

ময়মনসিংহ অঞ্চলে চলতি আমন মৌসুমে চাষ করা স্থানীয় জাতের ধানের এখনো থোর বের হয়নি অথচ বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউ (বিনা) উদ্ভাবিত আগাম জাতের বিনাধান-১৭ এর কর্তন শুরু হয়েছে। স্বল্প সময়ে ভালো ফলনে এ ধানকে ঘিরে কৃষকদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা। খরা সহিষ্ণু, স্বল্প জীবনকালীন ও অধিক ফলনশীল বিনাধান-১৭ এর বাম্পর ফলন দেখে বেজায় খুশি কৃষক।

পাখির চোখে এমন দৃশ্য দেখে সহজেই বুঝা যায় বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে সবুজের মাঝে এক খণ্ড জমিতে সোনালী বিনাধান-১৭ যেন চাঁদর বিছিয়ে রেখেছে। চলতি আমন মৌসুমে ময়মনসিংহ অঞ্চলে স্থানীয় জাতসহ রোপন করা বিভিন্ন জাতের ধান গাছে এখনো থোরই বের হয়নি। মাঝে মধ্যে একটা দুইটা শীষ গজালেও পরিপক্ক হতে আরো দেড় মাস লেগে যাবে। অথচ একই সময়ে চাষ করা বিনাধান-১৭ এখনই পেকে গেছে। ইতোমধ্যে ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিনাধান-১৭ কর্তন শুরু হয়েছে।

জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার বড়গ্রাম ইউনিয়নের কোনাগাঁও কেজাইকান্দা গ্রামের কৃষক হেলাল উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউ (বিনা) থেকে ১০ কেজি বীজ নিয়ে ১৫ শতাংশ জমিতে বিনাধান-১৭ রোপন করেছিলেন। এখন ক্ষেতে বাম্পার ফলন হয়েছে। আশপাশের অন্য ক্ষেতের ধানে থোর না আসলেও বিনাধান-১৭ পেকে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামীতে পুরো জমিতে বিনাধান-১৭ লাগানোর ইচ্ছা রয়েছে।

কৃষিবিদ একেএম আজিজুল হক দুদু বলেন, ৫২ শতক জমিতে বিনা-১৭ চাষ করেছি। প্রথমে একটু ভয় ছিল ধানকে ঘিরে। রোপনের পর ফলন ভালো হওয়ায় আশা জাগিয়ে তুলেছে বিনাধান-১৭। এলাকার অনেক কৃষক আগামীতে এ ধান চাষ করার জন্য পরামর্শ নিচ্ছেন। আশা করা যাচ্ছে কয়েক বছরের মধ্যে এটি বাংলাদেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, আশ্বিন মাসে বিনাধান-১৭ কর্তন করতে পেরে ভালো লাগছে। সাধারণত অগ্রায়ন মাসে আমরা আমন ধান কর্তন করে থাকি। এ ধানগুলোর ছড়া অন্য ধানের ছড়ার চেয়ে বেশ বড়। ধানের রংও ভালো। আশা করছি দামও ভালো পাব।

কৃষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, অনেকেই বিনাধান-১৭ রোপন করার সময় তাদেরকে নিয়ে হাসাহাসি করেছি। কিন্তু আজকে তারা ধান কাটছে। আর আমাদের ক্ষেতে এখনও থোরই হয়নি। আগামীতে আমরাও বিনাধান-১৭ রোপন করব।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মহাপরিচালক ও বিনাধান-১৭ এর উদ্ভাবক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেন, চীন, ইরি এবং বিনা যৌথ গবেষণা করে অনেকগুলো বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে বিনাধান-১৭ উদ্ভাবন করা হয়েছে। এই ধানটি রোগ বালাই সহনশীল, এক তৃতীয়াংশ ইউরিয়া সার ও অর্ধেক পানি সাশ্রয়ী এবং খরা সহিষ্ণু হওয়ায় আগাম ও অধিক ফলনশীল বিনাধান-১৭ কে ‘গ্রীণ সুপার রাইস’ বলা হয়। এই ধানটি ‘মেগা ভ্যারাইটি’ হবে।

প্রতি হেক্টর জমিতে ৮ টন ধান পাওয়া যায়। রোপনের ১১০ দিনে ধান কাটা যায়। একই জমিতে বিনাধান-১৭ করে আরো কমপক্ষে তিন থেকে চারটি ফসল অতিরিক্ত করে বোরো আবাদ করা সম্ভব। এতে করে কৃষকদের আয় বাড়বে। ২০৩০ সালের মধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে চ্যালেঞ্জ নেয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্যে বিনাধান-১৭ সারা দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ময়মনসিংহ অঞ্চলেও এই ধানটি দিনদিনই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

সাম্প্রতিক দেশকালসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বিষখালীর ভাঙনে নদীতে ঝালকাঠির পৌনে তিন কোটি টাকার সাইক্লোন শেল্টার, ঝুঁকিতে ফসলি জমি

ঝালকাঠি সদরের পশ্চিম দেউরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারের বড় অংশ বিষখালী নদীতে বিলীন হয়েছে; বাকিটুকুও ঝুঁকিতে। নদীতীরের বসতভিটা ও ফসলি জমি নিয়ে আতঙ্কে আছেন বাসিন্দারা।

বার্তা২৪১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় ঢাকায় সরু ও মাঝারি চাল কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং মোকামে ধানের চড়া দামের কারণে রাজধানীর খুচরা বাজারে দেড় সপ্তাহে সরু ও মাঝারি চালের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৩ টাকা বেড়েছে; মোটা চালের দাম কিছুটা স্থিতিশীল।

ডেইলি অবজারভার১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

ভারতে আগাছায় ফসলের ক্ষতি এক দশকে ২৫% থেকে নেমে ১৩.৪৩%: আইসিএআরের গবেষণা

২০১৪-২০২৪ সালের ১,৬২২টি মাঠ পরীক্ষার ভিত্তিতে আইসিএআরের আগাছা গবেষণা অধিদপ্তর বলছে, আগাছায় গড় ফলন ক্ষতি এখন ১৩.৪৩ শতাংশ, যা ২০১৮ সালের হিসাবে ছিল প্রায় ২৫ শতাংশ। উন্নত আগাছা দমন পদ্ধতিই এর কারণ।

আইসিএআর১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)