সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°মেঘলাআর্দ্রতা ৬৯%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

শার্শা-বেনাপোলে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের হাতছানি

যশোরের শার্শা-বেনাপোলের দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে এখন শুধু সবুজের মায়াবী হাতছানি। বসন্তের দখিনা বাতাসে দুলছে কচি ধানের ডগা। সেই দোলায় লুকিয়ে আছে হাজারো কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। চৈত্রের তপ্ত দুপুরে সবুজ ধানক্ষেতের সতেজ ঘ্রাণ আর ঢেউ খেলানো দৃশ্য জানান দিচ্ছে, এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন কেবল সময়ের ব্যাপার। বৈশ্ব

যশোরের শার্শা-বেনাপোলের দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে এখন শুধু সবুজের মায়াবী হাতছানি। বসন্তের দখিনা বাতাসে দুলছে কচি ধানের ডগা। সেই দোলায় লুকিয়ে আছে হাজারো কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। চৈত্রের তপ্ত দুপুরে সবুজ ধানক্ষেতের সতেজ ঘ্রাণ আর ঢেউ খেলানো দৃশ্য জানান দিচ্ছে, এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন কেবল সময়ের ব্যাপার। বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও নিরবচ্ছিন্ন সেচ দিতে পারায় মাঠে মাঠে বোরো ধান ক্ষেতে এমন সবুজের সমারোহ ঘটেছে।

কৃষকেরা বলছেন, এবারের বোরো মৌসুমে এখনো পর্যন্ত সেচ নিয়ে তাদের কোনো দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়নি। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এবং চাহিদামতো ডিজেল প্রাপ্তি নিশ্চিত হওয়ায় তারা বোরো ক্ষেতে প্রয়োজনমতো সেচ দিতে পারছেন। বিদ্যুৎ এবং ডিজেলের ওপর তাদের সেচ কাজ নির্ভরশীল। বোরো ধান উৎপাদনের সাথে জড়িত শক্তিশালী এ দুটি উপকরণ নিরবচ্ছিন্ন হওয়ায় তাদের কোনো দুশ্চিন্তা হয়নি।

শার্শা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ২৩ হাজার ৪৩৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৩ হাজার ৪৩০ হেক্টর। যা গত মৌসুমের তুলনায় ২৪ হেক্টর বেশি। গত মৌসুমে ২৩ হাজার ৪১১ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছিল।

একদিকে চলছে বৈশ্বিক সংকট, অন্যদিকে গতবারের চেয়ে ২৪ হেক্টর বেশি জমিতে বোরো ধানের আবাদ হলেও সেচ নিয়ে কৃষকের কোনো দুশ্চিন্তা নেই। এখন লোডশেডিং হলেও কয়েকদিন আগেও কৃষকেরা পর্যাপ্ত বিদ্যুৎসেবা পেয়েছেন। আবার যেখানে ডিজেলচালিত মেশিনের ওপর সেচ নির্ভর; সেখানে কৃষকেরা পর্যাপ্ত ডিজেল পেয়েছেন। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ এবং ডিজেলের সমন্বয়ে কৃষক সুবিধামতো বোরো ধানে সেচ দিতে পেরেছেন।

শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া গ্রামের কৃষক মশিউর রহমান বলেন, 'এবার ১০ বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। এর মধ্যে সাত বিঘা জমি বিদ্যুৎচালিত পাম্পের ওপর এবং তিন বিঘা জমির সেচ ডিজেলচালিত মেশিনের ওপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ এবং ডিজেল কোনোটার ঘাটতি না হওয়ায় আমার সেচ কাজে কোনো সমস্যা হয়নি। কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যয়ন নিয়ে পাম্পে গেলে চাহিদামতো ডিজেল পেয়েছি।'

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (শার্শা জোনাল অফিস) দেবাশীষ কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, 'সংকটের মধ্যেও এবার সরকারের আন্তরিকতায় আমরা কৃষককে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা দিতে পেরেছি। যে কারণে এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে কৃষক পর্যায়ে কোনো ধরনের অভিযোগ আসেনি। এবার সুষ্ঠুভাবে বোরো মৌসুম সম্পন্ন হয়েছে।'

শার্শা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা বলেন, 'বোরো ধানের সেচ নিয়ে আমাদের কাছে এখনো পর্যন্ত কোনো কৃষক অভিযোগ করেননি। চাহিদামতো বিদ্যুতের পাশাপাশি ডিজেল পাওয়ায় বোরো ধানের সেচে কৃষকদের কোনো অসুবিধা হয়নি।'

তিনি বলেন, 'গত বছরের তুলনায় ২৪ হেক্টর বেশি জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। গত মৌসুমে ২৩ হাজার ৪১১ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছিল। এবার বোরো মৌসুমে ২৩ হাজার ৪৩৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। ফলনও খুব ভালো হয়েছে। এর মধ্যে ব্রিধান-৫০, ব্রিধান-৬৩ এবং রেড মিনিকেট জাতের চাষ বেশি হয়েছে।'

মো. জামাল হোসেন/এসইউ

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

মধ্যপ্রদেশের শালবনে আবার বোরার পোকা, কাটা হয়েছে ৪৫ হাজার গাছ

ভারতের মধ্যপ্রদেশের দিন্দোরিতে শালগাছের নিচে নতুন করাতগুঁড়া বলছে, শাল বোরার পোকার নতুন আক্রমণ শুরু হয়েছে; অথচ গত বছরের আক্রান্ত দেড় লাখ গাছ কাটার কাজ এখনো চলছে।

ডাউন টু আর্থ২ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু, অন্ধ্রে নারকেল-কলাচাষিদের ক্ষতি না কাটতেই নতুন শঙ্কা

ঘূর্ণিঝড় আর্নাবের এক সপ্তাহ না যেতেই ২-৩ নভেম্বর রাতে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়া নিয়ে অন্ধ্র প্রদেশের দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হানার পূর্বাভাস ছিল ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর।

ডাউন টু আর্থ২ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

কাশ্মীরে গবাদিপশু ও বন্যপ্রাণীর পথ মিলছে ৩৪ জায়গায়, খুরারোগের ঝুঁকি

জম্মু কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা মানচিত্র এঁকে দেখিয়েছেন, পশুপালকদের মৌসুমি পথ সংরক্ষিত এলাকার কাছ দিয়ে যাওয়ায় হাঙ্গুল, মারখোরের মতো বিরল বন্যপ্রাণীতে খুরারোগ ছড়ানোর ঝুঁকি আছে।

Mongabay India২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)