সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৬°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৩%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

ফ্যাশনে সাপের ছোঁয়া, বিলাসিতা-রহস্য আর সাহসের প্রতীক

ফ্যাশনের জগতে ট্রেন্ড আসে, যায়; কিন্তু কিছু প্রতীক সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে হয়ে ওঠে অনন্ত। তেমনই একটি প্রতীক হচ্ছে সাপ-যার উপস্থিতি এখন শুধু গয়না বা পোশাকে নয়, পুরো ফ্যাশন নন্দনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একদিকে রহস্যময়তা, অন্যদিকে সৌন্দর্য ও শক্তির প্রতীক হয়ে, সাপের নকশা আজ নতুনভাবে দখল করে নিচ্ছে আধুনিক স্টাইল দ

ফ্যাশনের জগতে ট্রেন্ড আসে, যায়; কিন্তু কিছু প্রতীক সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে হয়ে ওঠে অনন্ত। তেমনই একটি প্রতীক হচ্ছে সাপ-যার উপস্থিতি এখন শুধু গয়না বা পোশাকে নয়, পুরো ফ্যাশন নন্দনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একদিকে রহস্যময়তা, অন্যদিকে সৌন্দর্য ও শক্তির প্রতীক হয়ে, সাপের নকশা আজ নতুনভাবে দখল করে নিচ্ছে আধুনিক স্টাইল দুনিয়া।

সাপের নকশা কোনো সাম্প্রতিক আবিষ্কার নয়। হাজার বছর আগেও প্রাচীন মিশর, গ্রিস ও ভারতের অলঙ্কারে দেখা যেত প্যাঁচানো সাপের মোটিফ। সে সময় সাপকে ধরা হতো অমরত্ব, প্রজ্ঞা ও পুনর্জন্মের প্রতীক হিসেবে। রাজপরিবারের নারীরা তাদের ক্ষমতা ও সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে সাপ-নকশা করা গয়না পরতেন। এই ঐতিহ্যই আধুনিক ফ্যাশনে নতুন রূপে ফিরে এসেছে।

আধুনিক যুগে সাপের নকশাকে সবচেয়ে সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে বিলাসবহুল ব্র্যান্ড বুলগারি। তাদের বিখ্যাত 'সার্পেন্তি' সংগ্রহ যেন সাপের মসৃণ বাঁক, চোখের ঝিলিক আর রহস্যময় আকর্ষণকে রূপ দিয়েছে হীরা, সোনা আর মূল্যবান রত্নে। এই সংগ্রহের অন্যতম মুখ প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তার গলায় বা হাতে থাকা সাপ-নকশার গয়না যেন নারীসুলভ শক্তি ও আভিজাত্যের প্রতীক। এক নজরে বোঝা যায় বুলগারির কাছে সাপ কেবল নকশা নয়, এক শিল্পবোধের প্রকাশ।

বিলাসিতার এই প্রতীক শুধু আন্তর্জাতিক রেড কার্পেটে নয়, ভারতীয় তারকাদের মধ্যেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

সাপের-নকশার নেকপিসে বেশ আত্মবিশ্বাসী লাগছে সামান্থাকে।

তামান্না ভাটিয়ার গলায় ঝুলছে হীরা ও রত্নখচিত সাপ-নকশার নেকলেস-যা যেন নিজেই এক শিল্পকর্ম।

জেন্ডায়ার হাতে ভাইপার স্টাইলের আংটি ও ব্রেসলেট-আধুনিক নারীর সাহসী রূপের প্রতীক।

সাপের ডিজাইনের গহনায় তৃপ্তিকে লাগছে আকর্ষণীয় ও রহস্যময়।

ইশা আম্বানি এক ইভেন্টে পরেছিলেন সাপের নকশায় তৈরি নেকপিস, যা তার রাজকীয় উপস্থিতিকে আরও উজ্জ্বল করেছে।

শুধু গয়না নয়, পোশাকেও এখন সাপের প্রিন্ট ও নকশা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। ড্রেস, ব্লাউজ, শার্ট কিংবা ট্রাউজারে সাপের স্কিনের প্রিন্ট এখন ট্রেন্ডের শীর্ষে। এই প্রিন্টে একধরনের শক্তি ও সাহসিকতা প্রকাশ পায়, যা বিশেষ করে আধুনিক কর্মজীবী নারীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হচ্ছে। ফ্যাশন হাউসগুলো এখন সাপের চামড়ার নকশা ব্যবহার করছে এমনভাবে, যাতে পশুর ক্ষতি ছাড়াই তৈরি হয় কৃত্রিম কিন্তু বাস্তবসম অনুভূতিমূলক টেক্সচার।

ব্যাগ, বেল্ট, মানিব্যাগ, জুতা সব জায়গাতেই এখন সাপের ডিজাইন। বিশেষ করে স্নেক স্কিন প্যাটার্নের হ্যান্ডব্যাগ এবং হিল জুতা হয়ে উঠেছে রেড কার্পেটের প্রিয় পছন্দ। এগুলো শুধু স্টাইল নয়, ব্যক্তিত্বেরও প্রকাশ। কারণ ফ্যাশনে সাপ মানেই এক ধরনের রহস্যময় আকর্ষণ।

ফ্যাশনে সাপের জনপ্রিয়তা কেবল নকশার সৌন্দর্যে নয়, বরং এর প্রতীকি অর্থেও। সাপ একদিকে শক্তি ও সুরক্ষার প্রতীক, অন্যদিকে রূপান্তর ও পুনর্জন্মের। তাই আজকের স্বাধীনচেতা নারীরা এই মোটিফে খুঁজে পান আত্মবিশ্বাস, সাহস আর আত্মমর্যাদার প্রতিচ্ছবি।

যেভাবে পুরোনো পৌরাণিক প্রতীক আজ নতুনভাবে ফিরে আসছে ফ্যাশনের ভাষায়, তা দেখলে বোঝা যায় ট্রেন্ড আসলেও, প্রতীকের শক্তি কখনও মরে না।

২০২৫ সাল নিঃসন্দেহে সাপের ফ্যাশনের বছর। গয়না থেকে পোশাক, আনুষঙ্গিক থেকে মেকআপ পর্যন্ত, সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে এই মোটিফের আবেদন। ফ্যাশন প্রেমীদের কাছে এটি শুধু স্টাইল নয়, বরং আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা। সাপের বাঁকানো রেখার মতোই রহস্যময়, আকর্ষণীয় আর শক্তিশালী হয়ে উঠছে আধুনিক নারীর ফ্যাশন ভাষা।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

মাটি থেকে ভারী ধাতু টানে ঝাল মরিচ, তবু ফলে থাকে নিরাপদ মাত্রায়: কেনটাকির গবেষণা

কেনটাকি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ পরীক্ষায় দেখা গেছে, জর্জিয়া ফ্লেম জাতের ঝাল মরিচ মাটি থেকে ক্যাডমিয়াম, নিকেল, তামা ও দস্তা শুষে নিলেও ফলে ধাতুর মাত্রা ছিল অনুমোদিত সীমার নিচে।

Farms.com৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরফের রাজ্য গরম হচ্ছে দ্রুত, হিমবাহ হ্রদের বন্যায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ভারতে

কপ৩১-এর আগে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদন বলছে, ১.৫ ডিগ্রির সীমা সাময়িক পেরোলেও বরফের ক্ষতি স্থায়ী হবে; জাতিসংঘের নেতৃত্বে আরেক গবেষণা বলছে, ১৮৩৫ সাল থেকে হিমবাহ হ্রদের বন্যায় ভারতে মারা গেছেন ৬ হাজার ১১৯ জন।

ডাউন টু আর্থ২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

কপ৩১-এ ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চাইবে বাংলাদেশ

তুরস্কের আনতালিয়ায় কপ৩১-এর ১১-১২ নভেম্বরের ওয়ার্ল্ড লিডার্স সামিটে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান; বাংলাদেশ সেখানে অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন ও বড় নির্গমনকারী দেশগুলোর জবাবদিহি দাবি করবে।

বাসস২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)