সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৪ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৪°মেঘলাআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

রাস্তায় ফল বিক্রি করে লেখাপড়ার খরচ চালাচ্ছেন রিপন

জীবন পাল

জীবন পাল

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালীঘাট রোডের পাশে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভ্যানগাড়িতে ফল বিক্রি করেন মো. রিপন মিয়া। মা মারা যাওয়ার কিছুদিন পরই তার বাবা আরেকটি বিয়ে করে আলাদা সংসার শুরু করেন। এরপর থেকেই জীবনযুদ্ধে নেমে পড়তে হয় রিপনকে।

পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ থাকায় নিজ খরচে লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে নিতে শুরু করেন ফল বিক্রি। ক্লাস সিক্স থেকে এসএসসি পর্যন্ত ফল বিক্রি করে নিজের পড়ালেখা চালিয়েছেন রিপন। এরপর উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডিও তিনি পেড়িয়েছেন নিজের ফল বিক্রির টাকা দিয়েই। ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষাগ্রহণ করার ইচ্ছে তার।

৬ বছর বয়স থেকেই ব্যবসায় নামেন রিপন। ফাঁকে ফাঁকে বাড়তি আয়ের আশায় টাইলসের কাজও করেন। তবে ফল বিক্রির ব্যবসা তাকে বেশি আকৃষ্ট করে। ২ বছর বয়স থেকেই রিপন বাবা-মা হারা। বড় হয়েছেন দাদা বাড়িতে। দাদা-দাদির মৃত্যুর পর চাচার সংসারে বড় হয়েছেন।

আরও পড়ুন

৩ ভাই ও এক বোনের মধ্যে রিপন দ্বিতীয়। বড় ভাই সবজি দোকানে সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। আর ছোট বোন পড়াশোনা করছেন একটি মাদ্রাসায়। রিপন বলেন, 'ছোটবেলায় অতিরিক্ত দুষ্টুমি করায় আমাকে দাদাবাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যেই মা মারা যান। তারপর বাবা নতুন বিয়ে করেন।'

শহরের সিন্দুরখান রোডে ২ রুমের বাসা নিয়ে একাই থাকেন তিনি। ফলবিক্রি করেই নিজের পড়ালেখার খরচ চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলের ব্যবসা করে নিজ খরচে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রিপনকে প্রতিমাসে ঘর ভাড়া হিসেবে গুনতে হয় সাড়ে ৩ হাজার টাকা।

বিদ্যুৎ বিলসহ যা দাঁড়ায় ৪ হাজার টাকায়। ফল বিক্রি করে দৈনিক ২-৮ হাজার টাকা আয় হয়। তার খাওয়া ও নিত্য প্রয়োজনীয় খরচ বাবদ প্রতিদিন খরচ হয় ৪০০ টাকা।

মৌসুমভেদে দেশি-বিদেশি ফল ভ্যানগাড়িতে সাজিয়ে রাস্তায় বসেন রিপন। কমলা, মালটা, আপেল, আঙুর ও কলা হলো রিপনের দোকানের নিয়মিত বিক্রির ফলের তালিকা। এর বাইরে লিচু, আম, কাঁঠাল মৌসুমে এসব ফল সংগ্রহ করে বিক্রি করে থাকে।

সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত তার ফল বিক্রি চলে। রাতে দোকানপাট বন্ধ করে বাসায় ফেরা মানুষ ফল কিনতে ঢুঁ মারেন তার দোকানে। কালীঘাট রোড, সিন্দুরখান রোড, জালালিয়া রোড, মুসলিম বাগ, রামনগরসহ আশপাশের মানুষের কাছে রিপন খুবই পরিচিত।

আশপাশের সবাই রিপনকে খুব ভালবাসেন। পড়াশোনার প্রতি তার আগ্রহ দেখে সবাই গর্ব করেন। আশপাশের ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, রিপন খুব ভালো ছেলে। তার কয়েকটি গুণের মধ্যে একটি হলো, পারিবারিক এতো সমস্যার সম্মুখীণ হয়েও তিনি লেখাপড়া বাদ দেননি।

নিজের চেষ্টায় পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন। সবাই তাকে এ বিষয়ে খুব উৎসাহ দেন। যেহেতু নিজ চেষ্টায় এতটা পথ পাড়ি দিয়েছেন রিপন, বাকিটা পথও যেন তিনি ভালোভাবে পাড়ি দিতে পারেন এমনই প্রত্যাশা সবার।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

অরুণাচলের জিরো থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ১.৫ টন কিউই গেল দুবাইয়ে

আল কুসাইসের লুলু হাইপারমার্কেটে প্রদর্শিত হয়েছে এই ফল; বিদেশি ক্রেতার সাড়া যাচাই করাই উদ্দেশ্য।

অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

কুল্লুর সিন্দুরি ডালিম গেল দুবাইয়ে, যুক্ত প্রায় ৬০০ কৃষকের সংগঠন

৬৫০ বাক্সে ১ দশমিক ৩ টন ডালিম রপ্তানিতে সহায়তা করেছে ভারতের অ্যাপেডা; সরাসরি কেনা হয়েছে স্থানীয় কৃষক ও ভুন্টার এফপিও থেকে।

অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

প্রোটিনভিত্তিক জৈব ছত্রাকনাশক প্রযুক্তি: নেদারল্যান্ডসে ৩৫০ হেক্টরে পরীক্ষার অনুমতি

বায়োটালিসের ইভোকা এনজি টমেটো, শসা ও স্ট্রবেরিতে কৃষকের মাঠে পরীক্ষা হবে; ফসল বিক্রিও করা যাবে, ইউরোপে বাজারে আসার লক্ষ্য ২০২৯।

অ্যাগ্রিবিজনেস গ্লোবাল৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)