খাদ্য, পশুখাদ্য, তেল ও শিল্পে ব্যবহারের নতুন ফসল বাড়াতে চার গবেষণা প্রকল্পে ১৮ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (USDA)। অর্থ এসেছে বিভাগের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচারের (NIFA) সাপ্লিমেন্টাল অ্যান্ড অল্টারনেটিভ ক্রপস প্রতিযোগিতামূলক কর্মসূচি থেকে, ২০২৬ অর্থবছরের জন্য।
প্রকল্পগুলোর নেতৃত্বে আছে ক্যানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি (Kansas State University), নিউ ওয়েস্ট জেনেটিকস (New West Genetics Inc.), পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং টেক্সাস এঅ্যান্ডএম ইউনিভার্সিটি। প্রচলিত চাষ, জৈব চাষ কিংবা দুটোর মিশ্রণেই কাজ হতে পারবে।
দেশের একেক অঞ্চলের আবহাওয়া ও মাটি একেক রকম। তাই কোন ফসল কোথায় সফল হতে পারে, গবেষকেরা তা বের করছেন এবং স্থানীয় অবস্থার উপযোগী উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি তৈরি করছেন। ফসলের ফলাফল, বাজারের সুযোগ এবং চালু খামারে নতুন ফসল জুড়ে দেওয়ার উপায়ও দেখবেন তাঁরা।
কর্মসূচিতে গবেষণার সঙ্গে সম্প্রসারণের কাজও আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী, শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কৃষি পেশাজীবীদের এটি কৃষকের সঙ্গে যুক্ত করবে। উদ্দেশ্যের একটি হলো দরকারি তথ্য ও নতুন প্রযুক্তি দ্রুত কৃষকের হাতে পৌঁছানো, যাতে নতুন ফসল নেওয়ার সিদ্ধান্ত তথ্য দেখে নেওয়া যায়।
বাজারের চাহিদা বদল, আবহাওয়ার সমস্যা আর উৎপাদন খরচের চাপে থাকা কৃষকের জন্য বিকল্প ফসল আয়ের পথ বাড়ানোর সুযোগ। কৃষি বিভাগের মতে, এই বিনিয়োগ দেশের কৃষিকে শক্তিশালী করবে এবং খাদ্য, পশুখাদ্য ও নবায়নযোগ্য উপকরণের জোগান বাড়াবে। প্রকল্পের ফলাফল পাওয়া গেলে তা কৃষকদের কাছে পৌঁছাবে।
ছবি: NASA / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন), কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে ক্যানসাসের ফসলের মাঠ, ২০০১
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)