জরুরি ভিত্তিতে বাড়তি তহবিল না পেলে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে বুরুন্ডিতে থাকা প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার শরণার্থী জীবন বাঁচানো খাদ্য সহায়তা হারাতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ডব্লিউএফপি। তাঁদের বেশির ভাগ খাবার ও নিরাপত্তার খোঁজে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর দীর্ঘ সংঘাত থেকে পালিয়ে এসেছেন।
ডব্লিউএফপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও বেলজিয়ামের অনুদানে অক্টোবরে যে বিরতির আশঙ্কা ছিল তা এড়ানো গেছে, আর ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত সহায়তা চালু থাকবে। নতুন তহবিল না এলে জানুয়ারি থেকে বুরুন্ডিতে শরণার্থীদের খাদ্য সহায়তা বন্ধ করতে বাধ্য হবে সংস্থাটি।
বুরুন্ডিতে ডব্লিউএফপির ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর আর্দুইনো মাঙ্গোনি (Arduino Mangoni) বলেন, বুরুন্ডির বেশির ভাগ শরণার্থীর খাবারের প্রধান উৎস ডব্লিউএফপির সহায়তা। নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেকে নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারছেন না, আর জীবিকার সুযোগ কম থাকায় আয় করে পরিবার চালানোও কঠিন।
সহায়তায় বিরতি এড়াতে এবং ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শরণার্থীদের ন্যূনতম খাদ্যচাহিদার ৪৫ শতাংশ থেকে শতভাগ মেটাতে ডব্লিউএফপির ৪ কোটি ডলার দরকার। শিবিরের আশপাশের স্কুলে শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ১৬ হাজার শিশুকে স্কুলে খাবার দিতে লাগবে আরও ১০ লাখ ডলার।
খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বুরুন্ডি সরকার, জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও অন্য অংশীদারদের সঙ্গে মিলে ডব্লিউএফপি শরণার্থীদের জীবিকা, সামাজিক সুরক্ষা ও স্থানীয় অর্থনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ বাড়াতে কাজ করছে, যাতে তাঁরা আরও স্বাবলম্বী হন এবং আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীও সহায়তা পায়।
ছবি: Dave Proffer / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: ডব্লিউএফপি





মন্তব্য
(০)