হৃদয়ে মাটি ও মানুষবস্তা পদ্ধতিতে আদা চাষ সাফল্য
বস্তা পদ্ধতিকে আদা চাষ সাফল্য
হৃদয়ে মাটি ও মানুষবস্তা পদ্ধতিকে আদা চাষ সাফল্য
সারাদেশের মতো রংপুর বিভাগীয় শহরেও দ্রুত বাড়ছে ছাদকৃষি। একজনের দেখাদেখি অনুপ্রাণিত হয়ে ঘরোয়া ফসল উৎপাদনে যুক্ত হচ্ছেন আরেকজন। তবে নতুন উদ্যোক্তাদের কাছে ফসলের রোগবালাই প্রতিরোধ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা বলছেন, এ বিষয়ে প্রয়োজন প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির নানা কার্যক্রম।
কোয়েলের মাংস। মানবদেহের রোগ প্রতিরোধী গুণ থাকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আছে এর জনপ্রিয়তা। গবেষণা বলছে, বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ছাড়াও এতে আছে আয়রন ও ক্যালসিয়াম।
ছাদকৃষিমিরপুরের লাকী রহমান ছাদকৃষির মাধ্যমে বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদন করছেন। একসময় শখের বশে শুরু করা সবুজায়ন এখন তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অল্প জায়গায় পরিকল্পিত এই ছাদকৃষিতে তিনি ফল, সবজি, আর অরগানিক ফসল উৎপাদন করছেন, যা তার পরিবারের খাদ্য চাহিদার বড় অংশই পূরণ করছে। এই উদ্যোগ শুধু তার নিজের নয়, বরং পরিবেশের জ
দেশের চাহিদা পূরণে প্রতি বছর প্রায় এক থেকে দেড় লাখ মেট্রিক টন আদা আমদানি করতে হয়। অথচ খুব সহজে আদা চাষ করে লাভবান হওয়া যায়, কমানো যায় আমদানি নির্ভরতা। দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বস্তা পদ্ধতিতে আদা চাষ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরও ব্যাপক আকারে আদার চাষ সম্প্রসারিত হলে নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও রপ্তানির সু
নিজ ভবনে সবুজের সন্নিবেশ ঘটানোর পাশাপাশি নিরাপদ ফসলের প্রত্যাশায় রাজধানীর মিরপুরে ছাদকৃষি গড়েছেন লাকী রহমান। তার কাছে ছাদকৃষির আয়োজনটি একাকীত্ম দূরীকরণেরও মূল জায়গা হয়ে উঠেছে।
হৃদয়ে মাটি ও মানুষসাভারের কাইয়ূমের সমন্বিত প্রাণিসম্পদ খামার
ছাদকৃষি১০ তলার উপরে ১৬ হাজার ৫৭৯ বর্গফুটের ছাদে বিস্তৃত সবুজের সাম্রাজ্য। রংপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুরুজ সরকারের উদ্যোগে ছাদকৃষি শুধুমাত্র একটি শখ নয়, এটি পরিবেশ এবং কর্মপরিবেশের জন্য এক অনন্য উদাহরণ। কীভাবে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা তার ব্যস্ত সময়ের ভেতরেও কৃষির প্রতি ভালোবাসা দিয়ে ছাদে ফল-ফসল
সারাদেশেই নগরজীবনে সবুজের ঘাটতি দূরীকরণ, নিরাপদ খাদ্য আর মানসিক প্রশান্তি সৃষ্টির উৎস হয়ে উঠছে ছাদকৃষি। এই তালিকায় এবার যুক্ত হলো রংপুরের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন। ১০ তলা ভবনের বিশালাকার ছাদকে সাজানো হয়েছে মাঠের ফসলের আদলে।
হৃদয়ে মাটি ও মানুষনবান্ন উৎসবের গল্প | কৃষক বাড়ির ঐতিহ্য
ছাদকৃষিলেখাপড়ার পাশাপাশি আত্মনির্ভরশীর হওয়ার উপায় হিসাবে ছাদকৃষিকে বেছে নিয়েছেন শরীয়তপুরের এক তরুণ শিক্ষার্থী। দেশ-বিদেশের শত শত রকমের ফুলের চারা বিক্রি করে বছরে আয় করছেন লাখ টাকা। বিস্তারিত জানাচ্ছেন শাইখ সিরাজ।
ছাদকৃষিশহরের সবুজায়ন রক্ষায় ছাদকৃষির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ধানমন্ডির জিয়া মাহমুদ ও তার স্ত্রী ফিরোজা হোসেন এমি। ২৭০০ বর্গফুটের এই ছাদে তারা গড়ে তুলেছেন ফুল, ফল এবং ফসলের সমন্বয়ে একটি সবুজ বাগান। পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় তাদের এই উদ্যোগ প্রতিটি শহুরে নাগরিকের জন্য অনুপ্রেরণা।
আজ পয়লা অগ্রহায়ণ। গ্রাম বাংলা, এমনকি শহর অঞ্চলেও আয়োজন করা হয়েছে নবান্ন উৎসবের। নতুন চালের পিঠাপুলীর ধুম আর গানবাদ্যে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে সমৃদ্ধিকে।