পাশের কোনো পরীক্ষামূলক প্লটে একটি হাইব্রিড জাত ভালো ফলন দিলে সেটি ভেবে দেখার মতো, তবে একটি প্লট পুরো উত্তর দেয় না। যুক্তরাষ্ট্রের বীজ প্রতিষ্ঠান মাস্ট্যাং সিডসের মাঠ কৃষিবিদ ব্রায়ান টার্নাস (Brian Ternus) ক্রপলাইফকে জানিয়েছেন, মাঠ পরীক্ষার তথ্য দিয়ে কীভাবে ভেবেচিন্তে বীজ বাছাই করা যায়।
খামারের পরীক্ষামূলক প্লট গবেষণা প্লটের মতো বহুবার পুনরাবৃত্তি ও তুলনা দিয়ে হয় না; মাঠ আর চাষিভেদে ফল বদলায়। টার্নাসের ভাষায়, কোনো পণ্য নির্দিষ্ট মাঠ বা মৌসুমের সঙ্গে খাপ খেলে এক প্লটে দারুণ করতেই পারে। আসল মূল্য অনেক প্লটের ফল একসঙ্গে দেখায়; তিনি এমন ভুট্টা ও সয়াবিন বীজ বাছেন, যা কয়েকটি প্লটে নিয়মিত শীর্ষ এক-চতুর্থাংশে থাকে, কারণ ধারাবাহিকতাই নানা আবহাওয়া সামলায়।
ঝুঁকি ভাগ করতে কয়েকটি জাত মিলিয়ে বোনারও পরামর্শ তাঁর। এ মৌসুমে পূর্ব সাউথ ডাকোটা ও দক্ষিণ-পশ্চিম মিনেসোটায় খরা ছিল, তাই খরা সহনশীল বীজ এগিয়ে ছিল; আগের বছর রোগের চাপ বেশি থাকায় রোগ সহনশীল বা ছত্রাকনাশকে ভালো সাড়া দেওয়া বীজ ভালো করেছিল। যেমন ৫২জি০২ হাইব্রিড এ বছর প্লটে ভালো, অথচ আগের মৌসুমে সাউদার্ন রাস্ট রোগে পিছিয়ে ছিল।
পরীক্ষার প্লট দেখে বীজ কেনার আগে জানতে চান মাটির ধরন, মৌসুম ওই মাঠে কেমন গেছে, ছত্রাকনাশক দেওয়া হয়েছিল কি না, ফসলচক্র কী আর বাড়তি কোনো বৈশিষ্ট্য ছিল কি না। তারপর কৃষিবিদ বা বিক্রেতার কাছে জানুন পণ্যটি এলাকাজুড়ে কেমন করছে, অন্য অবস্থায় কেমন, আর এক-দুই বছরের পুরোনো পণ্য হলে চাষিদের নিজেদের মাঠে কেমন ফল দিয়েছে।
বাছাইয়ের পরও প্লটের তথ্য কাজে লাগে। টার্নাস বলেন, কোনো হাইব্রিড কাণ্ডপচা রোগে বেশি সংবেদনশীল জানা থাকলে সেভাবে যত্ন নেওয়া যায় এবং একটু আগে ফসল তোলা যায়।
ছবি: inkknife_2000 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: ক্রপলাইফ





মন্তব্য
(০)