শরীয়তপুরে তরুণ শিক্ষার্থীর বাণিজ্যিক ছাদকৃষি
লেখাপড়ার পাশাপাশি আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উপায় হিসাবে ছাদকৃষিকে বেছে নিয়েছেন শরীয়তপুরের এক তরুণ শিক্ষার্থী। দেশ-বিদেশের শত শত রকমের ফুলের চারা বিক্রি করে বছরে আয় করছেন লাখ টাকা।
লেখাপড়ার পাশাপাশি আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উপায় হিসাবে ছাদকৃষিকে বেছে নিয়েছেন শরীয়তপুরের এক তরুণ শিক্ষার্থী। দেশ-বিদেশের শত শত রকমের ফুলের চারা বিক্রি করে বছরে আয় করছেন লাখ টাকা।
ছাদকৃষিমুফতি ড. মুহাম্মদ মনযুরুল ইসলাম সিদ্দিকীর উদ্যোগে মানিকগঞ্জের জামিয়া আরাবিয়া সিদ্দিকীয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার ২৪ হাজার বর্গফুটের ছাদে গড়ে উঠেছে এক বিশাল ছাদকৃষি। এখানে বিভিন্ন ধরনের ফলগাছ এবং সবুজ বনায়নের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ধর্মীয় চেতনার সঙ্গে প্রকৃতির সান্নিধ্যে থেকে বাস্তবমুখী কৃষি শিক্ষা
উপুর্যপুরি বন্যায় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমনের ফলনসহ, শাক-সবজি ও অন্যান্য ফল-ফসলের। এ ক্ষয়ক্ষতি স্থানীয় মানুষদের খাদ্য চাহিদা পূরণে যেমন ঘাটতি ফেলবে, আশঙ্কা আছে জাতীয় পর্যায়েও রাখবে ক্ষতিকর প্রভাব। সংকটের কথা ভেবে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
হৃদয়ে মাটি ও মানুষবাজারে সবজির দাম আকাশচুম্বী, কিন্তু কৃষকের পকেটে কি তার সঠিক হিসাব পৌঁছাচ্ছে? শাইখ সিরাজের এই প্রতিবেদনটি তুলে ধরছে মানিকগঞ্জের কৃষক আমজাদ হোসেন এবং অন্যান্য কৃষকদের অভিজ্ঞতা। কঠোর পরিশ্রমের পরও কৃষকরা মাঝের মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের কারণে তাদের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। খাদ্য নিরাপত্তা এবং স্বচ্ছ
হৃদয়ে মাটি ও মানুষশেখ সাদীর অনুপ্রেরণায় মানিকগঞ্জে গড়ে উঠেছে ৩০০ বিঘা জমির এক বিশাল কৃষি রিসোর্ট। দেশি-বিদেশি ফলের বাগান, মাছের চাষ, হাঁসের খামার এবং নান্দনিক ল্যান্ডস্কেপিং সহ শহরের কর্মব্যস্ত মানুষকে প্রকৃতির সান্নিধ্যে নিয়ে আসার একটি বিশেষ উদ্যোগ এটি। একদিকে খাদ্য উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ, অন্যদিকে পর্যটনের মা
দেশে প্রসারিত হচ্ছে কৃষি পর্যটন খাত। উন্নত বিশ্বের ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশেও বিকাশ হচ্ছে ফ্যামিলি ফার্মের ধারনা। শহর-নগরের মানুষের অবসর যাপন এবং আদি পেশা কৃষির সান্নিধ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছেন এক উদ্যোক্তা। তিনি ঢাকার অদূরে মানিকগঞ্জে গড়ে তুলছেন কৃষিভিত্তিক পর্যটন ব্যবস্থাপনা।
ছাদকৃষিছাদকৃষির মাধ্যমে নাগরিক জীবনে সবুজের ছোঁয়া
ছাদকৃষি এখন সবখানেই মিলছে। নগর, মহানগর থেকে গ্রাম যেখানে ভবন সেখানেই কমবেশি মিলছে ছাদকৃষির দেখা। গণমাধ্যমের অব্যাহত প্রচার আর কৃষির প্রতি ভালোবাসা থেকে অনেকেই সবুজের এই কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। এমনি দৃষ্টান্ত মিলল মানিকগঞ্জের এক মাদরাসার ছাদে।
হৃদয়ে মাটি ও মানুষচিড়াকুটি পাড়ার ঢেঁকিছাটা সুগন্ধি চিড়ার গল্প নিয়ে আবারও ফিরে এসেছি কুড়ি বছর পর। দিনাজপুরের কাটারিভোগ ধানে তৈরি এই চিড়া ছিল চিড়াকুটি পাড়ার মানুষের ঐতিহ্য, যন্ত্রের আগমনে যা এখন প্রায় বিলুপ্ত। ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে এই পাড়ার মানুষদের সংগ্রাম, আবেগ এবং জীবনের রঙিন অধ্যায়গুলো তুলে ধরছি আমাদের আজকের প্রতি
ছাদকৃষিঢাকার নাখালপাড়ার স্কুল শিক্ষিকা নেক পারভীন শিমুল তিন দশক ধরে শহরের কোলাহলময় পরিবেশেও নিজের ছাদে গড়ে তুলেছেন একটি সবুজ কৃষিজ স্নিগ্ধতা। ফল-ফসলের সাথে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক তাঁকে গ্রামীণ জীবনের কথা মনে করিয়ে দেয় এবং নগর জীবনের দুঃসহ কোলাহল ও দূষণ থেকে দূরে রাখে। সীম, বেগুন, পেঁপে, মরিচসহ নানা সবজি এবং ফল
জলবায়ু পরিবর্তন, ফসল সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনার অভাব, নেই শস্যবীমার আওতায়। তারপরও কৃষক টিকে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছেন নিরন্তর। নানা কৌশলে যুক্ত আছেন খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে। কৃষক বলছেন, পণ্যের বাজারে কৃষকের কার্যকর অবস্থান নিশ্চিত করতে পারলে কৃষক যেমন লাভবান হবেন, লাভবান হবেন ভোক্তা।
আর্কাইভ রিপোর্টমানিকগঞ্জ থেকে ঢাকা: কাঁচা মরিচের মূল্য ব্যবধান দ্বিগুণ | আর্কাইভ ২০০৭ | রিপোর্ট |
নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি এবং নিজ আবাসনের পরিবেশে সবুজকে ধরে রেখে সুস্থ থাকতে পারাটা এখন নগরবাসীর কাছে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। এই পরিস্থিতিতে ভবন মালিকদের পাশাপাশি ফ্ল্যাট মালিকদের ছাদকৃষিতে অংশ নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে পারলে ছাদকৃষি আরো দ্রুত সম্প্রসারণ হওয়া সম্ভব।