যুক্তরাষ্ট্রে গরুর পাল ৭০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ছোট, স্ক্রুওয়ার্ম মাছির কারণে মেক্সিকো থেকে গরু আসা মাসের পর মাস বন্ধ, আর ফিডলটগুলো প্রায় যেকোনো দামেও মোটাতাজাকরণের গরু পাচ্ছে না। তবু রাজনৈতিক কারণে অস্ট্রেলিয়া থেকে গরু আমদানির সম্ভাবনা নেই — অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে বিফএক্স ২০২৬ সম্মেলনে এ কথা বলেছেন উত্তর আমেরিকার এক শীর্ষ ফিডলট মালিক।
ধারণাটি নতুন নয়। প্রায় ৩০ বছর আগে টেক্সাসের ক্যাকটাস ফিডার্সের পল এংলার খরায় গরুর ঘাটতির সময় অস্ট্রেলীয় গরু আমদানির প্রস্তাব দিয়ে তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছিলেন। গত সপ্তাহে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে এক মতামত নিবন্ধে অস্ট্রেলীয় বিনিয়োগকারী ও ওয়াগিউ গরু খামারি ডেভিড উইলিয়ামস অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রজননক্ষম গাভি, ভ্রূণ ও লিঙ্গ-বাছাই করা বীজ এনে 'আমেরিকান হার্ড রিবিল্ডিং প্রোগ্রাম' চালুর প্রস্তাব দেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ১৬টি কেন্দ্রে সাড়ে সাত লাখ গরু পরিচালনাকারী ব্ল্যাকশার্ট ফিডার্সের প্রধান, পশুচিকিৎসক কি জিম (Kee Jim) বলেন, এই ঘাটতি পুরো উত্তর আমেরিকার সমস্যা। উপযুক্ত পশুস্বাস্থ্য মানের দেশ থেকে গরু আনতে বাধা থাকার কথা নয়, আর অস্ট্রেলিয়া সেই মান পূরণ করতে পারে; বড় পরিসরে প্রজননের গরু জাহাজে পাঠানোর সক্ষমতাও দেশটি দেখিয়েছে।
কিন্তু কানাডা প্রাণিকল্যাণের কারণে সমুদ্রপথে পশু আমদানি নিষিদ্ধ করেছে, আর যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ বলছে আমদানির কোনো প্রটোকল নেই, হবেও না। জিমের মতে, এটি বিজ্ঞানভিত্তিক নয়, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত; প্রজননের গাভি আনার প্রস্তাবও গ্রহণযোগ্য হবে না। অনুমতি থাকলে এখনই আমদানি শুরু হয়ে যেত, বলেন তিনি।
অস্ট্রেলীয় ডলার মার্কিন ডলারের চেয়ে অনেক দুর্বল; জিমের হিসাবে বিনিময় হার বাদেই যুক্তরাষ্ট্রে মোটাতাজাকরণের গরুর দাম অস্ট্রেলিয়ার দেড় থেকে ১.৬ গুণ, ফলে জাহাজভাড়া দিয়েও ব্যবসাটি লাভজনক হতো।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন জন কনডন।
ছবি: Bahnfrend / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Beef Central





মন্তব্য
(০)