২০২৬-২৭ বিপণন বছরের শুরুতে রেকর্ড গতিতে গম রপ্তানি করছে কানাডা। কানাডিয়ান গ্রেইন কমিশনের তথ্য উদ্ধৃত করে ম্যানিটোবা কো-অপারেটরের বাজার বিশ্লেষক ফিল ফ্রাঞ্জ-ওয়ার্কেনটিন জানান, প্রথম ছয় সপ্তাহে আনুমানিক ৩১ লাখ টন গম দেশ ছেড়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬৮ শতাংশ বেশি।
আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের শুরুতে রপ্তানির বেশির ভাগই গত বছরের ৪ কোটি ৬ লাখ টনের রেকর্ড ফসল থেকে; তাতে সমাপনী মজুত ২৪ লাখ টন বেড়ে ৬৬ লাখ টনে দাঁড়িয়েছিল। স্ট্যাটিসটিকস কানাডার ১৬ সেপ্টেম্বরের হিসাবে এবারের ফসল ১১ শতাংশ কমে ৩ কোটি ৬১ লাখ টন হবে — বসন্তকালীন গম ২ কোটি ৬৫ লাখ, ডুরাম ৬৪ লাখ টন — যা তবু ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম।
এখন বড় প্রশ্ন মান। প্রেইরি অঞ্চলে বৃষ্টিতে ফসল তোলা পিছিয়েছে। দেশে সাধারণত পশুখাদ্যের গমের চাহিদা প্রায় ৩৫ লাখ টন, কিন্তু কিছু বিশ্লেষকের ধারণা এবার পশুখাদ্য-মানের গমের সরবরাহ ৬০ থেকে ৭০ লাখ টন হতে পারে। এতে পশুখাদ্যের দাম চাপে পড়বে, আর উচ্চমান ও উচ্চ প্রোটিনের গমের বাড়তি দাম আরও বাড়বে।
বিশ্বে ইউএসডিএর হিসাবে এ বছর গম উৎপাদন ৮২ কোটি ২৪ লাখ টন, গত মৌসুমের ৮৪ কোটি ৪০ লাখ টনের চেয়ে কম; যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়া ও আর্জেন্টিনায় ফসল ছোট, রাশিয়া ও ইউক্রেন মিলে ১১ কোটি ৪০ লাখ টনে স্থির। কৃষ্ণসাগরের অবকাঠামোয় হামলায় দুই দেশের রপ্তানি অনিশ্চিত; রাশিয়ার কিছু গম উত্তর মেরুর বন্দর মুরমানস্ক দিয়ে পাঠানোর কথা।
মিনিয়াপলিসে ডিসেম্বর মেয়াদি বসন্তকালীন গমের ফিউচার দাম ২ সেপ্টেম্বর বুশেলপ্রতি ৭.৯৪ মার্কিন ডলারে উঠে ২৩ সেপ্টেম্বর ৭.৩০ ডলারের নিচে নেমেছে।
ছবি: Parihav / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Manitoba Co-operator





মন্তব্য
(০)