সার্কাসের হাতির আক্রমণে প্রাণ গেলো শিশুর
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে সার্কাসের হাতির আক্রমণে মোসাব্বির (১২) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে সার্কাসের হাতির আক্রমণে মোসাব্বির (১২) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে।
কয়েক বছর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চোরাই পথে আসতো প্যাকলোবিউট্রাজল (কালটার)। প্যাকলোবিউট্রাজল উদ্ভিদের এক ধরনের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক রাসায়নিক। তবে বর্তমানে এটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এতে দেশের বিভিন্ন কীটনাশক কোম্পানিগুলো এটি উৎপাদন করে বিক্রি করছেন বাজারে। আর এতেই বেঁধেছে বিপত্তি।
আব্দুল জব্বার পেশায় একজন কলেজশিক্ষক। তবে আমের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েক যুগ ধরে। গত ৫-৬ বছর থেকে আম ব্যবসায় লোকশান গুনছিলেন তিনি। তাই জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ফজলি আমের বাগান কেটে আনারসের চাষ শুরু করেছেন তিনি।
চলতি বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ৩৭৬ মেট্রিক টনের বেশি আম রপ্তানি হয়েছে। এতে করে লোকসান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখবে চাষিরা।
সম্প্রতি জিআই সনদ (ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি) প্রাপ্ত আশ্বিনা আম বিক্রি হচ্ছে ১২-১৫ হাজার টাকা মণ। এতেও উৎপাদন খরচ উঠছে না বলে দাবি চাষিদের।
>> চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমে জিআই ট্যাগ নেই>> একই দামে বিক্রি হচ্ছে এ জেলার আম
জার্মানির অত্যাধুনিক পদ্ধতির হিমাগার স্থাপন করা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে। এতে কাঁচা আম সংরক্ষণ করা যাবে ২০-২৫ দিন পর্যন্ত। এরইমধ্যে এখানে আম রেখে লাভবান হয়েছেন হিমাগার কর্তৃপক্ষ। সাধারণ আম চাষিদের জন্যও এই সুবিধা রাখা হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাষিদের জিম্মি করে ৫২-৫৪ কেজিতে মণ ধরে আম কিনছেন আড়তদাররা। সে হিসাবে এ জেলার উৎপাদিত আমের ৫ ভাগের একভাগ আম ফ্রি দিতে হচ্ছে চাষিদের। আর এই একভাগ আমের আনুমানিক মূল্য ৫০০ কোটি টাকা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে একই মাদরাসার দুই শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৬ আগস্ট) দিনগত রাতে উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের জিনারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সম্প্রতি জিআই সনদ (ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি) পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম। তবে চলতি বছরই আশ্বিনা আম বিক্রি করে উৎপাদন খরচ উঠছে না চাষিদের। এতে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আম্রপালিসহ বিভিন্ন নাবি জাতের আমের দাপটে দরপতন হয়েছে আশ্বিনার।
আমের জন্য বিখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এ জেলার সুস্বাদু আম দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও রপ্তানি হয়েছে বহুবার। সবশেষ মঙ্গলবার (১ আগস্ট) বিকেলে এক মেট্রিক টন গৌরমতি আম সুইডেনে রপ্তানির জন্য পাঠানো হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সবচেয়ে বড় আম বাজার কানসাটে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে বারি-৭ জাতের আম। প্রতি মণ আম বিক্রি হচ্ছে সাড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকায়। যা গত বছর ছিল প্রায় সাড়ে ৭ হাজার। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, চলতি মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বারি-৭ জাতের আমের দাম সবচেয়ে বেশি।
দেশের সবচেয়ে বড় আমের বাজার বসে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে। আর এই জেলার আমের সুনাম রয়েছে দেশজুড়েই। তবে এবার ঘটছে ভিন্ন ঘটনা। এই খ্যাতি কাজে লাগিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার আম নিয়ে এসে এই বাজারে বিক্রি করছেন বেশ কিছু ব্যবসায়ী। আর এসব আম কিনে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।