সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

১০০ কমলার দাম ২০০ টাকা

উপযুক্ত আবহাওয়া ও পরিচর্যার কারণে এ বছর মৌলভীবাজারে কমলার ফলন ভালো হয়েছে। হেক্টরপ্রতি উৎপাদন বেড়েছে ১ টন। গত বছরের চেয়ে চাষের পরিমাণ বেড়েছে ১৯০ একর। কিন্তু পোকার আক্রমণে পাকার

উপযুক্ত আবহাওয়া ও পরিচর্যার কারণে এ বছর মৌলভীবাজারে কমলার ফলন ভালো হয়েছে। হেক্টরপ্রতি উৎপাদন বেড়েছে ১ টন। গত বছরের চেয়ে চাষের পরিমাণ বেড়েছে ১৯০ একর। কিন্তু পোকার আক্রমণে পাকার আগেই তা ঝরে পড়ছে। ফলের আকার বড় হওয়ায় ভালো দাম পেলেও আশানুরূপ লাভ নিয়ে হতাশ চাষিরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, নাগপুরী, দার্জিলিং ও খাসি জাতের কমলা চাষ হয়। তারমধ্যে খাসি জাতেরই বেশি চাষ হয়। এ বছর জেলার ৪৪০ একর জমিতে কমলার চাষ হয়েছে। এরমধ্যে বড়লেখায় ১৫০, জুড়িতে ২৩০ একর এবং কুলাউড়ায় ১২০ একর। অন্যান্য উপজেলায় বাকি ১০ একর জমিতে চাষ হয়েছে। গত বছর চাষ হয়েছিল ২৫০ একর জমিতে। সে তুলনায় এবার বেড়েছে ১৯০ একর। ছোট-বড় ১৪৬টি বাগানে এবার হেক্টরপ্রতি উৎপাদন হয়েছে সাড়ে ৫ টন। যা গত বছর ছিল সাড়ে ৪ টন। সে হিসেবে এবার প্রতি হেক্টরে ১ টন করে উৎপাদন বেড়েছে। জেলায় সব মিলিয়ে ৫ শতাধিক কমলা চাষি রয়েছে।

জুড়ি উপজেলার গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের রূপাছড়া ও লালছড়ার পাহাড়ি এলাকার কমলা বাগান ঘুরে দেখা যায়, গাছভর্তি ফলন না হলেও কোনো গাছই খালি নেই। বাগানে বাগানে চলছে কমলা সংগ্রহ, বাছাই ও ঝুড়ি ভর্তি করার কাজ। সেখান থেকে পাইকাররা কিনে ছোট ট্রাকে করে সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে। এলাকার প্রায় প্রতিটি টিলায়ই ছোট-বড় বাগান রয়েছে। বাড়ির মধ্যে ঘরের পাশেও আছে কমলার গাছ।

কমলা চাষি জয়নুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন গাছ থেকে কমলা ঝরে পড়ছে। গান্ধি পোকা কমলার উপর দিয়ে হেঁটে গেলে কমলা ঝরে পড়ে। পোকা কমলার মধ্যে সুঁইয়ের মতো হুল ঢুকিয়ে দেয়। কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা বিভিন্ন ফাঁদ ব্যবহার করলেও কাজে আসছে না।

জুড়ির লালছড়া গ্রামের কমলা চাষি মুর্শেদ মিয়া জানান, তার বাগানে প্রায় ১২শ কমলা গাছ রয়েছে। ফল পাকা শুরু হতেই এক ধরনের পোকা কমলার রস খেয়ে নেয়। এতে পচন ধরে। তাই তারা আধাপাকা কমলা বিক্রি করে দিচ্ছেন। স্থানীয় পাইকারের কাছে ১০০ কমলা ২০০-৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছেন।

চাষিরা জানান, একটি গাছে ৫০ থেকে ১ হাজার পর্যন্ত কমলা ধরে। কিন্তু ৪০ শতাংশ কমলা ঝরে পড়ছে। ফলে তারা আগাম বিক্রি করে ফেলছেন। আবার অভাবের তাড়নায় অনেক চাষি অগ্রিম বিক্রি করে দেন। এরজন্য উপযুক্ত দাম পান না তারা। এজন্য সরকারিভাবে সেচ মেশিন, সার ও পোকা দমনে সহায়তার দাবি জানান তারা। আগে কমলা চাষের একটি প্রকল্প ছিল। ২০০৮ সাল থেকে প্রকল্পটি বন্ধ রয়েছে। প্রকল্পটি চালুর দাবি জানান চাষিরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, বর্ষার পরপর গাছের ডাল ছাঁটাই এবং খরার সময় সেচ দেওয়া দরকার। বিশেষ করে পৌষ থেকে ফাল্গুন মাসে সেচ দিলে রোগ ও পোকার আক্রমণ কম হয়। অন্যদিকে কমলা গাছে কীটনাশক ব্যবহার করলে পোকা দমন সম্ভব। লেবু জাতীয় ফলে ছত্রাকনাশক ১৫ দিন পরপর ৩ বার স্প্রে করলে এ জাতীয় রোগ দমন করা যায়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক লুৎফুল বারি জানান, কয়েক বছর ধরে কমলার রোগ ও পোকা-মাকড় দমনে কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে আসছেন তারা। সুষম উৎপাদন পদ্ধতি চাষিদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যারা তা পালন করেছেন; তাদের ফলন ভালো হয়েছে। গাছে যে পরিমাণ কমলা আসে; সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় গাছ তা ধরে রাখতে পারে না।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

মতামত

আমদানি করা ফলের চড়া দামে পাত থেকে হারাচ্ছে পুষ্টি: ড. মতিউর রহমানের কলাম

গবেষক ও উন্নয়নকর্মী ড. মতিউর রহমান লিখেছেন, আমদানি করা ফল মধ্যবিত্তের কেনাকাটার তালিকা থেকে সরে যাচ্ছে; শুল্ক কাঠামো, বিনিময় হার আর পাইকারি-খুচরা দামের ব্যবধান মিলে পুষ্টিকর খাবার বিলাসপণ্য হয়ে উঠছে।

জাগো নিউজ ২৪১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

মধুপুরের ঝড়ে ক্ষতি প্রায় ১০০ কোটি টাকা, ৬০ গ্রামের ৭০০ কৃষকের কলা-পেঁপে মাটিতে

এ সপ্তাহের মাত্র ১০ মিনিটের আকস্মিক ঝড়ে টাঙ্গাইলের মধুপুরের চার ইউনিয়নে প্রায় ৭০০ কৃষকের কলা, পেঁপেসহ অন্যান্য ফসল নষ্ট হয়েছে; কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসাবে ক্ষতি প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

দৈনিক বাংলা৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

৪০ লাখ টাকার আনারস চিপস কারখানা বন্ধ, পথের ধারে পচছে ছোট আনারস

রাঙামাটির নানিয়ারচর হর্টিকালচার সেন্টারে ২০২১ সালে উদ্বোধন হওয়া ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতেই পারেনি; যন্ত্রপাতিতে ধুলা, ছাদ চুইয়ে পানি।

প্রথম আলো৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)