যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিমের মাংস প্রক্রিয়াকরণ শহরগুলোতে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই)-র অভিযানে হাজার হাজার মোটাতাজা গরুর প্রক্রিয়াকরণ পিছিয়ে গেছে, আর খামারিদের কোটি কোটি ডলারের আয় হারিয়েছে বলে জানিয়েছে পশুপালকদের সংগঠনগুলো।
অভিযান চলছে ডজ সিটি, গার্ডেন সিটি/হলকম্ব ও লিবারেলে, যাকে মাংস প্রক্রিয়াকরণের ‘গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল’ বলা হয়। সেখানে কারগিল, ন্যাশনাল বিফ ও টাইসন ফুডসের কারখানাগুলো দিনে প্রায় ২৪ হাজার গরু জবাই করতে পারে, যা দেশের মোটাতাজা গরু জবাইয়ের ২০ শতাংশের বেশি। ইউএসডিএ-র দৈনিক হিসাবে বুধবার জবাই ৯ শতাংশ এবং বৃহস্পতিবার প্রায় ১৬ শতাংশ কমেছে; আগের সপ্তাহের তুলনায় ২৩ সেপ্টেম্বর ৮ হাজার ও ২৪ সেপ্টেম্বর ১৭ হাজার গরু কম প্রক্রিয়াজাত হয়েছে।
সংগঠনগুলো বলছে, অভিযানে বৈধ ও নথিভুক্ত শ্রমিকদের মধ্যেও "ব্যাপক আতঙ্ক" ছড়িয়েছে; ফিডইয়ার্ড, দুগ্ধখামার, প্রক্রিয়াকারী, খাদ্য ও শস্য কোম্পানি এবং পরিবহনকেন্দ্রে বিঘ্ন ঘটছে। এর প্রভাব কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ থাকতে পারে এবং মাংসের দাম বাড়বে বলে তাদের সতর্কবার্তা। তারা আইনানুগ, সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ অভিযানের দাবি জানিয়েছে।
এমন সময়ে এই অভিযান, যখন প্রশাসন গরুর মাংসের দাম কমাতে চেষ্টা করছে, যার মধ্যে ৩ লাখ মেট্রিক টন আমদানি করা মাংসের ছাঁটের শুল্ক সাময়িকভাবে তুলে নেওয়াও আছে। তিন শহরের স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, তাঁদের আগে কিছু জানানো হয়নি।
ক্যানসাসের রিপাবলিকান সিনেটর জেরি মোরান ও রজার মার্শাল আইসিইকে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করতে বলেছেন। মোরান জানান, স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তামন্ত্রী মার্কওয়েন মালিন তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন, পরোয়ানাগুলো কেবল অপরাধে অভিযুক্তদের জন্য। প্রতিবেদনটি লিখেছেন ক্রিস ক্লেটন।
ছবি: Billy Hathorn / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: DTN / Progressive Farmer





মন্তব্য
(০)