সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

কৃষিকাজ শুরুর আগে যেসব বিষয়ে জানা জরুরি

তনুশ্রী গাইন প্রিয়াঙ্কা

তনুশ্রী গাইন প্রিয়াঙ্কা

উপযুক্ত মাটি ব্যবহার করে ফসল, গবাদিপশু, মাছ, ফলদ ও বনজ সম্পদ উৎপাদনের বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি বা অনুশীলনকে কৃষি বলা হয়। কৃষিকাজে নিয়োজিত থাকলে যেমন সতেজ খাবার পাওয়া যায়; তেমনই মানসিক স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকে। তাই ব্যক্তিজীবনে কৃষির ভূমিকা অপরিসীম। অলস সময়ে কৃষিকাজে নিয়োজিত থাকলে মন ভালো থাকে। একই সঙ্গে পরিবারে বাড়তি উপার্জনও হয়।

তাই কৃষিকাজ শুরুর আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে নেওয়া জরুরি। আসুন জেনে নিই নিয়মকানুন সম্পর্কে—

প্রথমে আবদ্ধ পাত্র, যেমন- ঢাকনা বিশিষ্ট বালতি, ড্রাম কিংবা বস্তা সংগ্রহ করতে হবে। তারপর রান্নাঘরের অবশিষ্ট সবজির খোসা আবদ্ধ পাত্র বা বস্তায় রাখতে হবে। তারপর কিছুটা মাটি সবজির খোসার ওপর ছড়িয়ে দিতে হবে। পরে পর্যায়ক্রমে লতাপাতা অথবা কলাগাছ কেটে মাটির ওপর ছড়িয়ে দিতে হবে। এভাবে লেয়ার করে ডিমের খোসা গুঁড়া, মাটি, শুকনো গোবর এবং কিছুটা পরিমাণ ছাই বা কাঠের গুঁড়া দিয়ে এক মাস বস্তার মুখ বন্ধ করে কিংবা বালতি বা ড্রাম ঢাকনা দিয়ে রাখতে হবে।

একমাস পর সবকিছু পচে জৈব সার প্রস্তুত হবে। ওই জৈব সার রোদে ভালোমতো শুকিয়ে চালন বা চালন বিশিষ্ট পাত্রে খাঁটি জৈব সার বের করতে হবে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে ওই জৈব সারের সাথে কিছুটা পরিমাণ মাটি মিশিয়ে গাছ লাগালে ফলন ভালো হয়। যেমন- বেগুন, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, শসা, ধুন্দল, লালশাক ইত্যাদি ফলন পরিবারের যেমন চাহিদা মেটায়; তেমনই অর্থ উপার্জনে সহায়তা করে।

ইনডোর প্ল্যান্ট বলতে আমরা মানি প্ল্যান্ট, লাকি ব্যাম্বো কিংবা স্নেক প্ল্যান্টকে বুঝি। তবে ইনডোর প্ল্যান্ট মাটিতে লাগালেই হবে না। মাটি প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। ফলস্বরূপ গাছ সময়ের সাথে সাথে বৃদ্ধি পায়। যা মানুষের উপকারী বন্ধু হিসেবে কাজ করে।

মাটি প্রস্তুতের ক্ষেত্রে পরিমাণমতো মাটি, বালি, ছাই, কোকোপিট বা কাঠের গুঁড়া, ডিমের খোসা গুঁড়া ভালোমতো মেশাতে হবে। তবে অবশ্যই মাটি প্রস্তুতের উপকরণগুলো শুকনো এবং ঝুরঝুরে থাকতে হবে। মাটি প্রস্তুত করে ইনডোর প্ল্যান্ট লাগালে সময়ের যত্ন করা হয় এবং ইনডোর প্ল্যান্ট তার প্রয়োজনীয় খাদ্য লাভ করতে পারে।

গবাদিপশু পালনের ক্ষেত্রে একদিকে যেমন পারিবারিক চাহিদা মেটায়; অন্যদিকে অর্থের জোগান দেয়। উদাহরণস্বরূপ, গরুর দুধে প্রধানত ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি১২ থাকে। তাই গবাদিপশু পালনের ক্ষেত্রে মানুষকে উৎসাহ দিতে হবে।

আমাদের দৈনন্দিন জীবন, পুষ্টি চাহিদা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মাছের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলস্বরূপ মাছ চাষে মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।

কৃষি ক্ষেত্রে ফলদ ও বনজ সম্পদ মাটি রক্ষা, জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষকদের বাড়তি আয়ের উৎস হিসেবে সরাসরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গাছের শেকড় মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখে। এতে প্রবল বৃষ্টি বা বাতাসে জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি ক্ষয় হয় না।

বনভূমি নিয়মিত বৃষ্টিপাতে সাহায্য করে, যা ফসলের সেচ ও বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত জরুরি।

গাছপালা ঝড়, সাইক্লোন ও অতিরিক্ত রোদের তীব্রতা কমিয়ে ফসল ও কৃষিজমি রক্ষা করে।

কৃষিকাজের নানা সরঞ্জাম, যেমন- লাঙল, মই ও গরুর গাড়ি তৈরিতে কাঠ লাগে। রান্নার জন্য জ্বালানির চাহিদাও বন থেকে মেটে।

ফলমূল, মধু ও কাঠ বিক্রি করে কৃষকেরা অতিরিক্ত আয় করতে পারেন, যা তাদের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা এনে দেয়।

তাই বলা যায়, কৃষিকাজ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বন্ধু। ফলে কৃষিকাজে সব শ্রেণির মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

লেখক: মাস্টার্স (ব্যবস্থাপনা), সরকারি ব্রজমোহন কলেজ, বরিশাল।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

গাপ্পির চেয়ে বেশি মশার লার্ভা খায় দেশি তিন মাছ, গবেষণাগারের পরীক্ষায় ফল

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরীক্ষায় নাপিত খয়রা, জেব্রাফিশ ও ব্লু পাঞ্চাক্স দূষিত পানিতেও বিদেশি গাপ্পির চেয়ে অনেক বেশি কিউলেক্স ও এডিস মশার লার্ভা খেয়েছে।

প্রথম আলো১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)