সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৮%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

দুই যুগের ছাদকৃষি উদ্যোক্তা তাজুল ইসলাম

দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে ছাদকৃষির সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন রাজধানীর ইন্দিরা রোডের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম। মনের প্রশান্তি আর পারিবারিক চাহিদা পূরণের চিন্তা থেকেই দিনের পর দিন স্বপ্নের মতো সাজাচ্ছেন নিজের কৃষি।

দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে ছাদকৃষির সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন রাজধানীর ইন্দিরা রোডের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম। মনের প্রশান্তি আর পারিবারিক চাহিদা পূরণের চিন্তা থেকেই দিনের পর দিন স্বপ্নের মতো সাজাচ্ছেন নিজের কৃষি।

শুরুটা নব্বই দশকের শুরুতে। তখন ছাদকৃষির চিন্তাটি একেবারে সৌখিনতা ও অভিজাত্যের পর্যায়ে। নগর জীবনে এক টুকরো কৃষিক্ষেত রচনা করে তাজুল ইসলাম বেশ তৃপ্ত হয়েছেন। তারপর কর্মজীবনের ব্যস্ততা, ভবনটির নানা পরিবর্তন কোনোকিছুই আটকে রাখতে পারেনি তার কৃষিচর্চাকে। এখন ছয়তলা ভবনের ছাদেই কাটে তার অবসর জীবনের বড় অংশটি।

তাজুল ইসলাম জানান, শুরু থেকেই বাসভবনটিকে তিনি চিন্তা করেছেন ছাদকৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে। বাড়িটা করার সময় ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে কথা বলে বাড়িটা এভাবে করেছেন।

একে একে তিনি কৃষিতে অনুরক্ত করেছেন পরিবারের অন্যান্যদেরকেও। ছাদকৃষিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন চিন্তা। তাজুল ইসলামের ছেলে ডা. ফয়জুল ইসলাম জানান, ছাদে স্থাপন করা আধুনিক অবকাঠামোর কারণে এই ছাদকৃষির কোনো ভার ছাদের উপরে নেই। সব ভার চেপেছে ভবনের বিমের উপরে।

এই পরিবারের সবজি চাহিদার অনেকটাই পুরণ হচ্ছে এই ছাদকৃষি থেকে। তাজুল ইসলামের স্ত্রী রওশন আরা বলেন, বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন হয় এখানে। লাউ, মুলা, ক্যাপসিকাম সবই হচ্ছে ছাদে।

তাজুল ইসলামের মনে করেন, সঠিক সহযোগিতা ও উপকরণের যোগান পেলে যে কেউই হয়ে উঠতে পারেন আদর্শ ছাদকৃষক। বলেন, নার্সারিগুলো থেকে এখন আর সঠিক গাছের চারা পাওয়া যায় না। একবার আমাকে বললো এটা ক্যাপসিকামের চারা। পরে দেখলাম সেটা কাঁচামরিচের চারা। সেজন্য নিজেকেই ভাবতে হবে আমি কিভাবে কাজটা করবো, নিজেকে এই ব্যাপারে শিক্ষিত করতে হবে।

এই নগরগুলো যখন থেকে মানুষে পরিপূর্ণ হচ্ছে তাগিদগুলোও তখনকার। তাজুল ইসলাম তাদেরই একজন, যারা অনেক আগ থেকে ছাদে বাগান বা কৃষিকাজ করতে আগ্রহী হয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় তাদের আগ্রহ দিনদিন বাড়ছে এবং তাদের উত্তরসূরীরাও চাইছেন ছাদ সবুজে ভরে দিতে।

শাইখ সিরাজকৃষি সাংবাদিক

ছাদকৃষি

সম্পর্কিত খবর

ছাদকৃষি

শীতের ছাদবাগান: কোন সবজি ও ফুল লাগাবেন, কেমন হবে টব আর মাটি

শীতের ছাদবাগানের প্রস্তুতি এখনই; ১২-১৫ ইঞ্চির টবে সবজি, ফুলের জন্য দোআঁশ মাটি, কম্পোস্ট ও কোকোপিটের মিশ্রণ, আর দিনে অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা রোদ।

এই সময়১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ছাদকৃষি

রাজশাহীর ছাদে ১১০ প্রজাতির সাড়ে তিন হাজার গাছ, চারা বেচে বছরে ১২ লাখ টাকা

রাজশাহীর বিনোদপুরে নিজের ছাদবাগান থেকে চারা ও টব বিক্রি করে বছরে প্রায় ১২ লাখ টাকা আয় করছেন শারমিন আক্তার। ছাদবাগান বিভাগে জাতীয় বৃক্ষরোপণ পুরস্কারে প্রথম হয়েছেন তিনি।

আমার দেশ২৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ছাদকৃষি

ভাড়া ছাদে সাকুলেন্ট-ক্যাকটাসের চারা, রামপুরার রাঙ্গুলি মাসে বেচে ২ লাখ টাকার গাছ

করোনাকালে শখের ছাদবাগান থেকে শুরু; এখন মাসে পাঁচ হাজার টাকায় ভাড়া নেওয়া ছাদে কাটিং থেকে চারা তৈরি করে অনলাইনে মাসে প্রায় দুই লাখ টাকার শৌখিন গাছ বিক্রি করেন ইয়াসমিন খান।

প্রথম আলো২৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)