সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩২°ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস ৭ কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৪ মিমি

শ্রমিকপ্রতি কৃষি উৎপাদনে কেন পিছিয়ে বাংলাদেশ: সমীরণ বিশ্বাসের বিশ্লেষণ

জাগো নিউজে প্রকাশিত কলামে সমীরণ বিশ্বাস লিখেছেন, ছোট খণ্ডের জমি, অসম যান্ত্রিকীকরণ, জ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনার ঘাটতি আর ফসল-পরবর্তী অপচয়ে কৃষিশ্রমিকের উৎপাদনশীলতা বাড়ছে না।

শ্রমিকপ্রতি কৃষি উৎপাদনে কেন পিছিয়ে বাংলাদেশ: সমীরণ বিশ্বাসের বিশ্লেষণ
মতামত

বাংলাদেশে ধান, সবজি ও মাছের উৎপাদন বেড়েছে, কিন্তু একজন কৃষিশ্রমিকের শ্রমে কতটা মূল্য তৈরি হচ্ছে, সেই হিসাবে দেশ দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশীদের চেয়ে পিছিয়ে। জাগো নিউজে প্রকাশিত এক কলামে এই যুক্তি তুলে ধরেছেন সমীরণ বিশ্বাস। তাঁর মতে, মোট উৎপাদন বাড়লেই শ্রমিকপ্রতি উৎপাদনশীলতা বা কৃষকের আয় বাড়ে না।

পিছিয়ে থাকার প্রথম কারণ হিসেবে তিনি দেখিয়েছেন জমির খণ্ডবিখণ্ডতা। ছোট ছোট জমিতে চাষ প্রস্তুতি, রোপণ, আগাছা দমন, সেচ ও ফসল তোলায় প্রচুর শ্রম লাগে, অথচ বড় জমিতে যন্ত্র চালানো সহজ ও সাশ্রয়ী। দ্বিতীয়ত, যান্ত্রিকীকরণ এগোলেও জমির আকার, আর্থিক সামর্থ্য, যন্ত্রের প্রাপ্যতা আর দক্ষ চালকের অভাবে সব কৃষক সমান সুবিধা পাচ্ছেন না।

তৃতীয় কারণ জ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনার ঘাটতি: মাটি পরীক্ষা ছাড়া সার দেওয়া, আবহাওয়ার পূর্বাভাস উপেক্ষা, রোগবালাই দেরিতে শনাক্ত করা আর অপরিকল্পিত সেচ খরচ বাড়ায়। চতুর্থত, ফসল তোলার পর সংরক্ষণ, পরিবহন, বাছাই ও বাজারজাতকরণে অপচয় হয়। লেখক মনে করিয়ে দিয়েছেন, ভারত, পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার সঙ্গে তুলনায় ফসলের ধরন, জমির আকার, কর্মঘণ্টা ও পণ্যের দামও বিবেচনায় নিতে হবে।

উত্তরণের পথ হিসেবে তিনি কৃষকের সামর্থ্যের সঙ্গে মানানসই যান্ত্রিকীকরণের কথা বলেছেন: সমবায়ভিত্তিক যন্ত্র ব্যবহার, ভাড়ায় যন্ত্রসেবা আর স্থানীয় যন্ত্রসেবা কেন্দ্র। রাইস ট্রান্সপ্লান্টার, রিপার, কম্বাইন হারভেস্টার, কৃষি ড্রোন, সয়েল সেন্সর ও আধুনিক সেচযন্ত্রের কার্যকর ব্যবহারে শ্রম ও সময় বাঁচবে বলে তাঁর মত।

কলামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অব থিংস ও ডিজিটাল পরামর্শসেবা বাড়ানোর প্রস্তাবও আছে, যাতে মাটির পুষ্টি বিশ্লেষণ, পূর্বাভাস, রোগ শনাক্ত ও সুষম সার ব্যবস্থাপনায় অপ্রয়োজনীয় খরচ কমে। তবে প্রযুক্তির সুপারিশ স্থানীয় মাটি, ফসল ও পরিবেশে খাটে কি না, তা গবেষণা ও মাঠে যাচাই করে নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। সঙ্গে শ্রমিকের দক্ষতা প্রশিক্ষণ, সংরক্ষণাগার, শীতল পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারসংযোগ উন্নয়নের তাগিদ।

কলামের শেষ অংশে লেখক বলেছেন, চ্যালেঞ্জ শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয়, সীমিত জমি, শ্রম ও সম্পদ দিয়ে বেশি মূল্যবান, নিরাপদ ও বাজারযোগ্য পণ্য উৎপাদন। সরকার, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও কৃষকের সম্মিলিত উদ্যোগেই তা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

মতামতগুলো লেখকের নিজস্ব।

ছবি: ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত কৃষক (প্রতীকী), Mahinur11 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

ধানখেতের মিথেন কমাতে বৈশ্বিক উদ্যোগে বাংলাদেশ: রিয়াজ আহমেদের কলাম

বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কলামে ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ লিখেছেন, কম নিঃসরণের ধান চাষ বাড়ানোর আন্তর্জাতিক উদ্যোগ অ্যাকসেলারে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশের সামনে পানি সাশ্রয় আর জলবায়ু তহবিলের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন৩১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

ইলিশ বাঁচাতে ভারত, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের এক নিষেধাজ্ঞা চান দুই গবেষক

ডাউন টু আর্থে দুই গবেষক লিখেছেন, উষ্ণ সাগর আর মোহনার বাড়তি লবণাক্ততায় বড় ইলিশ নদীতে কম আসছে, আর দেশে দেশে আলাদা নিষেধাজ্ঞার ফাঁকে বাংলাদেশের সংরক্ষণের সুফল যাচ্ছে প্রতিবেশীর জালে।

ডাউন টু আর্থ৩১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

অপরিকল্পিত নগরায়ণে হারাচ্ছে জলাধার, সবুজ আর কৃষিজমি: তানজিম হোসেনের কলাম

আজকের পত্রিকায় তানজিম হোসেন লিখেছেন, ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালে ঢাকার সবুজ ও ফাঁকা জায়গা ৫৩.১১ থেকে ২৯.৮৫ বর্গকিলোমিটারে নেমেছে। তাঁর মতে, মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন আর দখলের বিরুদ্ধে কঠোর আইন ছাড়া উত্তরণ নেই। মত লেখকের নিজস্ব।

আজকের পত্রিকা৩১ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)