সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৪ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬১%বাতাস ১২ কিমি/ঘ

পরিযায়ী পাখিতে মুগ্ধ লক্ষ্মীপুর

ভোরের আলো ফোটার আগেই হাজারো পাখির আনাগোনা। পাখির কলকাকলিতে ঘুম ভাঙে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের মধ্য জয়পুর গ্রামের মানুষের। এ গ্রামীণ জনপদে জনেশ্বর দিঘিতে দলবেঁধে পাখি আসে। পাখির কিচিরমিচির ডাক আর ওড়াউড়ির নয়নাভিরাম দৃশ্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা।

ভোরের আলো ফোটার আগেই হাজারো পাখির আনাগোনা। পাখির কলকাকলিতে ঘুম ভাঙে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের মধ্য জয়পুর গ্রামের মানুষের। এ গ্রামীণ জনপদে জনেশ্বর দিঘিতে দলবেঁধে পাখি আসে। পাখির কিচিরমিচির ডাক আর ওড়াউড়ির নয়নাভিরাম দৃশ্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা।

দিনভর দিঘিতে পাতানো বাঁশের ওপর বিশ্রাম শেষে সন্ধ্যায় ফের উড়াল দেয় আশ্রয়-খাবারের খোঁজে। শীত মৌসুমে ৮ বছর ধরে একইভাবে পাখির বিচরণ এ দিঘিতে। এটি পাতি সরালি হাঁস নামেই অধিক পরিচিত। তবে স্থানীয়দের কাছে এটি পরিযায়ী পাখি। পাখিগুলো রক্ষায় গ্রামের সব শ্রেণিপেশার মানুষ সচেতন।

জেলা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার পূর্বে জনেশ্বর দিঘির পাড়ে গিয়ে দেখা যায়, ১৮০০ সালের দিকে জমিদার জনেশ্বরের নামে প্রায় ২ একর জমিতে দিঘিটি খনন করা হয়। শীত মৌসুমে ৮ বছর ধরেই পাখির দেখা মেলে এ দিঘিতে। দিনভর পাতি সরালির বিচরণ। নজর কাড়ার মতো অপরূপ দৃশ্য।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন বিপুল মানুষ পাখিগুলো দেখতে আসেন। মোবাইল ফোন সেটে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। সেলফি তোলেন। অনেকে প্রিয়জনদের নিয়ে দিঘির পাড়ে ঘুরে সময় কাটান।

জানা যায়, পাতি সরালি স্বভাবে নিশাচর। রাতে খাবারের সন্ধানে চরে বেড়ায়। এ ছাড়া দিনে জলমগ্ন ধানক্ষেত ও বড় জলাশয়ের আশেপাশে দলবদ্ধভাবে বিচরণ করে। এরা গাছের ডালে চড়ে বসতে পারে। আবার কখনো কখনো গাছের গর্তে বাসা করে। দেহ বাদামি ও গলা লম্বা। ডানা যথেষ্ট চওড়া। ওড়ার সময় শিষের মতো শব্দ করে। বড় সরালির মতো লেজের গোড়া হালকা নয়, খয়েরি রঙের।

আরও পড়ুন

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'মানুষ যখন ফজরের নামাজ পড়তে ওঠে। তখন পাখিগুলো আসতে শুরু করে। মূলত পাখিগুলোর কলকাকলিতে গ্রামের মানুষের ঘুম ভাঙে।'

শহীদ আহমেদ ও মো. সেকান্তর জানান, পাখিগুলো নেশাচর প্রকৃতির। সারারাত খাবার খেয়ে ভোরে সূর্য ওঠার আগে এ দিঘিতে জড়ো হয়। সারাদিন তারা এখানেই থাকে। আশপাশের কেউই কখনো তাদের কোনো ক্ষতি করে না। পাখিগুলোকে রক্ষার জন্য সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

দিঘিটির ইজারাদার গোপাল দাস বলেন, 'দিঘিতে মাছ চাষ করা হয়। কয়েক বছর ধরে পাখিগুলো এখানে এসে বিশ্রাম নেয়। এতে আমি পুরো দিঘিতে বাঁশ ভাসিয়ে তাদের বিশ্রামের ব্যবস্থা করেছি। এ ছাড়া পানিতে মাছের জন্য ভাসমান খাবার দেওয়া হলে পাখিও খায়।'

মধ্য জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কৃষ্ণ চন্দ্র দে বলেন, 'পাখিগুলোর কেউ কোনো ক্ষতি করে না। এজন্য অবাধে বিচরণ করতে পারে। পাখিগুলো রক্ষায় এখানে সবাই খুবই সচেতন।'

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) রাজীব কুমার সরকার বলেন, 'দিঘিটিতে পাখির সমাগম দেখেছি। এটি নান্দনিক দৃশ্য। প্রতি বছর পাখিরা এখানে আসে। যদি পাখিদের সমাগম আরও সুরক্ষিত এবং অভয়ারণ্য করা যায়, তাহলে পাখির সংখ্যা বাড়বে। পাশাপাশি দিঘিটির সংস্কার নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে।'

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

অসম থেকে বক্সায় ফিরল বাঘিনি ‘ডুয়ার্সের রানি’, ঘুমপাড়ানি গুলিতে ধরা হয় রাইমোনায়

বিহার থেকে আনা যে বাঘিনি বক্সা ছেড়ে অসমের রাইমোনা জঙ্গলে চলে গিয়েছিল, তিন ঘণ্টার অভিযানে ঘুমপাড়ানি গুলি করে তাকে মঙ্গলবার রাতে বক্সা টাইগার রিজার্ভের এনক্লোজারে ফেরানো হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

চট্টগ্রামের সদরঘাটে জাহাজের পাশে ডানা ঝাপটায় অসংখ্য কবুতর

জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানো-নামানোর ব্যস্ততার মধ্যে চট্টগ্রামের সদরঘাটে কবুতরের ঝাঁকের ওড়াউড়ি। প্রথম আলোর আলোকচিত্রী জুয়েল শীলের ছবির গল্প।

প্রথম আলো৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

কুয়াশা আর ধুলা ভেদ করে টকটকে লাল সূর্য, নদীতে জেলের নৌকা

প্রথম আলোর আলোকচিত্রী সুপ্রিয় চাকমার ক্যামেরায় ঘন কুয়াশা ও বাতাসের ধুলার স্তর ভেদ করে ওঠা গাঢ় লাল সূর্য এবং নদীর পানিতে তার প্রতিবিম্ব।

প্রথম আলো৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)