ভারতের মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলায় ইক্রিস্যাট (ICRISAT) ও অ্যামাজনের মাটি ও পানি সংরক্ষণ প্রকল্প প্রথম বছরে ৯৭টি পানি ব্যবস্থাপনা কাঠামো তৈরি করেছে। এতে আনুমানিক ৩ লাখ ২৮ হাজার ৯০০ ঘনমিটার পানি ধরে রাখার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে বলে ২১ অক্টোবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক শুষ্ক অঞ্চলের ফসল গবেষণা ইনস্টিটিউট।
‘ক্ষুদ্র কৃষকের কৃষি-খাদ্যব্যবস্থা বদলাতে পুনরুজ্জীবিত ভূদৃশ্য’ নামের উদ্যোগটি ১,৫০০ হেক্টর জুড়ে। এলাকাভিত্তিক, জনগোষ্ঠী-চালিত প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জমির অবক্ষয়, পানির সংকট আর ক্ষুদ্র কৃষকের ঝুঁকি মোকাবিলা এর লক্ষ্য। কাঠামোগুলোর মধ্যে আছে বাড়তি পানি নিষ্কাশন কাঠামো, খামার-পুকুর, পাকা জলাধার ও ছড়া খনন। এতে সংকটের সময় সেচ দেওয়া যায় এবং শুকনো মৌসুমেও একটি ফসল করা সম্ভব হয়।
গাছের স্বাস্থ্য, মাটির পুষ্টি প্রদর্শনী ও কৃষি-বনায়নের কাজ মিলিয়ে প্রকল্পটি সরাসরি প্রায় ৭০০ আদিবাসী কৃষক পরিবারের উপকারে এসেছে। ইক্রিস্যাট বলছে, আসন্ন রবি মৌসুমে এসব পরিবারের ফলন বাড়বে এবং পরিবারের আয় প্রায় ৮০ শতাংশ বাড়তে পারে; এটি প্রত্যাশা, মাপা ফল নয়।
৯ অক্টোবর আবিটগড় গ্রামে কৃষক দিবসে প্রথম বছরের এই অর্জন উদ্যাপন করা হয়। সেখানে ছিলেন শাহাপুর আসনের বিধায়ক দৌলত ভিকা দারোদা, পালঘর কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান ড. অমোল ভি. দাহিফালে ও কেন্দ্রের জুনিয়র কৃষিতত্ত্ববিদ ড. এস. এস. সাইয়িদ, ইক্রিস্যাটের বিজ্ঞানী, অ্যামাজনের কর্মকর্তা এবং কাজটি বাস্তবায়নকারী কৃষক পরিবারগুলো।
সূত্র: ইক্রিস্যাট




মন্তব্য
(০)