আফ্রিকান প্ল্যান্ট নিউট্রিশন ইনস্টিটিউট (APNI) কেনিয়ার পাঁচটি কাউন্টিতে তাদের ওএফই ২.০ (OFE 2.0) উদ্যোগের ফসল-পরবর্তী আলোচনা শেষ করেছে। এই উদ্যোগে কৃষক নিজেই নিজের জমিতে ফসলের পুষ্টি ব্যবস্থাপনা নিয়ে পরীক্ষা চালান।
সিয়াইয়া, কাকামেগা, এমবু, মেরু ও মাচাকোস কাউন্টিতে ২০০-র বেশি কৃষকের নেটওয়ার্ক নিয়ে কাজ চলছে। লক্ষ্য হলো তথ্যনির্ভর, এলাকাভিত্তিক সার ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা এবং এমন একটি মডেল তৈরি করা যা অন্য জায়গায়ও চালানো যায়। বর্তমান পাইলট চলছে ভুট্টাভিত্তিক মিশ্র চাষে।
২০২৬ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে কৃষকেরা আবার বসেছেন বিজ্ঞানী, সরকারি কর্মকর্তা, সম্প্রসারণকর্মী, কোম্পানি ও ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে। ২০২৫ সালের স্বল্প বর্ষা মৌসুম আর ২০২৬ সালের দীর্ঘ বর্ষা মৌসুমের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা হয়েছে কৃষকের প্লট থেকে সংগ্রহ করা তথ্যের কৃষিতাত্ত্বিক ও আর্থসামাজিক বিশ্লেষণ পাশে রেখে।
কৃষকেরা জানিয়েছেন ব্যবস্থাপনায় কী বদলেছেন, কোন প্রযুক্তি পরীক্ষা করেছেন, কী সমস্যায় পড়েছেন, ফলাফল কিসে প্রভাবিত হয়েছে। এর ভিত্তিতে পরের মৌসুমের হালনাগাদ পরিকল্পনা হয়েছে। আলোচনায় হিসাব রাখা, লাভ-ক্ষতির হিসাব, ঋণ পাওয়া ও বাজার সংযোগের কথাও এসেছে, কারণ ফলন বাড়লেই খামার লাভজনক হয় না।
অংশ নিয়েছে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, কেনিয়া এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড লাইভস্টক রিসার্চ অর্গানাইজেশন (KALRO), ওসিপি আফ্রিকা, সিরিয়াল গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন, বায়ার ইস্ট আফ্রিকা, এগ্রিকালচারাল ফাইন্যান্স করপোরেশন, কেনিয়া কৃষক ফেডারেশন, কেনিয়া কমার্শিয়াল ব্যাংক ও ওয়ান একর ফান্ড। বিজনেস মডেল ক্যানভাস দিয়ে দলগুলো দেখেছে, খেতভিত্তিক পরীক্ষার একটি সেবা কী দিতে পারে, খরচ কত আর কীভাবে টিকিয়ে রাখা যায়।
এপিএনআই জানিয়েছে, এই শিক্ষা কাজে লাগানো হবে নিজে চলতে পারে এমন, অন্যত্র অনুসরণযোগ্য একটি খেতভিত্তিক পরীক্ষা সেবা গড়তে।
ছবি: CIAT / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Global Agriculture





মন্তব্য
(০)