আমন ধান ক্রয়ের লটারিতে কপাল পুড়েছে কৃষকের, খুলেছে দালালের
কৃষকের ধান সরকারি গুদামে গেল না! যে লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নিয়ে সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করার কথা তা সফল হয়নি। লটারির মাধ্যমে খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহ করায় ভাগ্য খুলেছে দালালদের,
এই সূত্রের খবর আমরা সংক্ষেপ, পুনর্লিখন বা অনুবাদ করে তাদের নামেই প্রকাশ করি · ৬১৬৭টি প্রতিবেদন
কৃষকের ধান সরকারি গুদামে গেল না! যে লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নিয়ে সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করার কথা তা সফল হয়নি। লটারির মাধ্যমে খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহ করায় ভাগ্য খুলেছে দালালদের,
ঝালকাঠি সদর উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে সুগন্ধা, বিশখালী, গাবখান ও ধানসিঁড়ি নদী। এ চার নদীর মোহনার পশ্চিমদিকে গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন, দক্ষিণে পোনাবালিয়া ইউনিয়ন এবং উত্তর-পূর্ব কোণে ঝালকাঠি পৌর এলাকা। শীতকালের অতিথি পাখিরা আশ্রয় নিয়েছে বিশখালী নদীর পশ্চিম পাড়ে গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ভাটারাকান্দা ও পো
নানা রঙের, নানা জাতের দেশীয় পাখির সঙ্গে শীতকালে যোগ হয় ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি। তীব্র শীত থেকে বাঁচার জন্য পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ থেকে ছুটে আসে বাংলাদেশের জলাশয়গুলোতে। নির্দিষ্ট ৩-৪ মাস কাটিয়ে আবার তারা ফিরে যায়। শীতের সময়টা দেশের হাওর, বাওর আর জলাশয় মুখরিত থাকে পাখির কিচিরমিচিরে। এ পাখীদের মধ্যে অনিন
চিতাবাঘের চেয়েও ৩ গুণ গতিতে ছুটতে পারে যে প্রাণি, তার নাম পেরেগ্রিন শাহিন। এটিই বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির প্রাণি। পেরেগ্রিন শাহিন যখন শিকার করে; তখন মধ্যাকর্ষণ শক্তিকে ব্যবহার করে। এটি ডানা দুটো শরীরের সঙ্গে লেপ্টে ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার এবং তারচেয়ে বেশি বেগে উড়ে এসে শিকার ধরে। গতির দিক থেকে এরা চিতাবা
চারিদিকে বরফ। বরফের চাদরে ঢেকে গেছে বসবাসের জায়গা। খাবারের সংকট তীব্র। তাই জীবন বাঁচাতে ২-৩ হাজার কিলোমিটার দূরের কোনো এক নতুন গন্তব্যে আসে। বাসস্থান আর খাবারের সন্ধানে সমতলের খোঁজে পৌঁছতেই প্রাণশক্তি নেমে আসে শূন্যের কোটায়। যে শরীরের স্বাভাবিক ওজন ৯-১৩ কেজি, তা নেমে আসে ৫-৭ কেজিতে। রুগ্ন এবং মৃতপ্র
বাঘের মত ডোরাকাটা তার শরীর। নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করে। তবে মানুষ, কুকুর, শেয়াল বা কোন কিছুর মুখোমুখি হলে প্রতিপক্ষকে হটানোর জন্য ডোরাকাটা পালক ফুলিয়ে, ডানা ছড়িয়ে, মাথার মুকুট খাড়া করে, বল্লমের মতো ঠোঁট দিয়ে আঘাত করতে ভয়ঙ্কর মূর্তি ধারণ করে। শিকার ধরতে নিঃশব্দে বাঘের মতোই গা ঢাকা দিয়ে ওৎ পেতে থাক
বর্তমানে এরা প্রায়-বিপদগ্রস্ত। বাংলাদেশে সংকটাপন্ন। একসময় প্রচুর দেখা গেলেও বর্তমানে এদের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে। পাখিরাজ্যে সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। গত ৩০ বছরে দ্রুত কমে এ পাখি এখন সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। বলছিলাম গয়ার পাখির (সাপগলা) কথা।
সদর উপজেলাসহ সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় চলছে অতিথি পাখি শিকার। সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে এলাকার অসাধু ব্যক্তিরা বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ পেতে অতিথি পাখি শিকার করছে। এছাড়া বন্দুক ও এয়ারগান দিয়েও শিকার করা হচ্ছে অতিথি পাখি।
সবুজের নগরীতে নজরকাড়া এক লেকের শান্ত পানিতে জলকেলিতে মেতে আছে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি। তাদের মধ্য থেকে কিচিরমিচির শব্দে একটি ঝাঁক উড়ে দিগন্তের দিকে ছুটি চলেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আরেকটি ঝাঁক এসে পানিতে দুরন্তপনা শুরু করছে।
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার খোর্দ্দ বাউসার আমবাগানে বাসা বাঁধা শামুকখোল পাখি পাচ্ছে স্থায়ী আবাস। আর এ জন্য আমবাগানসহ আশপাশের ১০ বিঘা জমি অধিগ্রহণ করবে সরকার। খুব শিগগিরই শুরু হচ্ছে ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া। এরই মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা এসেছে জেলা প্রশাসকের কাছে।
পাখির গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে জেলার মহাদেবপুর উপজেলার আলিদেওনা। উপজেলা সদর থেকে পশ্চিমে এ গ্রামের দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার। যে গ্রাম সারাক্ষণ পাখির কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত থাকে। গ্রামের গাছে গাছে হাজার হাজার পাখির আশ্রয়। যেন পাখির শব্দেই ঘুম ভাঙে এ গ্রামের মানুষের।
দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন। এখানে ২৪ ঘণ্টা মানুষের আনাগোনা লেগেই থাকে। মানুষের এই কোলাহল শুধু ট্রেনে ওঠার জন্য নয়। মানুষ ভিড় করে থাকে মূলত পাখি দেখার জন্য। স্টেশনের যে দিকেই তাকাবেন, সব গাছে চড়ুই পাখি কিচিরমিচির করছে। পাখিদের কিচিরমিচির আর উড়ে বেড়ানোর দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এখানে ভিড় জমান।
দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে বাবুই পাখি ও তার সুদর্শন বাসা। এসব বাসা শুধু শৈল্পিক নিদর্শনই ছিল না, মানুষের মনে চিন্তার খোরাক জোগাত এবং আত্মনির্ভশীল হতে উৎসাহ দিত। কিন্তু কালের বিবর্তনে ও পরিবেশে বিপর্যয়ের কারণে পাখিটি আমরা হারাতে বসেছি। একসময় গ্রাম-গঞ্জের তাল, নারিকেল ও খেজুর গাছে এরা বাসা বেঁধে থাকতো।