অপরিষ্কার জাবির লেক, আবাস সংকটে পরিযায়ী পাখি
শীতের বার্তা নিয়ে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আসতে শুরু করে পরিযায়ী পাখি। তবে আবাসন সংকটে সুদূর সাইবেরিয়ান অঞ্চল থেকে আসা ভিনদেশি এসব পাখির সংখ্যা প্রতিবারের তুলনায় অনেক কম।
শীতের বার্তা নিয়ে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আসতে শুরু করে পরিযায়ী পাখি। তবে আবাসন সংকটে সুদূর সাইবেরিয়ান অঞ্চল থেকে আসা ভিনদেশি এসব পাখির সংখ্যা প্রতিবারের তুলনায় অনেক কম।
শীত আসলেই দেশে পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটে। পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাস। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসেও এর ব্যতিক্রম ঘটে না।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ৮৩টি সাদাবক উদ্ধার করে ছেড়ে দিয়েছে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ। রোববার (১৭ অক্টোবর) সকালে উখিয়ার কুতুপালং বিলে বন বিভাগের উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ৭৭টি সাদাবক উদ্ধার করা হয়।
ভোলায় অসুস্থ একটি ঈগল পাখি প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ। পাখিটি রোববার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলার চর মানিকা ইউনিয়নের গভীর কেওড়া বাগানে অবমুক্ত করা হয় বলে নিশ্চিত করেন লালমোহন উপজেলার বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আশিষ কুমার দে।
সিলেটের খোজার খালা এলাকায় এক ব্যক্তি বিলুপ্তপ্রায় একটি ডাহুক পাখি বিক্রির জন্য বেঁধে রাখেন। পাখিটি মুক্ত হতে বারবার রশির বাঁধ খোলার জন্য ঠোঁট দিয়ে চেষ্টা করছিল। এ দৃশ্য দেখেন সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির আইনবিভাগের ছাত্রী প্রিয়েতেনিয়া পিয়া।
অসুস্থ একটি ভুবন চিল উদ্ধার করে বগুড়ার স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠন পরিবেশ উন্নয়ন পরিবার। গত ১৬ জুলাই বগুড়ার সোনাতলার দড়িহাসরাজ গ্রামের সাতবিলের তীর থেকে পাখিটি উদ্ধার করা হয়। পাখিটি উদ্ধার করে পরিবেশ উন্নয়ন পরিবারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে পাখিটি অবমুক্ত করা হয়।
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর পদ্মার চরে খাবারের খোঁজে আশ্রয় নেয়া কয়েক হাজার দেশি-বিদেশি পাখিকে ফাঁদে আটকিয়েছিল একদল শিকারি। খাঁচায় ভরে পাখিগুলো বিক্রিই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। তবে বিষয়টি টের পেয়ে আটক পাখিগুলোকে আবারও আকাশে মুক্ত করে দিয়েছেন সৈকত খান নামে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতা। এতে শেষ পর্যন্ত রক্ষা পেয়েছে পাখি
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, 'প্রতিবছর শীত মৌসুমে সুদূর সাইবেরিয়া এবং ইউরোপ থেকে বাঁচার তাগিদে বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এসে আমাদের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করছে। এসকল পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণে সরকারের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে পাখি নিধন কমেছে। পাখি নিধন পু
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার হোটেলগুলোতে বেশি টাকা দিলেই মেলে পরিযায়ী পাখির মাংস। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বেড়াতে আসা পর্যটকরা হোটেলে দুপুর কিংবা রাতের খাবার খেতে গেলে সেখানে বিশেষ খাবারের আইটেম হিসেবে দেখানো হয় অতিথির পাখির মাংস। শুধু তাই নয়, টাঙ্গুয়ার হাওরে যাওয়ার আগে ফোন করেও এইসব পাখির মাংস অগ্
শীত এলেই মৌলভীবাজারের বাইক্কাবিলে একটু উষ্ণতার জন্য আসে হাজারো পরিযায়ী পাখি। পাখিপ্রেমী আর দর্শনাথীদের প্রিয় জায়গা হয়ে ওঠে সংরক্ষিত এই জলাধার। পিয়ং, গিরি, বেলে, পাতি, পান সরালি, ধূসর, লালচে বক, রাজ সরালি, ফুলুরি, লেনজা হাঁস, পলাশি ফিস ঈগল, ভুবন চিল, নল ফুটকিসহ প্রায় ৫০ প্রজাতির পাখি এসেছে বিলের জলে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার কেউটান গ্রাম। গ্রামের ঠিক মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে কুলিক নদী। নদীর ধরে নানা প্রজাতির গাছ-গাছালি। সব গাছ ছাড়িয়ে একটি শিমুল গাছ প্রকৃতিতে যেন নতুন শোভাবর্ধন করেছে।
শীতপ্রধান দেশ থেকে রাঙ্গাবালীতে এসেছে রং-বেরঙের নানা প্রজাতির পাখি। এসব পাখি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনই আকর্ষণীয় তাদের খুনসুটি। শুধু শীত এলেই দেখা মিলে এদের। সোনার চর ও জাহাজ মারা সমুদ্র সৈকতে এখন পাখির নীড়ে পরিণত হয়েছে।
দেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তের জীববৈচিত্র সমৃদ্ধ সবচেয়ে বড় জলাভূমি বিশ্বের অন্যতম রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওরে এবার অতিথি পাখি কম এসেছে। কয়েক বছর আগেও পরিযায়ী পাখির কলকাকলি আর ডানা ঝাপটানোর শব্দে মুখরিত থাকত টাঙ্গুয়ার হাওর। মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশের এই হাওরে এবার শীতের কনকনে হাওয়া বইলেও অতিথি পাখির ভিড় কম