খরা, পানির সংকট, তাপ সহিষ্ণুতা আর বাজার নিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের লাবকে বসেছিল ২০২৬ সালের বৈশ্বিক জোয়ার সম্মেলন, যেখানে ২০টি দেশের বিজ্ঞানী, উৎপাদক ও শিল্পসংশ্লিষ্টরা যোগ দেন, জানিয়েছে ফার্ম প্রেস।
ন্যাশনাল সরগাম প্রোডিউসার্সের প্রধান নির্বাহী টিম লাস্ট (Tim Lust) এ বছরের মার্কিন ফসলকে বলেছেন ‘দুই পৃথিবীর গল্প’। টেক্সাসের সাউথ প্লেইনস, কলোরাডো ও মধ্য কানসাসে খরা ও তীব্র গরম, আর দক্ষিণ টেক্সাসে অতিবৃষ্টি; ফলে আবাদ ও ফলন দুটোই কমবে, তবে মোটামুটি ভালো ফসলের আশা করছেন তিনি।
লাবক জোয়ারের জেনেটিকসের কেন্দ্র: লাস্টের মতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক হাইব্রিডের মূল উৎস টেক্সাস। গ্লোবাল সরগাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের প্রজননবিদ ডেভিড জর্ডান বলেন, অস্ট্রেলিয়ার খরা সহিষ্ণুতাসহ অনেক উদ্ভাবনের শুরু এখানে। তাঁর ভাষায়, লক্ষ্য শুধু ভালো জাত নয়, সেগুলো দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছানো।
তার জন্য অর্থ দরকার। লাস্ট বলেন, ভুট্টা বা সয়াবিনে যে গবেষণা বিনিয়োগ হয়েছে, জোয়ারে তা হয়নি; তাই নতুন অর্থায়ন আর জিন সম্পাদনার মতো প্রযুক্তি এই ফসলকে অনেক দ্রুত এগোতে দেবে।
জর্ডান বলেন, জোয়ার চাষ হয় খরাপ্রবণ কঠিন এলাকায়; আফ্রিকার ক্ষুদ্র কৃষকের জন্য ভালো জোয়ার মানে সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে পারা বা না পারার পার্থক্য। লাস্টের মতে, আবহাওয়া কঠিন হওয়ার সময়ে জোয়ারের সহজাত তাপ সহিষ্ণুতা বড় আশীর্বাদ। প্রতিবেদনটি করেছেন শেলি ই. হুগুলি।
ছবি: Swathi Sridharan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farm Progress





মন্তব্য
(০)