সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৯%বাতাস ১০ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.২ মিমি

ক্ষেতের শাক-সবজি খেয়ে ফেলছে শামুক

রাতের অন্ধকারে ক্ষেতের শাক-সবজির গাছ খেয়ে ফেলছে এক প্রজাতির শামুক। এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানান কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে।

রাতের অন্ধকারে ক্ষেতের শাক-সবজির গাছ খেয়ে ফেলছে এক প্রজাতির শামুক। এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানান কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে।

এরা বিভিন্ন পাতা, গাছের নরম বাকল, ফল, শাক-সবজি গাছ ইত্যাদি খেয়ে ব্যাপক ক্ষতি করছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বরাব এলাকায় এমন ঘটনা ঘটছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বরাব এলাকায় আখতার হোসেনের বাড়ির আশপাশে দেখা যাচ্ছে এক প্রজাতির শামুক। শামুকগুলোর খোলসের ওপর একপ্রকার সাদা দাগ কাটা রয়েছে। দিনের বেলায় এরা বাড়ির দেয়ালে ও বিভিন্ন গাছে এবং বড় বড় ঘাসের নিচে লুকিয়ে থাকে। রাত হলেই ঝাঁক বেঁধে শামুকগুলো ক্ষেতে শাক পাতা ও সবজির গাছ খেয়ে ফেলে।

শামুকগুলো লম্বা প্রকৃতির। গত দুই তিন মাস ধরে ব্যাপক হারে ওই এলাকায় এসব শামুক দেখা যাচ্ছে। এর আগেও দুই-একটি করে এদের দেখা যেত। শাক-সবজি থেকে শুরু করে বিভিন্ন গাছেরও ক্ষতি করছে এরা। দিনের বেলায় এসব শামুক খুব কমই নড়াচড়া করে। তবে সন্ধ্যার পর বাড়ির আশেপাশে এবং রাস্তাঘাটে বেশি পরিমাণ দেখা যায়। কোনো কোনো শামুকের খোলস ২ থেকে ৩ ইঞ্চি লম্বা। আর শামুক যখন চলাফেরা করে তখন ৩-৪ ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে।

ছোট-বড় বিভিন্ন সাইজের এ প্রজাতির শামুক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। এনিয়ে পুরো এলাকায় হৈচৈ শুরু হয়েছে। এছাড়া খবর পেয়ে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসব শামুক দেখতে আসছেন।

বরাব এলাকার বাসিন্দা আখতার হোসেন জানান, গত কয়েক মাস ধরে এ প্রজাতির শামুকের বিচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দিনে শামুকের সংখ্যা কম থাকলেও রাত হলে বেড়ে যায়। দিনের বেলায় এরা আম, কাঁঠাল, কলা গাছসহ বিভিন্ন গাছে ও ঘাসের নিচে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন দেয়ালেও থাকে। বাড়ির আশপাশে শাক-সবজি চাষ করলে শামুকগুলো তা খেয়ে ফেলে। এ কারণে এখন আর শাকসবজি চাষাবাদ করি না। কোথা থেকে এতো শামুক এসেছে তা কেউই বলতে পারছেনা। দিন দিন এসব শামুক ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

দেওয়ান রনি নামের এক যুবক জানায়, এলাকার লোকজন অনেক সময় এ শামুক দেখামাত্র মেরে ফেলে। এ ধরনের শামুক আগে এই এলাকায় কোথাও দেখা যায়নি। এছাড়া শুকনো জমিতে এভাবে শামুক চলাফেরা করতে আগে কখনো দেখিনি। তবে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন দোকানে এ ধরনের শামুকের খোলসে বিভিন্ন কিছু লিখে বিক্রি করতে দেখেছি।

এ ব্যাপারে কালিয়াকৈর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, শামুক এভাবে শাক-সবজি খাচ্ছে এবং ক্ষতি করছে এমন বিষয় নিয়ে কেউ আগে জানায়নি। বিষয়টি আমার কাছে একেবারেই নতুন। তবে শামুক মাটি দিয়ে চলাচল করলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায় এবং মাটির ভেতর বাতাস ঢুকতে পারে। এটা কৃষির জন্য ভালো। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানান।

গাজীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মর্ত্তুজ আলী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। যেহেতু শামুক মৎস্য অধিদপ্তরের বিষয় তারা এ ব্যাপারে বলতে পারবে।

কালিয়াকৈর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সলিমুল্লাহ বলেন, এমন ঘটনা আগে শুনিনি। তবে শামুক মানুষের জন্য ক্ষতিকর না। কিন্তু শাক-সবজি খেয়ে ফেলছে এবং বিনষ্ট করছে এটা তো অবশ্যই কৃষকের জন্য ক্ষতি। যেহেতু কৃষির বিষয়টি সঙ্গে জড়িত এটা কৃষি কর্মকর্তারা ভালো বলতে পারবে।

বাংলা নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

প্লাস্টিকে ডুবছে নদী: বুড়িগঙ্গার তলদেশে পুরোনো বোতল, মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিক

দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয়, যার বড় অংশ গিয়ে জমছে নদীতে; বুড়িগঙ্গার মাছ ও কাঁকড়ায় মাইক্রোপ্লাস্টিক মিলেছে, অথচ পলিথিন নিষেধাজ্ঞা ও আদালতের আদেশ কার্যকর হয়নি।

দ্য ডেইলি স্টার২ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

শরতের ভোরেই কুয়াশা, উত্তরের জেলাগুলোতে ঘন চাদরে ঢাকা মাঠঘাট

শরৎ চলছে, তবু দেশের নানা অঞ্চলে ভোরে কুয়াশা নামছে, উত্তরাঞ্চলে বেশি; পঞ্চগড়, রংপুর, পাবনা, নওগাঁ ও সাজেক থেকে তোলা প্রথম আলোর ছবির গল্প।

প্রথম আলো২ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
বাংলাদেশ

তিস্তা মিয়েন্ডার প্লাবনভূমি (AEZ-3): উঁচু-নিচু জমি, অম্লীয় মাটি আর বহুফসলি কৃষির সম্ভাবনা

দেশের তৃতীয় কৃষি-পরিবেশ অঞ্চল তিস্তা মিয়েন্ডার প্লাবনভূমি পঞ্চগড় থেকে বগুড়া পর্যন্ত প্রায় সাড়ে নয় লাখ হেক্টরজুড়ে। নদীর পুরোনো বাঁকে গড়া এই সমভূমিতে পাশাপাশি উঁচু জমি আর নিচু বেসিন, মাটি অম্লীয়, কয়েকটি পুষ্টির ঘাটতিও আছে। রংপুরের নতুন গবেষণা বলছে, একই জমিতে বছরে চার-পাঁচটি ফসল সম্ভব। স্যাটেলাইট তথ্য আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিটি জমির জন্য সঠিক ফসল বাছতে সাহায্য করতে পারে, যদি সেই পরামর্শ আগে কৃষকের মাঠে যাচাই হয়।

তানিয়া চৌধুরী২ অক্টোবর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)