সৌদি আরবের কৃষি রোবট স্টার্টআপ টেরাসেন্স (TerraSense) গবেষণা থেকে বাণিজ্যিক ব্যবহারে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে অ্যাগনেভিগেটর। আগামী ১২ মাসে প্রথমে চীনে, পরে সৌদি আরব ও ইতালিতে পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালানোর পরিকল্পনা আছে তাদের। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও হংকং থেকেও আগ্রহ এসেছে।
সমস্যাটা হলো, ড্রোন আর স্যাটেলাইট প্রায়ই ফসলের চাপ ধরে ক্ষতি অনেকখানি হয়ে যাওয়ার পর, আর স্থায়ী মাটির সেন্সর দিয়ে বড় জমি ঢাকতে অনেক বিনিয়োগ লাগে। তাই মাটিকেই সবচেয়ে আগের সংকেত ধরে কাজ শুরু করে টেরাসেন্স, বলেন প্রধান নির্বাহী খালেদ মেগাহেদ। প্রায় সাত মাস আগে কিং আবদুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কাউস্ট) উদ্যোক্তা কর্মসূচির মাধ্যমে মেগাহেদ, নাইফ আলোতাইবি ও আবদেলরহমান ফাত্তুহ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন।
তাদের স্বয়ংক্রিয় রোবট দুই রকম: চারপেয়ে রোবট ও চাকার রোভার। মাটির ভেতরের সেন্সর দিয়ে আর্দ্রতা, পিএইচ, পরিবাহিতা ও পুষ্টির মাত্রা মাপে, একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্যামেরা ফসলের অবস্থা দেখে। মেশিন লার্নিং মডেল সেই তথ্য থেকে সেচ, সার ও ফসলের স্বাস্থ্য নিয়ে পরামর্শ দেয়। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি ও সার দুটোই কম লাগে, সারের সাশ্রয় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।
প্রযুক্তিটি প্রথমে খেজুরবাগানের কথা ভেবে তৈরি হলেও এখন ভুট্টা, গাজর ও আঙুরে পরীক্ষা চলছে। মেগাহেদ বলেন, এটি স্থায়ী সেন্সর, স্যাটেলাইট বা ড্রোনের বিকল্প নয়, বরং সেগুলোর পরিপূরক; ভবিষ্যতে রোবটটি সরাসরি কৃষি ড্রোনের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারে।
ছবি: MezzoMezzo / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: AgNavigator





মন্তব্য
(০)