বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাম তেল উৎপাদক ইন্দোনেশিয়া ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে প্রায় সব পাম তেলজাত পণ্যের রপ্তানি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দিচ্ছে; বছরব্যাপী সেই রূপান্তর এখন শেষ পর্যায়ে, জানিয়েছে গ্লোবাল এগ্রিকালচার।
২০২৬ সালের ১ জুন কার্যকর হওয়া বাণিজ্যমন্ত্রীর বিধি (পারমেনডাগ) নম্বর ১৬/২০২৬-এর আওতায় আছে অপরিশোধিত পাম তেল, পরিশোধিত পাম তেল ও ওলিন, ব্যবহৃত রান্নার তেল আর পামের অবশিষ্টাংশ। পূর্ণ বাস্তবায়ন শুরু হলে শুধু বৈধ রপ্তানি অনুমতিপ্রাপ্ত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এসব পণ্য বিদেশে পাঠাতে পারবে। বেসরকারি রপ্তানিকারকেরা মিনিয়াকিতা ভর্তুকির রান্নার তেল কর্মসূচির দেশীয় বাজার বাধ্যবাধকতায় যোগ দিয়ে, অথবা নির্ধারিত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কাছে অধিকার হস্তান্তর করে রপ্তানির সুযোগ রাখতে পারবেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কৃষি ও বনজ পণ্য রপ্তানির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক বায়ু উইকাকসোনো পুত্রো বলেন, পণ্যের তালিকা একই থাকছে, তবে দেশ থেকে পাম তেল বের হওয়ার পথ কড়াভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত বর্তমান রপ্তানিকারকেরা মোটামুটি আগের মতোই কাজ করবেন, নিজেদের নামে কাগজপত্র রাখবেন, তবে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানকে বাড়তি ইলেকট্রনিক প্রতিবেদন দিতে হবে। প্রথম তিন মাসে নতুন ব্যবস্থার মূল্যায়ন করবে অর্থনীতিবিষয়ক সমন্বয় মন্ত্রণালয়।
অক্টোবরের জন্য অপরিশোধিত পাম তেলের রেফারেন্স দাম টনপ্রতি ১,০৪২.১৫ ডলার, সেপ্টেম্বরের ১,০০৭.৫১ ডলারের চেয়ে ৩.৪৪ শতাংশ বেশি; এতে রপ্তানি শুল্ক টনপ্রতি ১৭৮ ডলার আর লেভি ১২.৫ শতাংশ, প্রায় ১৩০.২৭ ডলার। জাকার্তা বলছে, বছরে ২ হাজার কোটি ডলারের বেশি এই বাণিজ্য ব্যাহত না করেই রাষ্ট্রায়ত্ত রপ্তানিকারকদের শক্তিশালী করা হচ্ছে।
পাম তেল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কেনাবেচা হওয়া উদ্ভিজ্জ তেল, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, রান্নার তেল ও বায়োডিজেলের মূল উপকরণ; তাই নতুন ব্যবস্থায় জট বা দামের বিকৃতি হয় কি না, মূল্যায়নের সময়টায় ভারতের মতো আমদানিকারকেরা তা নজরে রাখবে।
ছবি: Achmad Rabin Taim / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: গ্লোবাল এগ্রিকালচার





মন্তব্য
(০)