যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমের গমচাষিদের জন্য এবারের ‘ফলিং নাম্বার’ মৌসুম ছিল "অনন্য রকম কঠিন"। তবে ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক অ্যাম্বার হভারমেলের মতে, সমস্যার বড় অংশ এসেছে এমন এক কারণ থেকে, যা হয়তো রুটি-কেকের মানে কোনো ক্ষতিই করে না।
ফলিং নাম্বার পরীক্ষায় গমের গুঁড়া ও পানির মিশ্রণের মধ্য দিয়ে কাঠি পড়তে কত সময় লাগে, তা মেপে শ্বেতসারের ক্ষতি বোঝা হয়; সংখ্যা কম হলে গম কম দামে বিক্রি হয়। এতদিন এর কারণ ধরা হতো দেরিতে পরিপক্বতাজনিত আলফা অ্যামাইলেজ (এলএমএ) বা কাটার আগে অঙ্কুরোদ্গম, দুটোতেই শ্বেতসার ভাঙা এনজাইম বাড়ে।
এ বছর মূল কারণ ছিল ‘নন-আলফা অ্যামাইলেজ ইনডিউসড লো ফলিং নাম্বার’ (এনএআইএল), যাতে এনজাইম সক্রিয়তা ছাড়াই সংখ্যা কমে যায়। হুইট মার্কেটিং সেন্টারের পরীক্ষায় ৫৬৯টি নমুনার ১১৮টিতে ফলিং নাম্বার কম পাওয়া যায়, যার ৯৪টি, প্রায় ৮০ শতাংশ, এনএআইএল বলে ধারণা। প্রাথমিক ফলে দেখা যাচ্ছে এটি কেকের মানে প্রভাব ফেলে না, যদিও কিছু নমুনায় প্রোটিন কম। কারণ এখনো অজানা; অস্বাভাবিক উষ্ণ শীতের পর দানা গঠনের শুরুর দিকের ঠান্ডাকে সন্দেহ করা হচ্ছে।
এনজাইম সক্রিয়তা পরীক্ষায় এনএআইএল আলাদা করা যায়। হভারমেল বলেন, এতে বোঝা যায় "যেখানে হয়তো কোনো সমস্যাই নেই", সেখানে দাম কাটার প্রয়োজন আছে কি না। কিছু গুদাম দাম কেটেছে, কিছু কাটেনি; ফেডারেল গ্রেইন ইন্সপেকশন সার্ভিস পর্যন্ত আলোচনা উঠেছে, এমন বছরে পরীক্ষাটি আদৌ উপযুক্ত কি না।
মেশানোও সহজ হতে পারে: আলফা-অ্যামাইলেজে ক্ষতিগ্রস্ত গম ঠিক করতে এক ভাগের সঙ্গে প্রায় দশ ভাগ ভালো গম লাগে, এনএআইএল গমে হয়তো এক-এক অনুপাতই যথেষ্ট; দলটি এখন তা পরীক্ষা করছে। এলএমএ-তে গুদামজাত রাখা কাজে দিলেও এনএআইএল গমে তা বদলাবে না বলে ধারণা।
কম ফলিং নাম্বার পাওয়া চাষিদের হভারমেল বা ইউএসডিএ গবেষক অ্যালিসন থম্পসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং অঙ্কুরোদ্গম, এলএমএ ও এনএআইএল সহনশীলতায় কোন জাত ভালো, তা জানতে ডব্লিউএসইউ-র জাত পরীক্ষার ফল দেখতে বলেছেন তিনি। প্রতিবেদনটি লিখেছেন ম্যাথিউ উইভার।
ছবি: Robert Ashworth / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Capital Press




মন্তব্য
(০)