দক্ষিণ আফ্রিকায় যে কৃষকেরা ডিজেলের কর ফেরত দাবি করেন, তাঁদের নতুন একটি ডিজিটাল ব্যবস্থায় আবার নিবন্ধন করতে হবে, বছরের পর বছর ভ্যাটভিত্তিক ব্যবস্থায় দাবি করে থাকলেও। দেশটির রাজস্ব সংস্থা সার্স (SARS) ২০২৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর ই-ফাইলিংয়ে ডিজেল ফেরতের নিবন্ধনব্যবস্থা খুলেছে। ১৮ সেপ্টেম্বরের এক ওয়েবিনারে কর্মকর্তারা জানান, আগের কোনো নিবন্ধন আপনা থেকে নতুন ব্যবস্থায় যাবে না।
আপাতত শুধু নিবন্ধন চালু হয়েছে। নতুন দাবির প্ল্যাটফর্ম কবে চালু হবে, সার্স সেই তারিখ ঘোষণা না করা পর্যন্ত কৃষকেরা ভ্যাট২০১ রিটার্নেই দাবি জানাবেন। ওই তারিখের আগের ডিজেল পুরোনো নিয়মে, পরেরটা নতুন নিয়মে যাবে। দাবির মেয়াদ দুই বছর, তাই হিসাব ঠিকভাবে দুই ভাগ করতে হবে।
ফার্মার্স উইকলির মতে, সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো কৃষকের দাবি আংশিকভাবে বিক্রেতার ওপর নির্ভর করবে। ফেরত পাওয়া ব্যবহারকারীদের কাছে ডিজেল বিক্রি করে এমন প্রতিটি বিক্রেতাকে নিবন্ধন করে একটি ডিজেল কর নম্বর নিতে হবে, আর কৃষক ই-ফাইলিংয়ে সেই নম্বরের সঙ্গে যুক্ত হবেন। নিবন্ধিত বিক্রেতার কোনো তালিকা সার্স প্রকাশ করবে না, তাই প্রতিটি পাইকার, সমবায় বা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে জেনে নিতে হবে।
সুবিধাটি কেবল প্রাথমিক উৎপাদনের জন্য। যোগ্য কাজ আট শ্রেণিতে ভাগ করা, কৃষি ও বনায়ন একসঙ্গে। খামারে হলেও ফল প্যাক করা বা জুস তৈরির মতো কাজ এর আওতায় পড়ে না। ভাড়ায় কাজ করা ঠিকাদারেরা নিবন্ধন করতে পারবেন, কিন্তু নতুন ব্যবস্থা ও আইন কার্যকর হওয়ার আগে দাবি করতে পারবেন না; তাই কে জ্বালানি কিনবেন আর কে দাবি করবেন, চুক্তিতে তা লিখে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবেদন হবে আরএভি০১ ফর্মে, আর নিষ্পত্তিতে সর্বোচ্চ ২১ কর্মদিবস লাগবে বলে প্রস্তাব করেছে সার্স। নিবন্ধন মানেই ফেরত নিশ্চিত নয়: চালান, সরবরাহ নোট, লগবই, ট্যাংকের হিসাব আর কোন যন্ত্রে কোন কাজে কত লিটার গেল, তার রেজিস্টার রাখতে হবে। শুধু "খামারের সাধারণ কাজ" লিখে রাখলে যোগ্যতা প্রমাণ না-ও হতে পারে।
ছবি: NJR ZA / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা




মন্তব্য
(০)