খরা, বন্যা ও তীব্র তাপপ্রবাহের ঝুঁকিতে আছেন বিশ্বের প্রায় ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ, বলেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর। তুরস্কের আনতালিয়ায় কপ-৩১ সম্মেলনের আগে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে এ খবর দিয়েছে রয়টার্স।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের মতো গুরুতর জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশে থাকেন। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ফিরে যাওয়া শরণার্থীদের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি গেছেন উচ্চঝুঁকির দেশে, যেখানে আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা আছে।
সিরিয়ায় ফেরা প্রায় ৪০ লাখ মানুষ পানিসংকট ও অনিয়মিত বৃষ্টির মুখে পড়েছেন। ২০৫০ সালের মধ্যে সাব-সাহারান আফ্রিকার প্রতি তিনটি শরণার্থী শিবিরের একটিতে বছরে অন্তত ১০০ দিন বিপজ্জনক তাপপ্রবাহ হতে পারে, ইথিওপিয়ার হেলাওয়েইনসহ কয়েকটি শিবিরে ২০০ দিনের বেশি।
সংস্থাটির সতর্কতা, শক্তিশালী এল নিনো হলে ঝুঁকি বাড়বে। পূর্ব আফ্রিকায় বন্যায় চলতি বছরের শেষ নাগাদ সোমালিয়া, কেনিয়া, দক্ষিণ সুদান ও উগান্ডায় আরও ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারেন। এশিয়ার কিছু এলাকায় খরা, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বাড়ছে।
ইউএনএইচসিআরের সহকারী হাইকমিশনার (অপারেশনস) আন্তন লেইস গার্সিয়া বলেন, এসব এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো এখন টিকে থাকার বিষয়। যাঁদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তাঁদের কাছে জলবায়ু তহবিল পৌঁছানো নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: সারাবাংলা



মন্তব্য
(০)