সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬১%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

সুন্দরবনের দুয়ার খুললেও মাছ-কাঁকড়া ধরতে যেতে পারছেন না অনেক জেলে

তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরার অনুমতি মিললেও বৈরী আবহাওয়া, মরা কাটাল, নৌকা নিয়ে যাওয়ার খরচ আর বনদস্যুদের চাঁদার আতঙ্কে কয়রার অনেক জেলে বনে যেতে পারছেন না।

সুন্দরবনের দুয়ার খুললেও মাছ-কাঁকড়া ধরতে যেতে পারছেন না অনেক জেলে
মৎস্য

সুন্দরবনে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ও কাঁকড়া ধরার সুযোগ ফিরলেও খুলনার কয়রার অনেক জেলে এখনো বনে যেতে পারছেন না। বৈরী আবহাওয়া, নদীতে মরা কাটাল, নৌকা নিয়ে বনে যাওয়ার খরচ আর বনদস্যুদের চাঁদা দাবির আতঙ্ক তাঁদের পথ আটকে দিয়েছে।

জীববৈচিত্র্য ও মাছের প্রজনন রক্ষায় বন বিভাগ এ বছর ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে সব ধরনের প্রবেশ বন্ধ রেখেছিল; ১ সেপ্টেম্বর থেকে জেলে ও পর্যটকদের জন্য বন আবার খুলেছে। নিষেধাজ্ঞার সময় অনেক পরিবারের সংসার চলেছে ধারদেনায়, কেউ বিকল্প কাজ খুঁজেছেন। মৌসুমের আয়ে সেই দেনা শোধের আশা ছিল তাঁদের।

কয়রার জেলে সিরাজ শেখ বলেন, তিন মাস পর অনুমতি পেলেও কয়েক দিনের বৃষ্টি, মরা কাটাল আর চাঁদার টাকা জোগাড় করতে না পারায় বনে যাওয়া হয়নি। দক্ষিণ বেদকাশির জেলে আব্দুল মজিদ ঢালী জানান, তিন মাস আয় না থাকায় দোকানে ধার জমেছে; অনুমতি নিলেও বনে যাওয়ার খরচ জোগাড় করাই কঠিন।

বন বিভাগের তথ্যে, পশ্চিম সুন্দরবনের খুলনা রেঞ্জে নিবন্ধিত বোট লাইসেন্স সার্টিফিকেট (বিএলসি) ২ হাজার ৭১৭টি, সাতক্ষীরা রেঞ্জে ২ হাজার ৯০০টি। প্রতিটি নৌযানে সাধারণত দুই থেকে তিনজন জেলে থাকেন। কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন জানান, তাঁদের স্টেশনে ৮৮৪টি নৌযানের বিএলসি থাকলেও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ৩৪২ জন জেলে বনে প্রবেশের অনুমতি নিয়েছেন।

জেলেদের একাংশের অভিযোগ, বৈধ খরচের বাইরে দস্যুদের চাঁদার আশঙ্কা তাঁদের ভাবিয়ে তুলছে। দীর্ঘদিন আয় বন্ধ থাকায় নৌযান প্রস্তুত, জ্বালানি ও অন্যান্য খরচ মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা; সম্ভাব্য ঝুঁকি ও খরচের কথা ভেবে কেউ কেউ অনুমতি নেওয়া থেকেও বিরত থাকছেন।

জেলেদের এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই সুন্দরবনের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে পর্যটকের আনাগোনা বাড়ছে, পর্যটক পরিবহনের নৌযানও চলাচল শুরু করেছে। জেলেরা বলছেন, পুঁজি, অনুকূল আবহাওয়া ও নিরাপদে বনে যাওয়ার নিশ্চয়তা না পেলে বনের দুয়ার খোলার সুফল তাঁদের কাছে অধরাই থেকে যাবে।

প্রতিবেদনটি কৃষি সময়ের খুলনা সংবাদদাতার।

ছবি: সুন্দরবনে জেলেরা, David M. / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)

সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

বুড়ির বাঁধের গেট খুলতেই মাছ ধরার উৎসব, তবে এবার মাছ কম

ঠাকুরগাঁও সদরের শুক নদীর বুড়ির বাঁধের পাঁচটি গেট খুলে দেওয়ার পর শনিবার ভোর থেকে হাজারো মানুষ মাছ ধরতে নেমেছেন; তবে রিং ও কারেন্ট জালের কারণে দেশি মাছ কমে যাওয়ার অভিযোগ করছেন শৌখিন শিকারিরা।

দেশ রূপান্তর২৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

১০টি হাঁসের ডিম থেকে ১৬ একরের সমন্বিত খামার, নোয়াখালীর বিবি রহিমার লড়াই

নোয়াখালী সদরের দরবেশপুরের বিবি রহিমা ২৩ বছর আগে প্রতিবেশীর ১০টি হাঁসের ডিম মুরগির নিচে ফুটিয়ে শুরু করেছিলেন; এখন তাঁর প্রায় ১৬ একরের খামারে মাছের ঘের, গরু-ছাগল, ৫০০ হাঁস, ৩৫০ মুরগি ও সবজি।

প্রথম আলো২৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

বাঁশখালীতে অর্ধলাখ জেলে, নিবন্ধিত মাত্র ১৩,৭৯৪; নিষেধাজ্ঞায় অনটনে বেশির ভাগ পরিবার

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অর্ধলাখের বেশি মৎস্যজীবীর মধ্যে নিবন্ধিত মাত্র ১৩ হাজার ৭৯৪ জন; সরকারি চাল পেয়েছেন প্রায় ৬,৫০০ জন।

দৈনিক আজাদী২৪ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)