সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৩ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮০%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

শখের গরুতে ‘বড় বিপাকে’ ব্যাপারীরা

মানিকগঞ্জ সদর থেকে ৫টি বড় আকারের গরু নিয়ে মিরপুর ১৪ নম্বরে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড পশুর হাটে এসেছেন আরিফুল আলম ইসলাম জীবন। হাটে গরু নামিয়েছেন বৃহস্পতিবার, এরপর কেটে গেছে প্রায় দুইদিন। তবে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত মাত্র দুইটি গরু বিক্রি করতে পেরেছেন।

মানিকগঞ্জ সদর থেকে ৫টি বড় আকারের গরু নিয়ে মিরপুর ১৪ নম্বরে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড পশুর হাটে এসেছেন আরিফুল আলম ইসলাম জীবন। হাটে গরু নামিয়েছেন বৃহস্পতিবার, এরপর কেটে গেছে প্রায় দুইদিন। তবে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত মাত্র দুইটি গরু বিক্রি করতে পেরেছেন।

মাঝে আছে মাত্র একটি রাত, এরপর ঈদ। এখনো বিক্রি হয়নি আরিফুল আলমের তিনটি গরু। ক্রেতারা বড় গরুর দাম বলছেন কম, কিনছেন মাঝারি ও ছোট গরু। ফলে বড় গরু নিয়ে অনেক ব্যাপারী পড়েছেন বিপাকে। কেউ কেউ গরু বিক্রি না করে চলে যাচ্ছেন। কেউ আবার ঈদের আগের রাতের অপেক্ষায় আছেন।

শুক্রবার (৬ জুন) বিকেলে কথা হয় জীবনের সঙ্গে। জাগো নিউজকে আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, বড় গরু শখে পালি। ভালো খাবার খাওয়াতে হয়, অনেক যত্ন নিতে হয়। আনুষঙ্গিক অনেক খরচ আছে। এগুলো লোকসানে বিক্রি করা সম্ভব না।

তবে যে দুইটি গরু বিক্রি হয়েছে সেগুলোর ভালো দাম পেয়েছেন বলেও জানান এ বিক্রেতা।

ফ্রিজিয়ান জাতের গরুতে ৬ মণের বেশি মাংস হবে। দাম চেয়েছি ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ক্রেতা দাম বলছে এক লাখ ৮০ হাজার। দামের এত ব্যবধানে তো গরু বিক্রি করা সম্ভব না, যোগ করেন জীবন।

দুপুরে হাটে গিয়ে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। ক্রেতারা বড় গরুর দরদাম করছেন কম। হাটে ক্রেতার অভাব নেই। তবে সে তুলনায় কোরবানির পশু কম।

হাটে ছোট ও মাঝারি আকারের গরু বেশি বিক্রি হতে দেখা গেছে। এগুলোর দাম ৬০ হাজার থেকে ২ লাখের মধ্যে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থেকে ৪টা গরু এনেছেন আনসার আলী। যার মধ্যে ৯ মণ ওজনের একটি শাহিওয়াল জাতের গরুর দাম চাইছেন ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। আরেকটি ফ্রিজিয়ান জাতের গরুর দাম চাইছেন ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। সেটির ওজন ১৪ মণ হবে বলে ধারণা তার।

জানতে চাইলে তিনি বলেন, গরু বেচাকেনা হয়েছে বুধ ও বৃহস্পতিবার। আজ ক্রেতা কম। এই দুইটা বড় গরু বিক্রি করতে পারছি না। ছোট গরু ছিল ২টা বিক্রি হয়ে গেছে। এবার বড় গরুর দাম একেবারেই নেই।

এই বিক্রেতা আরও বলেন, শখে বড় গরু লালন পালন করি। বিক্রেতারা গরু প্রতি ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা দাম কম বলছেন। ভালো দাম না পেলে রাতে চলে যাবো।

মিরপুর ১০ নম্বরের বাসিন্দা আবদুস সালামের সঙ্গে কথা হয় হাটের হাসিল ঘরের সামনে। মাঝারি আকারের দেশি গরু কিনেছেন তিনি। এ বছর হাটে গরুর দরদাম নিয়ে নিজের সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে আবদুস সালাম বলেন, এক লাখ ৭০ হাজার টাকা দাম চেয়েছিল। দরদাম করে এক লাখ ৪০ হাজার টাকায় নিয়েছি।

রবিউল নামের আরেক ক্রেতা একটা বড় গরু খুঁজছিলেন। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, একটা গরু নিয়েছি। দরদামে পছন্দ হলে শাহিওয়াল জাতের আরেকটা গরু কিনবো।

বড় গরুর ক্রেতা কম কেন- জানতে চাইলে রবিউল বলেন, উচ্চবিত্তরা ফার্ম থেকে বড় গরু আনেন। কারও কারও আবার নিজেদেরই ফার্ম আছে। আর মধ্যবিত্তরা মাঝারি আকারের গরু বেশি কেনেন। ঢাকা শহরে মধ্যবিত্ত মানুষ তুলনামূলক বেশি।

এসএম/কেএসআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

রান্নাবান্না

ঘিয়ের ব্যবসা থেকে ১৮৫ রকম মিষ্টি: বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডারের চার প্রজন্ম

ব্রিটিশ আমলের ঘিয়ের ব্যবসা থেকে শুরু হওয়া বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার এখন প্রায় ১৮৫ রকম মিষ্টি বানায়, শাখা প্রায় ৪৫টি, কর্মী প্রায় তিন শ; দুধ, ছানা, ক্ষীর ও মাওয়ার বেশির ভাগ আসে মুন্সিগঞ্জ থেকে।

প্রথম আলো৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

লোকসানে খামার ছাড়ছেন প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারিরা: ড. মো. ফোরকান আলীর কলাম

জাগো নিউজে লেখা কলামে ড. মো. ফোরকান আলী লিখেছেন, সাড়ে ৯ টাকা খরচের ডিম খামারিরা বেচছেন সাড়ে ছয় টাকায়; বিপিআইএর হিসাবে পাঁচ বছরে প্রায় ৬৪ হাজার খামার বন্ধ হয়েছে। মতামত লেখকের নিজস্ব।

জাগো নিউজ ২৪৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

মেক্সিকো থেকে বাছুর আমদানি কমলে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়বে গরুর মাংসের দাম: ফাপ্রির বিশ্লেষণ

নিউ ওয়ার্ল্ড স্ক্রুওয়ার্মের কারণে দেওয়া বিধিনিষেধের পর মেক্সিকোর গবাদিপশু আমদানি স্বাভাবিক হলে আর দীর্ঘদিন কম থাকলে কী হবে, তা তুলনা করেছে মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়; কম আমদানিতে দাম বাড়ে, মাংস উৎপাদন সরে যায় মেক্সিকোতে।

Farms.com৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)