কোয়েল পালন করবেন কেন?
কোয়েল একটি লাভজনক পোল্ট্রি। পোল্ট্রিতে যে এগারোটি প্রজাতি রয়েছে, তার মধ্যে কোয়েল ছোট আকারের পোষা পাখি। হাঁস-মুররি পালনের মতো ব্যাপক পরিচিত না হলেও কোয়েল পালন বর্তমানে দেশে যথেষ
কোয়েল একটি লাভজনক পোল্ট্রি। পোল্ট্রিতে যে এগারোটি প্রজাতি রয়েছে, তার মধ্যে কোয়েল ছোট আকারের পোষা পাখি। হাঁস-মুররি পালনের মতো ব্যাপক পরিচিত না হলেও কোয়েল পালন বর্তমানে দেশে যথেষ
ভোরের আলো ফোটার আগেই হাজারো পাখির আনাগোনা। পাখির কলকাকলিতে ঘুম ভাঙে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের মধ্য জয়পুর গ্রামের মানুষের। এ গ্রামীণ জনপদে জনেশ্বর দিঘিতে দলবেঁধে পাখি আসে। পাখির কিচিরমিচির ডাক আর ওড়াউড়ির নয়নাভিরাম দৃশ্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা।
শীত শুরু হলেই দলবেঁধে চলে আসে তারা। কলতানে মাতিয়ে তোলে চারপাশ। যা দেখতে ভিড় করে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা মানুষ। বলছি ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার রামরাই দীঘির কথা, যেখানে প্রতিবছর শীতে আসে একঝাঁক পরিযায়ী পাখি। বাহারী পাখিদের নিয়ে এবারো পুরো দিঘি সেজেছে নতুন সাজে। পরিযায়ী এসব পাখিদের নিরাপত্তার
প্রাণী-জীববৈচিত্র্যের অন্যতম আধার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২৬টি অবকাঠামো নির্মাণ হচ্ছে। এতে কাটা পড়েছে প্রায় এক হাজার গাছ। আবাসস্থল হারিয়েছে অসংখ্য পাখি ও প্রাণী। সুউচ্চ ভবনগুলোতে ধাক্কা লেগে অনেক পাখি মারাও যাচ্ছে। 'অপরিকল্পিত' গাছ কাটার ফলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের
বেকারত্ব দূর ও কর্মস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বর্তমানে নতুন নতুন উদ্যোক্তা ও খামারির উদ্ভব ঘটেছে। এতে শ্রম ও ঘাম দিয়ে সফল হচ্ছেন অনেকেই। তেমনই একজন যুবক রাজবাড়ীর সদর উপজেলার শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের রাজু আহম্মেদ রুবেল।
নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস, ইচ্ছা, ধৈর্য আর চেষ্টা থাকলে অনেকভাবেই আয় করা যায়। এমনই এক দৃষ্টান্তমূলক কাজ করেছেন চুন্নু নামের এক যুবক। কোয়েল পাখির খামার দিয়ে তা বিক্রি করে তিনি এলা
পাখি সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছরের মতো এবারও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী 'পাখিমেলা'।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে কোয়েল পাখির খামার গড়ে উঠেছে। অনেকটা শখের বশেই বাড়িতে কোয়েল পাখি পালন শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মাহাবুবুল আলম
লাইভস্টকমাগুরা সদর উপজেলার নালিয়ারডাঙ্গি গ্রামে কোয়েল পাখির খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন রেজাউল ইসলাম মন্টু। তার খামারের ডিম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের নানা জায়গায় যায়, আর আড়াই একরের খামারে কাজ পেয়েছেন গ্রামের ১৪-১৫ জন যুবক।
কুমিল্লায় কোয়েল পাখি পালনে স্বাবলম্বী হচ্ছেন তরুণরা। দিন দিন এ সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মতে, কোয়েল পাখি পালনে মনোযোগী হলে তরুণরা বেকারত্ব ঘোচাতে পারে। এখ
কুড়িগ্রামে প্রায় পাঁচ বছর ধরে নিয়মিত পাখিদের খাবার খাওয়ান ফজলুল হক (৪৫)। মাত্র ১০ মিনিটের জন্য তার বাড়িতে বসে পাখির মেলা। প্রতিদিন সকালে কমলা, রুটি, চাল ও চানাচুর মিশ্রিত খাবার দিতে হয় পাখিদের। নানান জাত ও বর্ণের পাখির ক্ষুধা মেটাতে প্রস্তুত থাকেন ফজলুল। পাখির খাবার খাওয়ানোর এমন দৃশ্য দেখতে লোকজনও
ফরিদপুরে ভিনদেশি পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় তৈরিতে 'গাছে-গাছে মাটির হাঁড়ি' স্থাপন করে বাসা তৈরির মাধ্যমে এক ব্যতিক্রমী কর্মসূচি পালন করেছে জেলা ছাত্রদল।
দিনাজপুরের পার্বতীপুরের প্রত্যন্ত গ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে মিনি চিড়িয়াখানা। যেখানে পশু-পাখি ও শিশুদের খেলনাসহ রয়েছে সেলফি বুথ।