যুক্তরাষ্ট্রে ফসল কম হওয়ার আশঙ্কায় গত প্রান্তিকে ভুট্টার দাম ২০ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি খাতের ঋণদাতা কোব্যাংক (CoBank)। দেশে সরবরাহ কমা, ইউরোপের ফলন অনেক কমে যাওয়া এবং ইউক্রেন থেকে চালান কম আসায় সামনে ভুট্টার দামে আরও ওঠানামার সম্ভাবনা বেশি।
সয়াবিনের বাজারও চাঙা। দেশে সয়াবিন মাড়াই একের পর এক রেকর্ড গড়ছে, তাতে সারা দেশে স্থানীয় দাম শক্ত হয়েছে। চীন আবার নিয়মিত মার্কিন সয়াবিন কিনছে, আর সব দেশে রপ্তানির প্রতিশ্রুতি গত বছরের দ্বিগুণের বেশি। সরবরাহ কম থাকায় মার্কিন গমের দাম এখন বিশ্বে সবচেয়ে বেশিগুলোর একটি; ইউক্রেন ও রাশিয়ার চালান কমায় ক্রেতারা অন্য দিকে ঝুঁকেছেন।
কিন্তু ভুট্টা ও সয়াবিনের বাড়তি দাম খরচের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না। ডিজেলের দাম গত বছরের চেয়ে প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি, ফসল কাটার মৌসুমে এই খরচ আরও চাপ দেবে। ২০২৬ সালে মার্কিন খামারগুলোর সারের খরচ রেকর্ড ৪,০০০ কোটি ডলারে দাঁড়াবে বলে প্রাক্কলন, যা গত বছরের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি; এই শরতেও সার ও কৃষি পরামর্শ সেবার দাম চড়া থাকবে। তবে সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই, খুচরা বিক্রেতা ও সমবায়গুলোর হাতে যথেষ্ট মজুত থাকবে বলে আশা।
জৈব জ্বালানির নীতিও চাহিদা বাড়াচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা (ইপিএ) জৈব ডিজেলের বাধ্যতামূলক পরিমাণ বাড়ানোয় দেশি সয়াবিন তেলের চাহিদা বেড়েছে; টানা ১৭ মাস রেকর্ড মাড়াইয়ের পরও সেই চাহিদা মেটাতে আমদানি লাগছে। ২৯টি ছোট শোধনাগারকে ১৭৬ কোটি নবায়নযোগ্য শনাক্তকরণ নম্বরে ছাড় দেওয়ার ঘোষণায় এ নিয়ে অনিশ্চয়তাও কমেছে।
৪৫জেড কর ছাড়ের সুবাদে ইথানলের মুনাফাও বেড়েছে। কোব্যাংকের ধারণা, এই ছাড় পেতে কারখানাগুলো উৎপাদন বাড়াবে, ফলে বাড়তি ইথানল রপ্তানি করতে হবে।
ছবি: Bill Whittaker / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: The Cattle Site





মন্তব্য
(০)