দেশের উত্তরাঞ্চলে ১৬ হাজার ৪৪৯টি সেচযন্ত্র সৌরবিদ্যুতে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। সংস্থাটির হিসাবে, পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এসব সেচযন্ত্র থেকে ৪৩৪ দশমিক ২৫ মেগাওয়াট ঘণ্টা সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে এবং বছরে প্রায় চার লাখ মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইডের সমপরিমাণ গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমবে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ সোলার এক্সপোতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের স্টলে এই হিসাব তুলে ধরা হয়। বিএমডিএর আওতায় মোট সেচযন্ত্র আছে এক লাখ ৭০ হাজার ৮৮৮টি, যার মধ্যে এখন ৬৯২টি সৌরবিদ্যুতে চলছে। নেট মিটারিং ব্যবস্থায় এগুলোর উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে ২ দশমিক ৭৫ মেগাওয়াট ঘণ্টা জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে।
নতুন লক্ষ্য আরও ১৫ হাজার ৭৫৭টি সেচযন্ত্রকে নেট মিটারিংয়ের আওতায় আনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কাজটি হবে ওপেক্স পদ্ধতিতে, যেখানে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বসাবে ও চালাবে। এ জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি ও একটি কারিগরি কমিটি হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে একটি ব্যবসায়িক মডেলও দাঁড় করানো হয়েছে।
দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার সেচযন্ত্র নিয়ে আলাদা আলাদা প্যাকেজ তৈরি হয়েছে। কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব যাচাই হবে দুই খাম পদ্ধতিতে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে চুক্তি সই হবে, এরপর কার্যাদেশের ছয় থেকে ১০ মাসের মধ্যে পুরো কাজ শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
বিএমডিএর হিসাবটি করা হয়েছে প্রতিটি সেচযন্ত্রে ৩৩ কিলোওয়াট ঘণ্টা উৎপাদন ধরে, যার ৮০ শতাংশ কার্যকর উৎপাদন হিসেবে বিবেচিত। সংস্থাটি বলছে, এতে কৃষিতে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে।
ছবি: বিদ্যুৎ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)