সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

কপ১৭: ২০৩০ সালের প্রকৃতি রক্ষার লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে বিশ্ব, ক্ষতিকর ভর্তুকির ভাষা নরম

আর্মেনিয়ার ইয়েরেভানে জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য সম্মেলনের প্রথম বৈশ্বিক পর্যালোচনা বলছে, কাজ দ্রুত না বাড়লে ২৩টি লক্ষ্য পূরণ হবে না; কৃষিসহ নানা খাতের ক্ষতিকর ভর্তুকি সংস্কারের আহ্বানও দুর্বল হয়েছে।

কপ১৭: ২০৩০ সালের প্রকৃতি রক্ষার লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে বিশ্ব, ক্ষতিকর ভর্তুকির ভাষা নরম
পরিবেশ

আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে (Yerevan) জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য সম্মেলন কপ১৭-এ দেশগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকৃতির ক্ষয় ঠেকানোর অগ্রগতি নিয়ে প্রথম "বৈশ্বিক পর্যালোচনা" শেষ করেছে। কার্বন ব্রিফের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, পর্যালোচনায় "গভীর উদ্বেগ" জানিয়ে বলা হয়েছে, কাজ "দ্রুত বাড়ানো" না গেলে মূল লক্ষ্য ও এর ২৩টি উপলক্ষ্য "অর্জিত হবে না"।

২০২২ সালে গৃহীত কুনমিং-মন্ট্রিয়ল বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য কাঠামোর মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত, ইয়েরেভান সম্মেলন ছিল তার মাঝপথ। কলম্বিয়ার কপ১৬ এত দীর্ঘ হয়েছিল যে কোরাম হারিয়ে কয়েক মাস পরে রোমে আলোচনা আবার বসাতে হয়। এবার প্রায় ১২ ঘণ্টার সমাপনী অধিবেশনে সব বড় দলিল চূড়ান্ত হয়েছে। ২০২৮ সালের কপ১৮-এর আয়োজক হিসেবে ইকুয়েডরের কিতো (Quito) নির্বাচিত হয়েছে।

সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন ছিল অর্থ। পর্যালোচনায় লেখা হয়েছে, উন্নত দেশগুলো ২০২৫ সালের মধ্যে প্রকৃতির জন্য বছরে "অন্তত ২,০০০ কোটি ডলার" জোগানোর অঙ্গীকার পূরণ করেনি। প্রতিনিধিরা সাহায্য কমে যাওয়া এবং ২০২৬-৩০ মেয়াদে পরিবেশ তহবিলে ২৭ শতাংশ পতনের কথা তুলেছেন। চীন, ভারত, কাতার ও সৌদি আরবের মতো উদীয়মান অর্থনীতিকে দাতার তালিকায় আনার চাপের পর আপস হয়েছে এভাবে: যে দেশ দাতা হতে চায়, তারা কপ১৮-এর আগে গোপন আলোচনায় "আগ্রহ জানাতে" পারবে। ২০৩০-পরবর্তী স্থায়ী অর্থায়ন ব্যবস্থার মানদণ্ড ঠিক হলেও তার কাঠামো কপ১৮-এর জন্য রাখা হয়েছে।

কৃষির দিক থেকে সবচেয়ে বড় বিতর্ক ভর্তুকি নিয়ে। সরকারগুলো প্রতি বছর ১ দশমিক ৮ লাখ কোটি ডলার পর্যন্ত এমন ভর্তুকি ও প্রণোদনা দেয় যা জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করতে পারে, এর বড় অংশ জীবাশ্ম জ্বালানি ও কৃষিতে। কাঠামোর ১৮ নম্বর লক্ষ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালের মধ্যে এসব ভর্তুকি চিহ্নিত করা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে অন্তত ৫০ হাজার কোটি ডলার কমানোর কথা। কিন্তু কার্বন ব্রিফের জুলাইয়ের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৮৪ শতাংশ দেশ চিহ্নিত করার সময়সীমা পার করে ফেলেছে, আর পর্যালোচনা অগ্রগতিকে "অপর্যাপ্ত" বলেছে।

আগের খসড়ায় দেশগুলোকে জোরালো পদক্ষেপের "তাগিদ" দেওয়া হয়েছিল; চূড়ান্ত দলিলে কেবল "জাতীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী" সংস্কার দ্রুত করতে "উৎসাহিত" করা হয়েছে। সৌদি আরব ও রাশিয়া অনুচ্ছেদটির বিরোধিতা করে, শেষ দিকে ভারত এটি বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দেয়; কলম্বিয়া, যুক্তরাজ্য, নরওয়ে ও ইইউ দেশগুলো ছিল রাখার পক্ষে। জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য প্রধান অ্যাস্ট্রিড শোমাকার (Astrid Schomaker) ভর্তুকি সংস্কারকে "রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত ও সামাজিকভাবে স্পর্শকাতর" বলেছেন।

আলোচনার বাইরে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (আইআইএসডি) কলম্বিয়া ও ফিনল্যান্ডের সহসভাপতিত্বে "ফ্রেন্ডস অব টার্গেট ১৮" নামে একটি জোট ঘোষণা করেছে, যার কাজ ভর্তুকি সংস্কারের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি। সংস্থাটির প্রতিবেদনও বলছে দেশগুলো "লক্ষ্যের পথে নেই"। ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন, যার বেশির ভাগই কৃষির জন্য, জীববৈচিত্র্য হারানোর অন্যতম প্রধান কারণ; তাই কৃষি সহায়তা কীভাবে নতুন করে সাজানো হয়, তার ওপর অনেকটা নির্ভর করবে ২০৩০ সালের লক্ষ্য।

ছবি: Serouj Ourishian / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: Carbon Brief

Carbon Briefসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

গাপ্পির চেয়ে বেশি মশার লার্ভা খায় দেশি তিন মাছ, গবেষণাগারের পরীক্ষায় ফল

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরীক্ষায় নাপিত খয়রা, জেব্রাফিশ ও ব্লু পাঞ্চাক্স দূষিত পানিতেও বিদেশি গাপ্পির চেয়ে অনেক বেশি কিউলেক্স ও এডিস মশার লার্ভা খেয়েছে।

প্রথম আলো১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)