সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৩ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৭২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

সাতক্ষীরায় জলবায়ু বাস্তুচ্যুত ৯০ শতাংশ পরিবারের ঘরে খাবারের মজুত নেই

খানি ও প্রাণের জরিপে সাতক্ষীরা পৌরসভার অনানুষ্ঠানিক বসতির ৩৫৮টি জলবায়ু বাস্তুচ্যুত পরিবারের একটিও খাদ্যনিরাপদ পাওয়া যায়নি; ৯০.৮ শতাংশের ঘরে খাবারের মজুত নেই, ৯৬.৯ শতাংশ লবণাক্ত ও আয়রনযুক্ত পানির ওপর নির্ভরশীল।

সাতক্ষীরায় জলবায়ু বাস্তুচ্যুত ৯০ শতাংশ পরিবারের ঘরে খাবারের মজুত নেই
পরিবেশ

সাতক্ষীরা পৌরসভার অনানুষ্ঠানিক বসতিতে থাকা জলবায়ু বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর ৯০ দশমিক ৮ শতাংশের ঘরে কোনো খাবার মজুত নেই, আর জরিপে খাদ্যনিরাপদ একটি পরিবারও পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (খানি) ও পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্কের (প্রাণ) গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

২০২৬ সালের আগস্টে পৌরসভার ৩৫টি বসতির ৩৫৮টি পরিবারের ১ হাজার ৩৪১ জনের কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হয়। ২৩ দশমিক ২ শতাংশ পরিবার মাঝারি খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায়। খাবার জোগাতে ৫৭ দশমিক ৩ শতাংশ পরিবার উৎপাদনশীল সম্পদ বা ঘরের জিনিস বিক্রি করেছে, আর শিশুদের খাওয়াতে ৯৫ দশমিক ২ শতাংশ পরিবারের বড়রা নিজেরা কম খেয়েছেন। সপ্তাহে গড়ে মাত্র ১ দশমিক ৯ দিন মাছ, মাংস বা ডিম জোটে।

পানির সংকটও তীব্র। ৯৬ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার অন্তত আংশিকভাবে লবণাক্ত ও আয়রনযুক্ত অগভীর নলকূপের পানির ওপর নির্ভরশীল। গত এক মাসে অর্ধেক পরিবারের অন্তত একজন পানিবাহিত রোগে ভুগেছেন, যাঁদের ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ আনুষ্ঠানিক চিকিৎসা পাননি। গত ১২ মাসে ৭৭ দশমিক ১ শতাংশ পরিবারের ঘরে পানি উঠেছে, ৫৯ শতাংশ উচ্ছেদের হুমকিতে।

বাস্তুচ্যুতির সময় ৯২ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবার গবাদিপশু বা হাঁস-মুরগি, ৪১ দশমিক ১ শতাংশ কৃষিজমি এবং ২৯ দশমিক ৯ শতাংশ মাছ ধরার সরঞ্জাম হারিয়েছে। আগে চাষ, মাছ ধরা বা পশুপালনে থাকা অনেকে এখন দিনমজুর, ভ্যান-রিকশাচালক বা গৃহকর্মী; ৪৬ দশমিক ৩ শতাংশের আয় কমেছে। মাত্র ৭ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবার কোনো সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আছে, ৬ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ৩৩ দশমিক ২ শতাংশ বিদ্যালয়ের বাইরে।

৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ৩১ সামনে রেখে সংগঠন দুটি বাস্তুচ্যুত মানুষের ক্ষতিপূরণ, খাদ্যনিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনে অনুদানভিত্তিক আন্তর্জাতিক অর্থায়ন চেয়েছে। দেশে তাদের সুপারিশ: খাসজমিতে স্থায়ী আবাসন, পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়, জরুরি খাদ্যসহায়তা, নিরাপদ পানি এবং পরিচয়পত্রের জন্য বসতিভিত্তিক ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্প।

সংবাদ সম্মেলনে অ্যাকশনএইডের ম্যানেজার অমিত রঞ্জন বলেন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে উপকূলের মানুষের কৃষিজমি, খাদ্যনিরাপত্তা ও জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের পূর্বাভাস উদ্ধৃত করে গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণ জলবায়ু অভিবাসী হতে পারেন।

ছবি: Balaram Mahalder / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

হালদার দুই পাড়ে ১ হাজার ২৯ প্রজাতির উদ্ভিদ, বিপন্ন ২৩টি, দূষণের উৎস ২৯

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে ইকোর গবেষণায় হালদার তীরে ১ হাজার ২৯ প্রজাতির উদ্ভিদ শনাক্ত হয়েছে, যার ৫১৭টি ঔষধি ও ২৩টি বিপন্ন; সংরক্ষণ না হলে আরও ১০০ প্রজাতি বিপন্ন হতে পারে, দূষণের উৎস চিহ্নিত ২৯টি।

বাংলা নিউজ ২৪৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

পর্যটকের ফেলা প্লাস্টিকে বিপন্ন খাগড়াছড়ির মসংতৈছা ছড়া: মো. বেলায়েত হোসেনের কলাম

কবি ও প্রাবন্ধিক মো. বেলায়েত হোসেন সমকালে লিখেছেন, মাটিরাঙ্গার দুর্গম মসংতৈছায় ভ্রমণকারীদের ফেলে যাওয়া পলিথিন ও প্লাস্টিক ছড়া হয়ে নদীতে যাচ্ছে, যে পানি পাহাড়ের মানুষের খাবার পানির প্রধান উৎস। মতামত লেখকের নিজস্ব।

সমকাল৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

একঝলকে ৩ নভেম্বর: মাঠ, হাওর আর প্রকৃতির ছবি

বান্দরবানে উঠানে শুকানো কফির বিন, ফরিদপুরে মুড়িকাটা পেঁয়াজের পরিচর্যা, নিকলীর হাওরপাড়ে হাঁসের পাল আর পঞ্চগড়ের কুয়াশা: প্রথম আলোর আলোকচিত্রীদের তোলা দিনের মাঠ ও প্রকৃতির ছবি।

প্রথম আলো৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)