ইলিশের কোফতা রাঁধবেন যেভাবে
ইলিশ মাছের স্বাদ ও গন্ধ সবাইকে মুগ্ধ করে। এই মাছে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এখনই সময় ইলিশ খাওয়ার।
এই সূত্রের খবর আমরা সংক্ষেপ, পুনর্লিখন বা অনুবাদ করে তাদের নামেই প্রকাশ করি · ৬১৬৮টি প্রতিবেদন
ইলিশ মাছের স্বাদ ও গন্ধ সবাইকে মুগ্ধ করে। এই মাছে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এখনই সময় ইলিশ খাওয়ার।
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ঐতিহাসিক দেয়াং পাহাড়। প্রাচীন এ পাহাড় বুনো এশিয়ান হাতির আবাসস্থল। পাহাড়ে অপরিকল্পিত বসতি স্থাপন, শিল্প স্থাপনা নির্মাণে সংকুচিত হয়েছে হাতির সে জগৎ। নিজেদের করিডোরে মানুষের আনাগোনা সহ্য করছে না সবচেয়ে বড় স্থলচর প্রাণীটি।
আহত অবস্থায় ঈগলটি উদ্ধার করে সেবা-শুশ্রুষায় সুস্থ করে তুলেছিলেন প্রাণিপ্রেমী রাজবাড়ীর সাংবাদিক লিটন চক্রবর্তী। পরে পাখিটি প্রকৃতিতে অবমুক্ত করার আগেই হঠাৎ একদিন সবার অগোচরে উড়ে চলে যায়। এরপর পাখিটির আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন লিটন চক্রবর্তী। ভাবেননি কখনো আবার এর দেখা পাবেন। তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে সম্প্রত
ঝালকাঠির পেয়ারার সুখ্যাতি ছিল। এবার যোগ হলো আমড়ার নাম। জেলার ২ শতাধিক গ্রামে আমড়া গাছ লাগিয়ে অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন সেখানকার চাষিরা। দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও যাচ্ছে ঝালকাঠির আমড়া, দাবি আমড়া চাষিদের।
অনেক শখ করে বাড়ির পাশেই লাগিয়েছেন কলা গাছ। প্রতিবছর তাতে ফলও আসছে। কিন্তু নিজের হাতে লাগানো গাছের ফল বাড়িতে আর নিয়ে যাওয়া হয়ে ওঠে না, তার আগেই চলে যায় চোরের দখলে। এবার সেই ফল রক্ষায় অভিনব এক উপার বের করেছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাবেক এক সদস্য।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, টেকসই পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পলিথিন ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের (এসইউপি) ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সরে আসা এখন সময়ের দাবি। একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পরিত্যাগ করে পৃথিবীকে সবার জন্য নিরাপদ করতে হবে। নিষিদ্ধ পলিথিন আজ
বর্ষা এলেই ইলিশ মাছের চাহিদা বেড়ে যায়। এ সময় সহজলভ্য হয়ে ওঠে জাতীয় এই মাছ। শুধু স্বাদেই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী এই মাছ। বর্ষায় প্রায় প্রতিদিনই সবার ঘরে ইলিশের বাহারি পদ রান্না হয়। তবে দৈনিক ইলিশ মাছ খেলে কী হয় তা হয়তো অনেকেরই অজানা।
চলনবিল নাম শুনলেই গা ছমছম করে। থইথই জলে উথালপাথাল ঢেউয়ের কথা ভেবে। তবে চলনের এ রূপ বর্ষার। ষড়ঋতুর এই দেশে প্রতি ঋতুতে ভিন্ন ভিন্ন রূপ নেয় চলনবিল। বর্তমানে এ বিলে প্রাকৃতিক জলাশয়ে জন্ম নেওয়া শামুক কুড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন নিম্ন আয়ের হাজারও মানুষ। বিলাঞ্চলে তেমন কাজ না থাকায় কর্মহীন এসব মানুষ এ উপা
উত্তরের জেলা দিনাজপুরে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে পানির নিচে তলিয়ে গেছে ধানের চারা। এতে লোকসান পোষাতে এসব চারা কেটে বাজারে গো-খাদ্য হিসেবে বিক্রি করছেন কৃষকরা।
বর্তমানে কৃষিকাজে নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে কৃষকেরা খুব সহজে চাষ করতে পারছেন। একই সঙ্গে ভালো আয় করছেন। এর মধ্যে অ্যাকোয়াপনিক্স কৌশল অন্যতম। পানি সংকটের কারণে অ্যাকোয়াপনিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাষ করা খুবই লাভজনক। এ পদ্ধতিতে চাষ করলে প্রায় ৯০ শতাংশ পানি সাশ্রয় করা যায়।
ইলিশ পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর। এখনই সময় মন ভরে ইলিশ খাওয়ার। তবে ইলিশ মাছ কিনতে গেলে কমবেশি সবাই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। কোনটি নদীর আর কোনটি সমুদ্রের, কোন মাছটি সুস্বাদু কিংবা কোনটিতে ডিম আছে তা বুঝে উঠতে পারেন না অনেকেই।
দেশে প্রতি কেজি ইলিশের সর্বোচ্চ দাম ৭০০ টাকা নির্ধারণ চেয়ে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার এ আইনি নোটিশ পাঠান।
যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে আরও ৪৫ টন ২০০ কেজি ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে মান যাচাই শেষে ছাড়পত্র দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ।