সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৩%বাতাস ৬ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৬ মিমি

হারিয়ে যাচ্ছে দেশি চাঁদিঠোঁট পাখি

পাখিটির নাম 'দেশি চাঁদিঠোঁট'। এর ইংরেজি নাম 'ইন্ডিয়ান সিলভারবিল (Indian Silverbill)'। বৈজ্ঞানিক নাম 'লঙ্কুরা মালাবারিকা' (Lonchura malabarica)। এরা 'ছোট মুনিয়া' নামেও পরিচিত।

পাখিটির নাম 'দেশি চাঁদিঠোঁট'। এর ইংরেজি নাম 'ইন্ডিয়ান সিলভারবিল (Indian Silverbill)'। বৈজ্ঞানিক নাম 'লঙ্কুরা মালাবারিকা' (Lonchura malabarica)। এরা 'ছোট মুনিয়া' নামেও পরিচিত।

এরা চড়ুই আকৃতির পাখি। তাই অনেকেই চড়ুই ভেবে থাকেন। বসবাসের জন্য এরা নিরাপদ জায়গা পছন্দ করে। মানুষের সমাগম দেখলে পালিয়ে যায়। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে একসময় এ পাখি প্রচুর দেখা যেত।

তবে কাশবন, ছোট গুল্ম ও ঝোপঝাড় কমে যাওয়ায় দেশি চাঁদিঠোঁট বা মুনিয়া পাখি দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকা থেকে।

এরা ধূসর ঠোঁট ও কালো লেজের পাখি। দেহের দৈর্ঘ্য ১০ সেন্টিমিটার এবং ওজন প্রায় ১২ গ্রাম। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির সাদা কোমর, দেহের পেছনের অংশ, ডানাসহ পিঠ ফিকে ও মেটে বাদামি।

লম্বা সুচালো লেজ কালো। দেহতল সাদাটে। ঠোঁট ত্রিকোণাকার ও ধূসরাভ। পা, পায়ের পাতা ও নখর ধূসরাভ-পাটল রঙের। ছেলে ও মেয়ে পাখির চেহারা অভিন্ন।

কাশবন, বালুময় শণবন, নদীতীরের আবাদি জমি ও কাঁটা ঝোপে এরা বিচরণ করে। ভারতীয় উপমহাদেশ, মধ্যপ্রাচ্যে এদের দেখতে পাওয়া যায়। প্রকৃতিগতভাবে এরা মুনিয়ার সমগোত্রীয়।

এ পাখি সচরাচর দলে থাকে। ভূমিতে, ঘাসবনে ও মেঠোপথে লাফিয়ে লাফিয়ে খাবার খোঁজে। খাদ্যতালিকায় রয়েছে বীজ ও ছোট পোকা। এরা কোনো কোনো সময় বাবুই পাখির পরিত্যক্ত বাসায় রাত কাটায়। প্রজনন সময় জুলাই থেকে ডিসেম্বর।

কাঁটা ঝোপের দুই-তিন মিটার উঁচুতে ঘাস, পাতা, পালক, পশম ও তুলা দিয়ে বলের মতো বাসা বানায় এবং ডিম পাড়ে। ডিমের রং সাদা, সংখ্যায় চার থেকে আটটি। ছেলে ও মেয়ে পাখি দুজনই ডিমে তা দেয় এবং ছানা পালন করে।

নওগাঁ সদর উপজেলার পার-নওগাঁ এলাকার এক ধানক্ষেত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন ফটোগ্রাফার শামীনূর রহমান। তবে খুব বেশি একটা দেখা যায় না এদের।

আব্বাস আলী/এসইউ/এএ/পিআর

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)