বনানীর সাবিহা আহমেদের ছাদকৃষি
রাজধানীর বনানীতে আটতলা ভবনের ছাদে মনোরম ছাদকৃষি গড়ে তুলেছেন সাবিহা আহমেদ। দৃষ্টিনন্দন ফুল আর নানারকমের ফলের সম্ভারে দারুণ প্রশান্তি খুঁজে নিয়েছেন তিনি।
রাজধানীর বনানীতে আটতলা ভবনের ছাদে মনোরম ছাদকৃষি গড়ে তুলেছেন সাবিহা আহমেদ। দৃষ্টিনন্দন ফুল আর নানারকমের ফলের সম্ভারে দারুণ প্রশান্তি খুঁজে নিয়েছেন তিনি।
পবিত্র রমজানের বাকি মাত্র দুই মাস। এই সময়ের মধ্যেই বারান্দা, ছাদ বা এক টুকরো খোলা জায়গায় ফলানো সম্ভব সবুজ সতেজ সবজি ও সালাদ জাতীয় উদ্ভিদ। রমজানের চাহিদাকে মাথায় রেখে যে কেউই নিতে পারেন এ উদ্যোগ।
ধানমন্ডির লেকপাড়ে কৃষি আর শৌখিনতার সমন্বয়ে অপরূপ সাজে নিজের বাসভবন সাজিয়েছেন ডাক্তার ফেরদৌস আরা। ফুল-ফল, ফসল আর পাখ-পাখালির এক কলকাকলি গড়ে তুলেছেন তিনি।
ছাদকৃষিতে জৈব পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ছে। ছাদে শান্তস্নিগ্ধ পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি বিষমুক্ত ফল ও ফসল উৎপাদনে আগ্রহী হচ্ছেন উদ্যোক্তা। ফল ফসলের রোগবালাই দমন থেকে শুরু করে সব বিষয়ে তারা রপ্ত করছেন অভিজ্ঞতা ও কৌশল।
রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস-এ ছাদ কৃষিতে ফল ও সবজির বড় একটি সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছেন মীর শাহিদুল ইসলাম। সেখান থেকেই পারিবারিক চাহিদা আর মনের খোরাক পূরণের পাশাপাশি নানান জাতের ফল ফসল নিয়ে চলছে সফল পরীক্ষা নিরীক্ষা।
মানসিক অবসাদের পাশাপাশি শারীরিক প্রতিবন্ধকতার ভেতরেও এক স্বর্গীয় সুখের সন্ধান দিতে পারে ছাদকৃষি। রাজধানীর লালমাটিয়ায় রাহেলা হালিমের ১৬ বছরের ছাদকৃষি জানান দিচ্ছে সেকথা।
অবসর জীবনে বিনোদনের এক মনোরম ক্ষেত্র হতে পারে ছাদকৃষি। দীর্ঘ পেশাজীবন শেষে ছাদকৃষিতে যুক্ত হয়ে নতুন এক কর্মক্ষেত্রের সন্ধান পাচ্ছেন অনেকেই। তাদেরই একজন রাজধানীর শ্যামলীর লুৎফর রহমান।
রাজশাহী মহানগরীর উপশহর এলাকায় দশ বছর ধরে ছাদকৃষি করছেন তরুণ এক উদ্যানতত্ত্ববিদ। বাসভবনের ভেতরে ও ছাদে চেনা অচেনা নানান গাছগাছালির পসরা সাজিয়েছেন তিনি। শখে শুরু করলেও তার এই উদ্যোগ বাণিজ্যিকভাবে হয়ে উঠেছে লাভজনক।
কৃষি সচিবের সরকারি বাসভবনের ছাদে চলছে ফল ফসলের আবাদ। সেখানে ছাদকৃষি উদ্যোক্তা সচিব স্ত্রী নাসিমা খানম। নাগরিক জীবনেও কৃষির সঙ্গে মিশে থাকার নজির গড়েছেন তিনিও।
ছাদকৃষি জনপ্রিয়তা এখন রাজধানীর বাইরেও সম্প্রসারণ হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় এক চিকিৎসক দম্পতি ছাদকৃষি গড়ে তুলেছেন পাবনা শহরে নিজ বাসভবনের ছাদে।
সব আশা নিরাশার মধ্যেও বছরটি ভালো ছিল ফল ফসল উৎপাদন ও বাণিজ্যে। আগের চেয়ে কিছুটা ভালো দিন কাটিয়েছেন কৃষক। ফসলের মাঠে সৌন্দর্যে মিশে সে হয়েছে আত্মবিশ্বাসী। সুখের স্বপ্ন দেখিয়েছে শহর নগরের মানুষকে। এই দৌড়ে এবারও অনেকটা এগিয়ে সৌন্দর্যের কারবারি যশোরের ফুলচাষীরা।
দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে ছাদকৃষির সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন রাজধানীর ইন্দিরা রোডের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম। মনের প্রশান্তি আর পারিবারিক চাহিদা পূরণের চিন্তা থেকেই দিনের পর দিন স্বপ্নের মতো সাজাচ্ছেন নিজের কৃষি।
ছাদ-কৃষি সহায়ক উপকরণ তৈরি করে সাড়া ফেলেছেন চুয়াডাঙ্গার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা আলিমুজ্জামান মিল্টন। নিজের গড়ে তোলা কৃষি খামারে তিনি সমাবেশ ঘটিয়েছেন নতুন নতুন প্রযুক্তি ও কৌশলের।