ভোলা জেলায় ৭ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে এখন সর্জান বা কান্দি পদ্ধতিতে সমন্বিত চাষ হচ্ছে। আমন কাটার পর যে জমি দীর্ঘদিন পতিত পড়ে থাকত, সেখানে এখন বছরজুড়ে ফসল উঠছে।
এই পদ্ধতিতে জমির উঁচু অংশে মাটি তুলে কান্দি বা উঁচু বেড তৈরি করা হয়, সেখানে হয় নানা শাকসবজি। মাঝের নিচু অংশে জমে থাকা পানিতে করা হয় মাছ চাষ বা ধান। ফলে একই জমিতে একই সময়ে একাধিক ফসল মেলে।
সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুরে কান্দিতে দেখা গেছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শসা, বরবটি, লাউ ও টমেটো। কৃষক মো. আলামিন বলেন, জমি আর দীর্ঘ সময় পতিত থাকে না। মজিবুর রহমানের ভাষ্য, আগাম চাষ করা যায় বলে ফলন তুলনামূলক ভালো আর আগাম সবজিতে লাভও বেশি।
কৃষক খলিল বলেন, মৌসুমের আগেই সবজি বাজারে তুলতে পারলে ভালো দাম মেলে, উৎপাদন খরচের তুলনায় লাভের সম্ভাবনা বাড়ে।
ভোলা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান বলেন, এই পদ্ধতিতে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন এবং জমির বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে। আগে যেসব জমি দীর্ঘ সময় পতিত থাকত, এখন সেখানেও নানা ফসল হচ্ছে।
কৃষি-সংশ্লিষ্টদের মতে, বছরের বড় সময় পানিতে ডুবে থাকা বা অনাবাদি জমি পরিকল্পিতভাবে উৎপাদনে আনা গেলে উপকূলীয় অঞ্চলে কৃষির পরিধি বাড়বে।
সূত্র: কৃষি সময়

মন্তব্য
(০)