দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (এআরসি) ও তার পর্ষদ কৃষিমন্ত্রী উইলি আউক্যাম্প (Willie Aucamp)-এর একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে: দেশি বা বিদেশি যোগ্য বেসরকারি প্রস্তুতকারকদের লাইসেন্স দিয়ে কাউন্সিলের খুরারোগের টিকা তৈরি করানো হবে। ২২ সেপ্টেম্বর সিদ্ধান্তটি জানিয়ে আউক্যাম্প একে পশুপালন ও জৈবনিরাপত্তার জন্য বড় অগ্রগতি বলেন, তবে সতর্ক করেন যে রাতারাতি এটি হবে না।
এআরসি ফার্মার্স উইকলিকে জানিয়েছে, প্রক্রিয়া ঠিক করতে কারিগরি ও প্রশাসনিক যাচাই শুরু হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের ক্রয়নীতি মানতে হবে, আর ভাইরাসটি অত্যন্ত সংক্রামক বলে আন্তর্জাতিক জৈবনিরাপত্তা মান মানা জরুরি। কবে প্রস্তুতকারক নিয়োগ হবে বা তাদের তৈরি প্রথম টিকা কবে আসবে, সেই তারিখ এখনো ঠিক হয়নি। লাইসেন্সের আয় এআরসির নিজস্ব কারখানা বাড়াতে খরচ হবে।
কাউন্সিল এখন প্রতি উৎপাদন চক্রে, মোটামুটি মাসে একবার, প্রায় ২০ হাজার ডোজ তিন-ধরনের টিকা বানায়, যা এসএটি১, এসএটি২ ও এসএটি৩ সেরোটাইপ ঠেকায়। ২০ লিটারের পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা থেকে এখন ২০০ লিটারের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা চালু আছে; ২০২৭ সালে ১ হাজার লিটারের ব্যবস্থায় মাসে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার ডোজ তৈরির আশা। বেসরকারি খাত কতটা যোগ করবে, তা জানানো হয়নি।
এআরসি বলছে, এক ডোজে ১২ মাস সুরক্ষার পক্ষে তথ্য আছে, তবে প্রচলিত ভাইরাস, পশুর বয়স ও জাতীয় কৌশলভেদে টিকার ব্যবধান আলাদা হতে পারে। ২০২৬ সালের অক্টোবরে দেশের মাঠ থেকে সংগ্রহ করা ভাইরাসের নমুনা যুক্তরাজ্যের পিরব্রাইট ইনস্টিটিউটে পাঠানো হবে টিকার মিল যাচাইয়ের দ্বিতীয় দফা পরীক্ষার জন্য।
কৃষক সংগঠন টাউ এসএ-র প্রধান নির্বাহী বেনি ভ্যান জিল সিদ্ধান্তটিকে "খুব ইতিবাচক পদক্ষেপ" বলেছেন; তাঁর মতে উৎপাদন বাড়লে সরবরাহ ও দাম দুটোই ভালো হতে পারে, তবে টিকাটি করদাতার টাকায় তৈরি, সেটি মনে রাখতে হবে। ডুনেভ্যাক্স বায়োটেকের ডেভিড গারবার স্বচ্ছভাবে মানসম্মত কারখানা বাছাইয়ের আহ্বান জানান। প্রতিবেদনটি করেছেন হানলি ডু প্লেসিস।
ছবি: Cgoodwin / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা




মন্তব্য
(০)