সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩২°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৪%বাতাস ৫ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

লাগামহীন দামে পকেট পুড়ছে ক্রেতাদের

গত কয়েকদিন ধরেই দাম বেড়েছে প্রায় সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্যের। মাছ, মাংস, মুরগি থেকে শুরু করে চাল, ডাল, তেলের বাজারও ঊর্ধ্বমুখী। স্বস্তি নেই সবজির বাজারেও। যেখানে আগাম

গত কয়েকদিন ধরেই দাম বেড়েছে প্রায় সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্যের। মাছ, মাংস, মুরগি থেকে শুরু করে চাল, ডাল, তেলের বাজারও ঊর্ধ্বমুখী। স্বস্তি নেই সবজির বাজারেও। যেখানে আগাম মৌসুমি সবজির আমদানি শুরু হওয়ায় দাম কমার কথা, সেখানে বাড়তি দামে দিশেহারা সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার রাজধানীর শুক্রাবাদ কাঁচাবাজার, কলাবাগান, কাঁঠালবাগান বাজার ঘুরে দেখা যায়- মাছ-মাংস, শাক-সবজিসহ সবকিছুর দামই স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাইছেন বিক্রেতারা। ছুটির দিন হওয়ার এসব বাজারে অন্যান্য দিনের তুলনায় মানুষজনের উপস্থিতিও ছিল বেশি।

এসব খুচরা বাজারে পেঁয়াজ, ডিমের দাম কিছুটা কমলেও আলু, টমেটো, বেগুন, করলা, পটল, লাউ, কাঁচা পেঁপে, শসা, গাজর, ফুলকপি, বরবটি, চিচিঙ্গা, মিষ্টি কুমড়া, ঝিঙ্গা, কচুর লতি, ঢেঁড়স, লাউশাক, পালং শাক, লাল শাক, কলমি শাক, কচু শাকসহ সবধরনের শাক সবজির দামই ছিল চড়া।

আগে ৫০-৫৫ টাকা কেজি দামে বিক্রি হওয়া বেগুন দাম এখন বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকা। পেঁয়াজের দাম ৭০ টাকা থেকে কমে ৬০ টাকা, কাঁচামরিচ আগে ১২০-১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও আজ হয়েছে ১৪০ টাকা। রসুন কেজি প্রতি ১৩০-১৪০ টাকা যার পূর্বমূল্য ছিল ১২৫ টাকা। গোল আলুর দাম হয়েছে কেজি প্রতি ২৫ টাকা যার আগের দাম ২০ টাকা।

এছাড়াও আজকের বাজারে আদা ১৩০-১৪০ টাকা, করলা ৬০-৭০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, লাউ ৫০-৬০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ২০ টাকা কেজি, গাজর ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ এসব সবজি মাত্র এক সপ্তাহ আগেও পাওয়া যেতো ৫-১০ টাকা কমে। বাজারে লাল শাক, পালং শাক, মুলা শাক আঁটি প্রতি ১৫-২০ টাকা ও লাউ শাক ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কলাবাগান বাজারে সবজি বিক্রেতা হাফিজ উদ্দিন বলেন, পাইকারি সবজি কিনতে আমাদের অতিরিক্ত দাম দিতে হচ্ছে। সেই প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। তবে শীতের সবজির আমদানি বাড়লে দাম কমবে। এর আগ পর্যন্ত এই কয়েকদিন বাজার চড়া যাবে।

সবজির এমন ঊর্ধ্বমুখী দামে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। মরিয়ম জাহান নামের এক ক্রেতা বলেন ১৪০ টাকা দিয়ে এক কেজি মরিচ কিনতে হচ্ছে। ৫০-৬০ টাকার নিচে কোনো সবজিই নাই। আমরা সাধারণ মানুষ কীভাবে বাঁচব? বাজারে সবকিছুর দাম বেড়েছে ঠিকই কিন্তু আয় বাড়েনি।

অপরদিকে গরু ও খাসির মাংসের দাম আগের মতো থাকলেও ব্রয়লার মুরগির দাম পৌঁছেছে ১৮০ টাকায়। গরু ৬০০ টাকা, খাসির ৯০০-১০০০ টাকা, লেয়ার ২৫০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিম ৩৮-৪০ টাকা হালি বিক্রি হলেও এখন তা নেমেছে ৩৬ টাকায়।

স্বস্তি নেই মাছের বাজারেও। বাজারগুলোতে প্রতি কেজি রুই ৩৫০-৩৮০ টাকা, কাতলা ৩৪০-৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৮০-২০০ টাকা, পাবদা ৫৫০-৬০০ টাকা, ছোট তেলাপিয়া ১৪০-১৫০ টাকা, বড় তেলাপিয়া ১৯০-২০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৭০-১৯০ টাকা, গ্রাস কার্প ১৫০-১৭০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৭০০-৭৫০ টাকা ও শিং মাছ ৪৫০-৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও ছোট কাচকি ৩৫০ টাকা ও মলা মাছ ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুদি দোকানগুলোতে সয়াবিন তেল ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটা ডাল ৯৫-১০০ টাকা ও চিকন ডালের দাম ১০০-১১০ টাকা। চালের বাজার রয়েছে অপরিবর্তিত। নাজির শাইল ৬৫-৭০ টাকা, মিনিকেট ৬০-৬৫ টাকা, ও আটাশ ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দৈনিক সকালের সময়সূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় ঢাকায় সরু ও মাঝারি চাল কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং মোকামে ধানের চড়া দামের কারণে রাজধানীর খুচরা বাজারে দেড় সপ্তাহে সরু ও মাঝারি চালের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৩ টাকা বেড়েছে; মোটা চালের দাম কিছুটা স্থিতিশীল।

ডেইলি অবজারভার১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

এসএফআই২৭ কীভাবে ন্যায্য হবে, ইংল্যান্ডের কৃষকদের মত চাইছে এনএফইউ

২২ সেপ্টেম্বর কয়েক ঘণ্টায় এসএফআই২৬-এর বরাদ্দ ফুরিয়ে যাওয়ার পর কৃষক ইউনিয়ন চায় ২০২৭ সালের প্রকল্প আগেভাগে খুলুক, নিয়মিত আবেদনের সুযোগ থাকুক এবং যাঁদের পরিবেশ চুক্তি শেষ হচ্ছে তাঁরা অগ্রাধিকার পান।

Farmers Weekly১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ম্যানিটোবার প্রথম নেট জিরো পরিকল্পনায় কৃষকের জন্য ৭৬ লাখ ডলার, সার ব্যবস্থাপনায় জোর

পরিকল্পনায় ৪আর কাঠামোয় দক্ষ সার ব্যবহার ও চলমান কৃষি কর্মসূচির ওপর ভর দেওয়া হয়েছে। তবে শস্য শুকানোর যন্ত্র দক্ষতা সহায়তা পাবে কি না এবং বাস্তবায়নে কৃষকের ওপর কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

Manitoba Co-operator১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)