সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

৪০ বছরের ‘ফাই বট’ গাছের দাম সাড়ে ৫ লাখ টাকা

'গাছ লাগিয়ে যত্ন করি, সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি' এ স্লোগানকে সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে ১৫ দিনব্যাপী বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা। প্রতি বছরের মতো এবারও মেলার স্টলগুলো ভরে গেছে নানা প্রজাতির গাছে। তবে মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির ছোট ছোট গাছের চাহিদা থাকলেও সবার নজর কাড়ছে আদর্শ নার্সারির একটি

'গাছ লাগিয়ে যত্ন করি, সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি' এ স্লোগানকে সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে ১৫ দিনব্যাপী বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা। প্রতি বছরের মতো এবারও মেলার স্টলগুলো ভরে গেছে নানা প্রজাতির গাছে। তবে মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির ছোট ছোট গাছের চাহিদা থাকলেও সবার নজর কাড়ছে আদর্শ নার্সারির একটি বনসাই করা 'ফাই বট' গাছ। চল্লিশ বছরের বেশি বয়সী গাছটির দাম ধরা হয়েছে সাড়ে ৫ লাখ টাকা।

বুধবার (২ আগস্ট) দুপুরে নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যান মাঠে গিয়ে দেখা যায়, গাছটি দেখতে কম বেশি মানুষের ভিড় লেগেই আছে।

মেসার্স আদর্শ নার্সারির পরিচালক রুবেল খান জাগো নিউজকে বলেন, ১০ বছর আগে এই ফাই বট নামের বনসাই গাছটি আমরা ভারত থেকে আমদানি করেছি। এরপর থেকে আমাদের নার্সারিতেই রক্ষণাবেক্ষণ করছি। গাছটির বয়স চল্লিশ বছরেরও বেশি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গাছটি যে দেখে সেই মুগ্ধ হয়। গাছটির বিশেষত্ব হচ্ছে এটা যত দিন বাঁচবে একই রকম থাকবে। আর যত বয়স বাড়বে এটার সৌন্দর্য ততই বৃদ্ধি পাবে। গাছটি দেখতে এবং ছবি তুলতে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক আসছেন। কেউ কেউ গাছটি দেখে মেলায় আসা সার্থক হয়েছে বলেও জানান। গাছটি দেখে অনেকেই দাম বলেছেন। আশা করি শিগগির গাছটি বিক্রি হয়ে যাবে।

মেলায় ঘুরতে আসা শিক্ষার্থী শাম্মি আক্তার জানায়, মেলায় হাজার প্রজাতির গাছ দেখেছি, বিভিন্ন ধরনের বনসাই দেখেছি। কিন্তু এই বনসাইটি অন্য গাছগুলোর তুলনায় দেখতে একটু বেশিই সুন্দর। তাই গাছটির সঙ্গে বেশ কিছু ছবিও তুলেছি।

মেলার আরেক দর্শনার্থী ছাব্বির বলেন, গাছটি দেখতে হুবহু বিশালাকার বটগাছের মতো। আসলে গাছটি দেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে। কারণ গাছটির দাম হাঁকা হয়েছে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা। যা পুরোই সাধ্যের বাইরে। তবে গাছটি দেখতে অনেক সুন্দর।

মেলা ঘুরে দেখা যায়, বনসাই ছাড়াও মেলায় আছে বিভিন্ন প্রজাতির অর্কিড, মৌসুমি ফলজ-বনজ-ঔষধি, দেশি-বিদেশি ফুল, জৈব সার, আধুনিক সেচ পদ্ধতির যন্ত্রপাতিসহ অনেককিছু। এছাড়া প্রতিটি স্টলেই আছে নানা প্রজাতির ক্যাকটাস। পাশাপাশি ইনডোর প্ল্যান্ট ডেকোরেশনের জন্যও আছে ভিন্ন ভিন্ন বাহারি গাছ।

এছাড়া বৃক্ষমেলায় ছাদবাগানিদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির টবসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু। জৈব সার থেকে শুরু করে ছাদে গাছের স্বয়ংক্রিয় সেচের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর স্টলও আছে মেলায়। অফিস ডেস্ক ও বাড়ির আঙিনায় সবুজের ছোঁয়া রাখতে মেলায় পাওয়া যাচ্ছে টবসহ বিভিন্ন জাতের গাছ।

২৬ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ মেলা চলবে ৯ আগস্ট পর্যন্ত। রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করেও সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মেলায় দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের সমাগম আছে বলে জানান বিক্রেতারা।

মেলার তথ্য সেবা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তরা জানান, এ বছর মেলায় ৫০টি স্টলে বরিশালের বিভিন্ন এলাকার নার্সারি অংশ নেয়। মেলার স্টলগুলোর সাজসজ্জাতেও আছে দারুণ কারুশৈলী। স্টলগুলো দেখলে মনে হবে, দারুণ ছোট একটি বাগান। দুইপাশে সুন্দর সুন্দর গাছ, মাঝ দিয়ে হাঁটার জন্য রাস্তা।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

চলনবিলে কচুরিপানা মারতে আগাছানাশক, হুমকিতে মাছ-পাখি; কৃষি বিভাগ বলছে সার বানান

সিংড়াসহ চলনবিলের ৫-৬ হাজার হেক্টর জমিতে কচুরিপানায় রবি চাষ অনিশ্চিত; বিঘায় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ এড়াতে কৃষকদের একাংশ আগাছানাশক দিচ্ছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জলজ প্রাণী।

কৃষি সময়৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

গর্ভের শেষ মাসে বাড়তি গরমে অপরিণত জন্ম ১৮ শতাংশ বেশি, দেখাল রয়টার্সের বিশ্লেষণ

মেক্সিকোর ৮০ লাখের বেশি জন্মের ১৮ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে রয়টার্স দেখেছে, গর্ভকালের শেষ মাসে তাপমাত্রা বাড়তি থাকলে অপরিণত জন্ম ১৮ শতাংশ বাড়ে; অভ্যস্ত তাপমাত্রার চেয়ে ১ ডিগ্রি বেশিতেই ঝুঁকি।

প্রথম আলো৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ভারতে ৯ মাসের ৯২ শতাংশ দিনেই চরম আবহাওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর ফসল

সিএসই ও ডাউন টু আর্থের প্রতিবেদনে ৩ হাজার ২২০ জনের মৃত্যু ও ৪৭ হাজার ২৪৪ গবাদিপশু মারা যাওয়ার হিসাব; ফসলের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে।

ডাউন টু আর্থ৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)