সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ
ফল

বিষমুক্ত আম চাষে জাহাঙ্গীরের বাজিমাত

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় প্রথমবারের মতো মিশ্র আম চাষে সাফল্য পেয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম। বাড়ির সামনের পরিত্যক্ত জমিতে সম্পূর্ণ অর্গানিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন প্রজাতির আম চাষ করে সফল হয়েছেন এই উদ্যোক্তা। যখন বাজারে কোনো আম থাকবে না অসময়ে বাজারে উঠবে এই প্রজাতির আম। তাই আমের চাহিদাও থাকবে ভালো। প্রতি কেজি আম ব

জাগো নিউজ ২৪২৩ মে ২০২৩২ মিনিটের পড়া
ছাদকৃষি

ছাদ কৃষি থেকে মিলছে নিরাপদ খাদ্য ও মানসিক প্রশান্তি

দিনে দিনে শহর সম্প্রসারণ হচ্ছে, ফলে দ্রুতই হারিয়ে যাচ্ছে সবুজ গাছপালা, বিনষ্ট হচ্ছে আবাদি জমি। এই চিন্তা থেকে নাগরিক সমাজের অনেকেই নিজ বাসভবনে গড়ছেন ছাদকৃষি। যেখান থেকে মিটছে নিরাপদ খাদ্য, পুষ্টি চাহিদা ও মানসিক প্রশান্তিও। শাইখ সিরাজের ছাদকৃষি রিপোর্ট।

শাইখ সিরাজ১২ জানুয়ারি ২০২৩১ মিনিটের ভিডিও
এগ্রোটেক

পাহাড়ে চাষ শিখতে বিদেশে প্রশিক্ষণ, খরচ ৬০ লাখ

বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের মৃত্তিকার বৈশিষ্ট্য অন্য অঞ্চল থেকে আলাদা। পাহাড়ি মৃত্তিকার উপরিস্তরে কর্দম কণার পরিমাণ তুলনামূলক কম। পানি ধারণক্ষমতাও অনেক কম। বর্ষাকালে অতিবৃষ্টির সময় ব্যাপক মাত্রায় ভূমিক্ষয় ও ভূমিধস হয়। ফলে কমে যায় মৃত্তিকার জৈব পদার্থ ও পুষ্টি উপাদান। পাশাপাশি বেড়ে যায় পাহাড়ের ঢ

জাগো নিউজ ২৪২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২৪ মিনিটের পড়া
জৈব

নিজের পোষা কুকুরই ছিঁড়ে খেলো বৃদ্ধাকে

পোষা কুকুরকে নিয়ে সবারই একটা ভাললাগার জায়গা থাকে। কিন্তু সেই পোষা কুকুর যখন স্নেহের পরশকেই লোভাতুর দৃষ্টিতে দেখে তখন তো প্রকৃতির কাছে আরও করুণভাবে অসহায় হয়ে পড়ে মানুষ। জৈবিক কারণে প্রিয় প্রভুকেই ছিঁড়ে খায় সে। না কোনও নীতিবাক্য নয়, এমনটাই ঘটেছ পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের রাজধানী লখনউ

জাগো নিউজ ২৪১৩ জুলাই ২০২২২ মিনিটের পড়া
জৈব

বাসাইলে জনপ্রিয় হচ্ছে ভার্মি কম্পোস্ট সার

টাঙ্গাইলের বাসাইলে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার। কম দাম, অধিক কার্যকারিতা, পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী হওয়ায় এ সার ব্যবহারে অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছেন। হাঁস-মুরগি

জাগো নিউজ ২৪২৬ অক্টোবর ২০২১১ মিনিটের পড়া
জৈব

কৃষি সাফল্যে বড় ভূমিকা রাখছে জৈব সার

লাভজনক ও বৈচিত্র্যময় ফল-ফসল উৎপাদনে বড় ভূমিকা রাখছে জৈব সার। এক দশক আগে শুরু হওয়া ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদনের তৎপরতা এখন ছড়িয়ে গেছে বহুদূর। এর সঙ্গে যুক্ত উদ্যোক্তারাও পেয়েছেন সাফল্যের সন্ধান।

শাইখ সিরাজ১৭ অক্টোবর ২০২০১ মিনিটের ভিডিও
জৈব

কেঁচো সারে ঘুরে দাঁড়ালেন দোহারের প্রবাসফেরত এমদাদুল হক

সিঙ্গাপুরফেরত এমদাদুল হক ব্যবসায় সব হারিয়ে ২০১৪ সালে দুটি মাটির চাড়িতে কেঁচো সার তৈরি শুরু করেন; ২০১৬ সালে দোহারে তিনি তিনটি হাউসে সার তৈরি করে গ্রামের কৃষকদের কাছে বিক্রি করছিলেন।

অনলাইন ডেস্ক১৩ জানুয়ারি ২০২০৩ মিনিটের পড়া
জৈব

কেঁচো সার তৈরি করে স্বাবলম্বী পটিয়ার কৃষক সোহাফ উদ্দিন

চট্টগ্রামের পটিয়ার হাইদগাঁওয়ের সোহাফ উদ্দিন ২০১৫ সালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণে কেঁচো সার তৈরি শেখেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তিনি মাসে তিন টন কেঁচো সার তৈরি করছিলেন এবং সার ও বীজের একটি প্রতিষ্ঠান দিয়েছিলেন।

অনলাইন ডেস্ক১৩ জানুয়ারি ২০২০৪ মিনিটের পড়া
জৈব

জৈব কৃষিতে পাল্টে যাচ্ছে কৃষির হিসাব নিকাশ

গ্রামীণ মানুষের দ্বারে দ্বারে কৃষি তথ্য ও জৈব সার পৌছে দেয়ার লক্ষ্যে অভাবনীয় এক উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানি গ্রামের একদল তরুণ শিক্ষিত কৃষি উদ্যোক্তা।

শাইখ সিরাজ২৭ এপ্রিল ২০১৯১ মিনিটের ভিডিও
জৈব

ঝিনাইদহের কালিগঞ্জে ঘরে ঘরে কেঁচো সার উৎপাদন

ঘরে ঘরে কেঁচো সার তৈরির বাণিজ্যিক প্রকল্প স্থাপন করে সাড়া ফেলেছেন ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের হতদরিদ্র কৃষক ও নারীরা। নিজেদের আর্থিক স্বচ্ছলতা অর্জনের পাশাপাশি মাটির স্বাস্থ্য রক্ষার ওই অভিযানের মধ্য দিয়ে পাল্টে গেছে কৃষি উৎপাদনের হিসাব।

শাইখ সিরাজ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯১ মিনিটের ভিডিও
জৈব

বিশ্বজুড়ে জৈব পোকা দমন পদ্ধতির বিস্তার

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার এক গবেষণায় দেখা গেছে পৃথিবীতে কৃষিকাজে পোকা দমনের জন্য অন্তত ১শ ৮০ কোটির বেশি কৃষক সিনথেটিক বা কীটনাশক ব্যবহার করেন। এর মধ্যে বছরে কমপক্ষে ৩০ লাখ মানুষ কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়। মৃত্যুবরণ করে ৩ লাখ ৫৫ হাজার মানুষ।

শাইখ সিরাজ৪ ডিসেম্বর ২০১৫১ মিনিটের পড়া