পর্যটন এলাকায় প্লাস্টিক দূষণ কমানো ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারের লক্ষ্যে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের রাধানগর পর্যটন এলাকায় সচেতনতা সভা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রাধানগর রিসোর্ট মালিক সমিতির কাছে একটি প্লাস্টিক ক্রাশার মেশিন হস্তান্তর করা হয়।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) শ্রীমঙ্গলের বালিশিরা রিসোর্টে কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের 'ইন্টিগ্রেটেড অ্যাপ্রোচ টুওয়ার্ডস সাসটেইনেবল প্লাস্টিকস ইউজ অ্যান্ড মেরিন লিটার প্রিভেনশন ইন বাংলাদেশ' প্রকল্পের আওতায় এ আয়োজনে কারিগরি সহযোগিতা দেয় জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইউনিডো), আর্থিক সহায়তা দেয় ঢাকার রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাস। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, সভা, প্রচার, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মেশিন হস্তান্তর মিলিয়ে প্রায় ৩০০ অংশীজন অংশ নেন।
সভায় পর্যটন এলাকায় প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক কমানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচকেরা বর্জ্য উৎপত্তিস্থলেই আলাদা করা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ ঠিকভাবে সংগ্রহ এবং রিসোর্টসহ পর্যটন ব্যবসায় টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালুর ওপর জোর দেন।
প্রধান অতিথি পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, চা-বাগান, সবুজ বন ও সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের শ্রীমঙ্গল দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র, এর প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা সবার দায়িত্ব। যেখানে-সেখানে ফেলা প্লাস্টিকের বোতল, কাপ ও খাবারের প্যাকেট পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট করছে; পর্যটক, স্থানীয় বাসিন্দা, রিসোর্ট মালিক ও ব্যবসায়ীদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মাঈদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রকল্পের লক্ষ্য তুলে ধরেন ইউনিডোর প্রতিনিধি। রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি কুমকুম হাবিবা, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানভীর লিংকন ও সাধারণ সম্পাদক তারিকুর রহমান পাপ্পুসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।
প্রতিবেদন: সমকালের শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি।
ছবি: শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান, Mar11 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: সমকাল





মন্তব্য
(০)