দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় আগাম জাতের ফুলকপি চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকেরা। উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে ফুলকপির মোট লক্ষ্যমাত্রা ৫৯৩ হেক্টর, যার মধ্যে এরই মধ্যে ১৭০ হেক্টরে আগাম ফুলকপি লাগানো হয়ে গেছে। গত বছর একই সময়ে এই আবাদ ছিল মাত্র ৯২ হেক্টর।
উপজেলার বিভিন্ন মাঠে এখন নিয়মিত সেচ, সুষম সার প্রয়োগ আর আগাছা পরিষ্কারের কাজ চলছে। মাঠে প্রধানত রত্না বা রত্নাশা (৪৫ দিনের জাত), হোয়াইট মার্বেল ও নিনজা জাতের ফুলকপি চাষ হচ্ছে।
দোলুয়া এলাকার কৃষক রহিম উদ্দিন জানান, ক্ষেতের অবস্থা সন্তোষজনক। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ২০ থেকে ২২ দিনের মধ্যেই ফুলকপি বাজারে তোলা যাবে এবং ভালো দামের আশা করছেন তিনি।
২৫ মাইল এলাকার কৃষক আব্দুল জব্বার চার বিঘা জমিতে বাড়তি পরিশ্রম ও খরচ করে আগাম ফুলকপি লাগিয়েছেন। স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, স্বাভাবিক সময়ের আগে সবজি বাজারে তুলতে পারলে লাভ বেশি হয়, সে কারণেই তাঁরা আগাম চাষে ঝুঁকছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জানান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে কৃষকদের সার ও সেচ প্রয়োগ এবং বালাই ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত কারিগরি পরামর্শ দিচ্ছেন, মাঠের সার্বিক অবস্থা সন্তোষজনক। ফলন ভালো হলে কৃষকেরা লাভবান হবেন এবং এ অঞ্চলে আগাম সবজি চাষ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনটি ঢাকা ট্রিবিউনের দিনাজপুর প্রতিনিধি ফারুক হোসেনের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে লেখা।
সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন





মন্তব্য
(০)